`দেশের সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন‘। বাক্যটি কোন দোষে দুষ্ট?
A. বাহুল্য দোষ
B. উপমার ভুল প্রয়োগ
C. গুরুচন্ডালি দোষ
D. অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার
সঠিক উত্তরঃ
A.
বাহুল্য দোষ
Explanation: "দেশের সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন"- বাক্যটিতে বাহুল্য দোষ রয়েছে।
• বাহুল্য দোষ:
প্রয়ােজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যােগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
• যেমন- দেশের সব শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।
বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না।
দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
বাক্যটি হবে দেশের "দেশের আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন" অথবা "দেশের সকল আলেম সভায় উপস্থিত ছিলেন"।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাহুল্য দোষ:
প্রয়ােজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং শব্দ তার যােগ্যতা গুণ হারিয়ে ফেলে।
• যেমন- দেশের সব শিক্ষকগণ এখানে উপস্থিত হয়েছেন।
বাংলা ভাষায় একই বাক্যে দুইবার বহুবচন ব্যবহৃত হয় না।
দুইবার বহুবচন বাচক চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করলে শব্দ বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয়।
বাক্যটি হবে দেশের "দেশের আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন" অথবা "দেশের সকল আলেম সভায় উপস্থিত ছিলেন"।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Related Questions (Any University/Year)
- তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি—
- (খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃযে লোক চরিত্রহীন সে পশুর চেয়েও অধম। (সরল)তিনি থাকতে কোনো জিনিসের অভাব ছিল না। (জটিল)প্রণাম করে পায়ের ধূলা নিলাম। (যৌগিক)কিস্তা তারা তো নেই। (অস্তিবাচক)মানুষের তৈরি দুর্যোগেও অনেক ক্ষতি করে। (নেতিবাচক)সময় নষ্ট না করে কাজটা শুরু করে দেয়া যাক। (অনুজ্ঞাবাচক)জোড়াতালি দিয়ে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যায় না। (প্রশ্নবোধক)যদি ভুলগুলো শুধরে নিতে পারতাম। (বিস্ময়সূচক)
- ‘এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো’- এ বাক্য কোন ধরনের?
- ‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’-কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
- বাক্যে অপরিহার্য পদ কোনটি?
- 'লেখাপড়া করে যে গাড়ী ঘােড়া চড়ে সে।'- কোন ধরনের বাক্য?
- (খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃমিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে। (নেতিবাচক)বিদ্বান হলেও তার অহংকার নেই। (যৌগিক)কীর্তিমানের মৃত্যু নাই। (জটিল)যা বার্ধক্য, কাকে সবসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। (সরল)তারা নিয়মিত শিক্ষার্থী নয়। (অস্তিবাচক)সদা সত্য বলা উচিত। (অনুজ্ঞা)দৃশ্যটি বড়ই সুন্দর। (বিস্ময়সূচক)সরস্বতী বর দেবেন না। (প্রশ্নবাচক)
- 'হৈম চমকিয়া কহিল- বাবা বলিয়াছেন? কখনো না' এ বাক্য দ্বারা হৈমন্তীর কোন অভিব্যক্তি প্রকাশ পায়।
- কোন বাক্যটি দ্বারা অনুরোধ বুঝায়?
- ‘সেই সত্য, যা রচিবে তুমি’ এটি কোন ধরনের বাক্য?
- সঠিকভাবে উপমা ব্যবহার না করলে বাক্য হারায়-
- 'তার খই যেন মুখে ফুটছে' । এখানে বাক্য হারিয়েছে
- 'রাজা আছেন, কোটালের দোহাই কেন?' কোন ধরনের বাক্য?
- 'কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা ।' এটির সরল বাক্যে রুপান্তর করলে হয় -
- ‘যদি সত্য বল তাহলে মুক্তি পাবে’-এটি কোন ধরণের বাক্য?
- জটিল বাক্যের উদাহরণ কোনটি?
- 'সে সৎ, কিন্তু তার ভাই অসৎ।' বাক্যটি-
- (খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃশিক্ষিত লোককে সবাই শ্রদ্ধা করেন। (জটিল)যারা দেশপ্রেমিক তারা দেশকে ভালোবাসে। (সরল)ছেলেটি গরিব হলেও মেধাবী। (যৌগিক)আজকাল কোনো জিনিসই সুলভ নয়। (অস্তিবাচক)এখানে আমি বহুদিন আগে এসেছি। (নেতিবাচক)ভুল সবার হয়। (প্রশ্নবোধক)দোষ করেছে অতএব শান্তি পাবে। (জটিল)যে অন্ধ তাকে আলো দাও। (সরল)
- (খ) বন্ধনীর নির্দেশ অনুসারে যেকোনো পাঁচটি বাক্যান্তর করোঃসে আর ভিক্ষা করে না। (প্রশ্নবোধক)বাংলাদেশ কি একটি উন্নয়নশীল দেশ নয়? (অন্তিবাচক)তোমার এরূপ ব্যবহার অনুচিত। (নেতিবাচক)তারা কি যাবে কোথাও? (অন্তিবাচক)লোকটির সবই আছে, কিন্তু সুখী নয়। (জটিল বাক্য)আমার এমন কিছু নেই, যা তোমাকে দিতে পারি। (সরল)সূর্যোদয়ে পদ্মফুল ফোটে। (জটিল বাক্য)যিনি জ্ঞানী, তিনিই সত্যিকার ধনী (সরল বাক্য)
- "তার বয়স বেড়েছে, কিন্ত বৃদ্ধি বাড়েনি "।কোন ধরণের বাক্য?