মতলবপুর গ্রামে সুসজ্জিত স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, সোনাফলা ফসলি জমি-সবই আছে কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসা বা স্কুল-কলেজের শিক্ষা গ্রহণের জন্য যে আর্থিক সামর্থ্যের প্রয়োজন তা গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই নেই। ফসলি জমির ফসল ওঠে কয়েকটি ভূ-স্বামী পরিবারের গোলায়। তাই অর্ধাহারে, অশিক্ষায় আর চিকিৎসাহীনতায় মানবেতর জীবনযাপন করে মতলবপুর গ্রামের আশি ভাগ মানুষ। বাইরে থেকে দেখলে যে গ্রামকে আদর্শ মনে হয় নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভেসে ওঠে সে গ্রামের বঞ্চিত গ্রামবাসীর অসহায় মুখচ্ছবি।
উদ্দীপকের 'ফসল' এর সাথে 'বিড়াল' প্রবন্ধের ধনবৃদ্ধির তুলনা কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'কবর' কবিতার সব শেষে কার মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে ?
- ‘জাদুঘরে কেন যাব’ রচনায় লেখক কুয়েতের জাদুঘরে কী দেখে চমৎকৃত হয়েছেন?
- এক সময় কারা অসভ্য বর্বর ছিল?
- নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন কে?
- অর্থই অনর্থের মূল ' কোন উপন্যাসের উক্তি?
- 'বিশালাক্ষী দিয়েছিল বর,' কথাটি-দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'জীবন -বন্দনা ' কবিতায় কবি প্রথমে কার বন্দনা করেছেন?
- পূর্বে পল্লিবাসিনীগণ কী দিয়ে কাপড় কাচতেন?
- ‘দেশে বিদেশে’-এর লেখক কে?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতায় 'কূপমন্ডূক’ শব্দের ব্যঞ্জনাগত অর্থ-
- "মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক"- ব্যাখ্যা করো।
- 'মসজিদ এই মন্দির এই গির্জা এই হৃদয়'- চরণটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
- গ্রন্থাগার জ্ঞানের বিশাল ভাণ্ডার। এটা জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্যও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক বলে মানুষের মনকে জাগিয়েতুলতে সাহায্য করে। উদ্দীপক ও 'জাদুঘরে কেন যাব' রচনার মিল রয়েছে কোনদিক থেকে?
- ‘সেই অস্ত্র' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সাত ভায়া' গ্রামের উল্লেখ রয়েছে কোন রচনায়?
- আমার পূর্ব বাংলা এক গুচ্ছ স্নিগ্ধঅন্ধকারের তমালঅনেক পাতার ঘনিষ্ঠতায়একটি প্রগাঢ় নিকুঞ্জসন্ধ্যার উন্মেষের মতোসরোবরের অতলের মতোকালো-কেশ মেঘের সঞ্চয়ের মতোবিমুগ্ধ বেদনার শান্তি।উদ্দীপকে বর্ণিত 'বিমুগ্ধ বেদনার শান্তি' 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে' কবিতার কোন অনুষঙ্গের সাথে তুলনীয়?
- “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে"--- কোন কবির রচনা?
- মুনীর চৌধুরী রচিত গ্রন্থ কোনটি?
- চিরকাল গলার স্বর আমার কাছে বড়ো সত্য। রূপ জিনিসটি বড়ো কম নয়, কিন্তু মানুষের মধ্যে যাহা অন্তরতম এবং অনির্বচনীয়, আমার মনে হয় কণ্ঠস্বর যেন তারই চেহারা। আমি তাড়াতাড়ি গাড়িতে জানালা খুলিয়া বাহিরে মুখ বাড়াইয়া দিলাম, কিছুই দেখিলাম না। প্লাটফর্মের অন্ধকারে দাঁড়াইয়া গার্ড তাহার একচক্ষু লণ্ঠন নাড়িয়া দিল, গাড়ি চলিল: আমি জানালার কাছে বসিয়া রহিলাম। আমার চোখের সামনে কোন মূর্তি ছিল না, কিন্তু হৃদয়ের মধ্যে আমি একটি হৃদয়ের রূপ দেখিতে লাগিলাম। সে যেন এই তারাময়ী রাত্রির মতো, আবৃত করিয়া ধরে কিন্তু তাহাকে ধরিতে পারা যায় না। গুগো সুর, অচেনা কন্ঠের সুর, এক নিমেষে তুমি যে আমার চিরপরিচয়ের আসনটির উপরে আসিয়া বসিয়াছ। কী আশ্চর্য পরিপূর্ণ তুমি- চঞ্চল কালোর ক্ষুদ্র হৃদয়ের উপরে ফুলটির মতো ফুটিয়াছ, অথচ তার ঢেউ লাগিয়া একটি পাপড়িও টলে নাই, অপরিমেয় কোমলতায় এতটুকু দাগ পড়ে নাই ।খ) 'একচক্ষু নন্ঠন' বলতে কী বোখানো হয়েছে? ঘ) কখন কাকে 'তুমি' সম্বোধন করেছে?
- ‘কেহ মরে বিল ছেঁচে ,কেহ খায় কই’ - কোন রচনার অংশ?