আহ্লাদি ও বুড়ো রহমানের কন্যা— তারা দুজনেই—
A.
সুন্দরী
B.
নির্যাতিতা
C.
শিক্ষিতা
D.
অশিক্ষিতা
সঠিক উত্তরঃ
B.
নির্যাতিতা
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার-আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।উদ্দীপকের চাচা ও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- কোন গল্পটিতে স্বমীর নির্যাতনের শিকার পিতৃমাতৃহীন তরুণীর জীবন কাহিনি ফুটে উঠেছে?
- মিনার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা রানু তাকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। সে তার স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য কৃষিজমিতে উৎপন্ন ফসল বিক্রি করে যা আয় করে তাতে মিনার লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারে না। তাই অন্যের বাড়িতে ধান ভানা, মাড়াই দেওয়া ও গৃহপরিচারিকার কাজ করে মিনার লেখাপড়া ও সংসারের খরচ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বাধা হয়ে দাঁড়াল মিনার বয়স। ষ???ড়শী মিনাকে গ্রাম্য মোড়লের কুদৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য সে তাকে বিয়ে দিলো। কিন্তু অর্থলোভী ও স্বার্থান্ধ পরিবারে মিনার ঠাঁই হলো না। সে মায়ের কাছে চলে এলো। শুরু হলো মা-মেয়ের নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াই। উদ্দীপকের সমাজচিত্রের সাথে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমাজচিত্রের সাদৃশ্য কতটুকু? আলোচনা করো।
- বকুল যখন স্বামীহারা হয় তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেধ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন-সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল। বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগি পালন করে, ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যে কোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।"উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'মাসি-পিসি' গল্পের বক্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।
- আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছল-ছল করে ওঠে কেন?
- ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি-
- হঠাৎ দাওয়া থেকে ছুটে এসে মুহূর্তে হালিমার চুলের গোছাটা ধরলআবুল। তারপর কোনো চিন্তা না করে সজোরে একটা লাথি বসিয়েদিল ওর তলপেটে। উহ্! মাগো বলে পেটটা চেপে ধরে মাটিতেবসে পড়ল হালিমা।উদ্দীপকের আবুলের সঙ্গে 'মাসি-পিসি' গল্পের যে চরিত্রেরসাদৃশ্য রয়েছে—
- 'সজাগ রইতে হবে রাতটা'।- 'মাসি-পিসি' গল্পে এই উক্তিটি কার?
- বিধবা শেফালীর সংসারে পনেরো বছরের একটি মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। নিজের ও মেয়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব শেফালীকেই নিতে হয়। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জমিটুকুর দেখাশোনাও সে করে। পাড়ার বখাটেরা প্রায়ই তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। শেফালী গ্রামের মোড়লের কাছে বিচার দাবি করলেও সে ন্যায়বিচার পায়নি। রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'রক্ষকের নামে ভক্ষকদের কারণে শেফালীর মতো নারীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।'- মন্তব্যটি 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে মূল্যায়ন করো।
- মাসি-পিসি গল্পে চৌকিদার কে?
- মাসি-পিসি' গল্পে কে 'শুঁড়িখানায় পড়ে থাকে বার মাস'?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-
- 'মাসি-পিসি' গল্পে মাসি-পিসি দুজনেরই একমন, একপ্রাণ হওয়ার কারণ কী?
- সালতি কী কাঠের তৈরি?
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'যাবজ্জীবন' কোন সমাস?
- সাফিয়ার বাবা একজন দরিদ্র দিনমজুর। অনেক ধার-দেনা করে তিনি মেয়েকে বিয়ে দেন। ভাগ্যের নির্মমতায় বিয়ের পরেই সাফিয়ার জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবিতে সাফিয়াকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। অসহায় সাফিয়ার পরিবার শ্বশুরবাড়িতে সাফিয়া মিলেমিশে থাকতে না পারার দরুন তাকে উলটা ভর্ৎসনা করে। মনের কষ্টে সাফিয়া সব কিছু ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়।"মাসি-পিসি' গল্পের 'মাসি-পিসি'র মতো অভিভাবক থাকলে উদ্দীপকের সাফিয়ার পরিণতি এমন হতো না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- বিধবা মরিয়ম সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে। পনেরো বছরের একমাত্র সন্তান শাহানাকে নিয়ে তার ছোট সংসার। মরিয়মের এখন একটাই সংগ্রাম- মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়ে স্বাবলম্বী করানো। কিন্তু চতুর্দিকে বখাটেদের উৎপাত লেগেই আছে। তাইতো কাপড়ের আড়ালে ধারালো ছোট ছুরিটা নিতে 'কখনো ভুলে না সে। এতে বখাটেরা আজকাল আর সামনে এগুচ্ছে নাএবং অন্য নারীরাও এখন অনেক বেশি সচেতন। সংঘবদ্ধ মরিয়মরা এখন লাঞ্ছিত নারীদের এগিয়ে যাওয়ার সাহস।
- নাসির সাহেব তাঁর যাবতীয় সম্পদ বন্ধক রেখে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেন। টাকার লোভে জামাই মেয়েটির উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।উদ্দীপকের মেয়েটি ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আহ্লাদির উক্ত দিকটির মূলে রয়েছে-পুরুষতান্ত্রিকতাসামাজিক অনাচারপ্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- “নুনের অভাব” = আলুনি, এটি
- আহ্লাদির বাবা-মা মারা গিয়েছিল কীভাবে?
