পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি-
A. নাটক
B. উপন্যাস
C. গল্প
D. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তরঃ
B.
উপন্যাস
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আলেয়া খাতুন রাতের বেলা এক হাতে লণ্ঠন আর অন্য হাতে রশি নিয়ে মনের দুঃখে কাঁদতে কাঁদতে পাশের বাড়ির সালেহা বেগমকে এসে বললেন, 'আম্মা আমার আর বাঁচার এতটুকু ইচ্ছা নেই। যাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলাম সেই যখন আমাকে ছেড়ে চলে গেল তখন আমি বাঁচতে চাই না। আমিও মরতে চাই।' সালেহা বেগম বললেন, 'দেখো বউমা, এমন কথা বলো না। তোমার শ্বশুরের সাথে ত্রিশ বছর ধরে সংসার করো করেছি। তিনি মারা যাওয়ার পরে আজও এই ঘর, এই সংসারকে আঁকড়ে পড়ে আছি। কোনোদিন এই সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা চিন্তাও করি নাই। তিনি যেদিন মারা গেলেন, বুকে পাথর বেঁধে সারাটি রাত তার পাশেই বসেছিলাম। যাও বাড়ি যাও। সব ঠিক হয়ে যাবে।' পাশেই বসে থাকা সালেহা বেগমের ছোটো সন্তান সোহাগ আলেয়া খাতুনকে জিজ্ঞাসা করে, 'ভাবী তোমার হাতে লণ্ঠন কেন?' আলেয়া খাতুন চট করে উত্তর দেয়- 'যদি সাপে কামড়ায়।'উদ্দীপকের আলেয়া খাতুনের সাথে 'বিলাসী' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়? আলোচনা করো।
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন, না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টাও পার হইয়া যাইবে। মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গেছে বটে, কিন্তু পণ্যের টাকার আপেক্ষিক গুরুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিত উপরে আছে, সেই জন্যই তাড়া।উদ্দীপকের বরের বাপ তোমার পঠিত গল্পের কোন চরিত্রকে ইঙ্গিত করে? আলোচনা করো।
- 'বিলাসী' গল্পের নায়ক কত ক্রোশ পথ হেটে স্কুলে যেতো?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মৃত্যুঞ্জয়ের জন্য বিলাসীর ভালোবাসার প্রমাণ হলো-সাপ ধরার বায়না ফিরিয়ে দেয়ামৃত্যুঞ্জয়ের শোকে আত্মহত্যা করামৃত্যুঞ্জয়কে সেবাযত্নের মাধ্যমে সুস্থ করানিচের কোনটি সঠিক?
- সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসত-বাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির ওপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালন-পালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।"উদ্দীপকের মূলভাব 'বিলাসী' গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।"- মূল্যায়ন করো।
- রোহিনী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?
- 'কাগজ তো ইঁদুরেও আনতে পারে।' বিলাসী গল্পে এ উক্তি কার?
- মরিয়ম শহরের একটি হাসপাতালে চাকরি করেন। হাসপাতালের দায়িত্ব শেষ করে গ্রামে ফিরতে প্রায়ই তার রাত হয়, এমনকি রোগীর দেখাশোনার জন্য মাঝে মাঝে। তাকে রাতে হাসপাতালে থাকতে হয়। গ্রামের কিছু মানুষ রাত করে বাড়ি ফেরা এবং বাড়ির বাইরে রাতে থাকার বিষয়টি মেনে নিতে পারে না'। তারা গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মরিয়মকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মরিয়ম তার প্রতিবাদ করেন, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই গ্রাম ছেড়ে যাবেন না। উদ্দীপকের সঙ্গে 'বিলাসী' গল্পের যে দিকের মিল রয়েছে তা হলো-নারীর প্রতি নির্যাতন কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজগ্রামীণ বিচার ব্যবস্থা নিচের কোনটি সঠিক?
- কিন্তু মৃত্যঞ্জয় তো পল্লীগ্রামেরই ছেলে পাড়াগাঁয়ের তো- মানুষ বিলাসী গল্পের এ বাক্যের শূন্যস্থান আছে-
- 'ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না।'-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ রাজিব চক্রবর্তীর পুত্র রাতুল চাকুরি নিয়ে শহরে আসে। কিছুদিন পর রাতুল করোনায় আক্রান্ত হয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির নিম্নবর্ণের মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা রমা দাস তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখায় এবং সেবাযত্নের জন্য গ্রামের এক দরিদ্র মসিকে নিয়োগ করে। রমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপযুক্ত সেবা ও 'চিকিৎসা পেয়ে রাতুল সুস্থ হয়ে ওঠে। রমার মার্জিত রুচি, ব্যক্তিত্ব, মানবতাবোধে মুগ্ধ হয়ে জাতভেদ ভুলে যাবার অমতে তাকে বিয়ে করে রাতুল। প্রথাগত সংস্কারের বিপরীতে জয় হয় মনুষ্যত্বের।"উদ্দীপকটিতে 'বিলাসী' গল্পে সমাজবাস্তবতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে"- উত্তরের পক্ষে তোমার যুক্তি দেখাও।
- পার্বতী সাপুড়ের মেয়ে, সাপ ধরা, শিকড়-তাবিজ বিক্রি করা তাদের পারিবারিক পেশা। পার্বতীর রূপ-গুণে মুগ্ধ হয়ে জমিদার পুত্র চন্দ্রসিং তাকে বিয়ে করে, তাদের সংসার বেশ সুখের হয়। কিন্তু সমাজ চন্দ্রসিংকে মেনে নেয়নি, পার্বতীকেও সাপুড়ে সমাজ জাতিচ্যুত করে। উভয়ে সমাজ ছেড়ে দূরবর্তী সোনাপুর গ্রামে নতুন জীবন শুরু করে।পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
- 'অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- বিলাসী' গল্পে 'মহত্ত্বের কাহিনি' কথাটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'বিলাসী' গল্পে মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?
- 'বিলাসী' গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?
- প্রেমিক আশিকুরের ভালোবাসার টানে মালয়েশিয়া থেকেছুটে এসেছেন অভিজাত বংশের কন্যা ফাতেমা বিনতে আব্দুররহমান। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর স্ত্রীকেবাড়িতে সসম্মানে নিয়ে গেছেন তিনি। এখন তারা আটপৌরেজীবন-যাপন করছেন।উদ্দীপকে 'বিলাসী' গল্পের কোন সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিতহয়েছে?
- ’সহমরণ’ প্রসঙ্গটি কোনরচনার অন্তর্গত?
- বিশ্বনাথ একজন সাপুড়ে। তার স্ত্রী কল্পনাও সাপুড়ে। সাপ খেলা দেখিয়ে তাবিজ বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। কিন্তু কল্পনা এখন আর সাপুড়ে পেশা পছন্দ করে না। সে বিশ্বনাথকে সাপুড়ে পেশা ছেড়ে অন্য কিছু করতে বলে। কারণ, 'প্রথমত, সাপের কামড়ে স্বামীর মৃত্যুর আশঙ্কা, দ্বিতীয়ত, শিকড়-বাকড় বিক্রির মাধ্যমে টাকা অর্জন করা লোক ঠকানোর নামান্তর। কিন্তু বিশ্বনাথ তা আমলে নেয় না। সে বলে, আমরা লোক ঠকাই না; লোকদের খেলা দেখিয়ে আনন্দের বিনিময়ে উপার্জন করি।উদ্দীপকে কল্পনা 'বিলাসী' গল্পের বিলাসীর দৃষ্টিভঙ্গির সাথে কতটুকু সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।