- বেতনভাতাদি বৃদ্ধির জন্য গোমতি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের শ্রমিকরা আন্দোলন শুরু করলে পুলিশতাদের কয়েকজনকে আটক করে। আটককৃত শ্রমিকরা তাদের মুক্তির দাবিতে অনশন ধর্মঘট শুরু করে। কারা কর্তৃপক্ষ নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য নাকে নল ঢুকিয়ে খাবার সরবরাহ করে অনশনকারীদের।উদ্দীপকের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় কোন কোন দিক সাদৃশ্যপূর্ণ?
- মাসি ও পিসি কেন কাছারি যেতে রাজি হয়নি?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো -দুর্ভিক্ষের মর্মস্পশী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তামানবিক জীবনসংগ্রাম নিচের কোনটি সঠিক?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে অল্পদিন আগে কার মেয়েটা শ্বশুরবাড়িতে মরেছে?
- হিরন্ময়ীর স্বামী যখন মারা যায় তখন তার মেয়ে লতার বয়স মাত্র দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। তবু দমে যায়নি হিরন্ময়ী। মানুষের বাড়িতে কাজ। করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে সে। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না যেতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়। লতা তার মায়ের কাছে ফিরে আসে। এবার পুরু হয় মা-মেয়ের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। বাড়ির আশেপাশে শাক-সবজি চাষ করে, বাড়িতে হাঁস-মুরগি পালন করে, পরের বাড়িতে ধান ভেনে, কাঁথা সেলাই করে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে। তারা মনে করে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার মধ্যে গৌরব আছে, কাজ করে জীবন নির্বাহ করার মধ্যে সম্মান আছে। তারা যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি-পিসি এবং উদ্দীপকের হিরন্ময়ী ও লতা- তারা সবাই জীবন-সংগ্রামের বলিষ্ঠ চেতনায় উদ্বুদ্ধ।"- বিশ্লেষণ কর।
- 'বেমক্কা' শব্দের অর্থ কী?
- কোন লেখকের রচনায় মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় পাওয়া যায়?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে চৌকিদার কানাইয়ের সাথে কয়জন পেয়াদা এসেছিল?
- কলেরায় আহ্লাদির পরিবার কতজন সদস্যকে হারিয়েছিল?
- সাহস মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। ভয় মানুষকে মৃত্যুর আগেই মৃত্যুপথযাত্রী করে তোলে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের আলোকে বলা যায়-বিপদে সাহস প্রয়োজনভয় বিপদ বাড়ায়মাসি-পিসি দুজনেই সাহসীনিচের কোনটি সঠিক?
- রহিমার স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বিধবা ফুফু রাহেলাবেগমের নিকট চলে আসে। গ্রামের মাতব্বরের ছেলেজগলুর কুদৃষ্টি পড়ে তার ওপর। দৃঢ় প্রত্যয়ী রাহেলা বেগমমা-পাখির মতো আগলে রাখে অনাথ রহিমাকে।উদ্দীপকটিতে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন দিকেরপ্রতিফলন ঘটেছে?
- 'মাসি-পিসি' গল্পে কার মাথায় ফেটিবাঁধা বাবরি চুল ছিল?
- পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
- ' সফিউর' চরিত্রটি কোন ঔপন্যাসিকের সৃষ্টি?
- নিচের কোন গল্পে দুর্ভিক্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
- ‘'জেলে নয় গেলাম কৈলেশ, কিন্তু মেয়া যদিসোয়ামির কাছে না যেতে চায় খুন হবার ভয়ে ?”উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে মাসি-পিসি চরিত্রের-
- তারাপুর গ্রামের মেয়ে রাবেয়া। শ্বশুরবাড়ির নির্যাতন সইতেনা পেরে ফুফু সলিমা বেগমের কাছে পালিয়ে আসে । গ্রামেরমাতব্বর নারীলোভী জয়নালের কুদৃষ্টি পড়ে রাবেয়ার ওপর।কিন্তু সলিমা বেগম জননী সাহসিকা। তিনি দৃঢ়প্রত্যয়ী মা-পাখির মতো আগলে রাখেন অনাথ ভাইঝি রাবেয়াকে। সলিমা বেগম 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন চরিত্রেরপ্রতিনিধিত্ব করছেন?
- মাসি-পিসি' গল্পের বৈচিত্র্যময় দিক হলো-দুর্ভিক্ষের মর্মস্পশী স্মৃতিপ্রকৃতির প্রতি নিবিড়তামানবিক জীবনসংগ্রামনিচের কোনটি সঠিক?
- কারণে-অকারণে বউকে প্রহার করা তাহেরের অভ্যাস।নির্যাতন সইতে না পেরে তার বউ অবশেষে আত্মহত্যা করে।তাহের পুনরায় বিয়ে করে এবং আবারও স্ত্রীর ওপর অত্যাচারশুরু করে।উদ্দীপক ও 'মাসি-পিসি' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিক হলো-