'তাহারেই মনে পড়ে' কবিতাটির লেখক-
A. শামসুর রাহমান
B. সুফিয়া কামাল
C. কাজী নজরুল ইসলাম
D. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তরঃ
B.
সুফিয়া কামাল
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন মাসের উল্লেখ আছে ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি' – পরের পঙক্তি কোনটি ?
- বর্ষায় বাংলার প্রকৃতি যেন ভিন্ন এক রূপের পসরা সাজায়। বিলের বুকে কলমিলতা, শাপলার অনাবিল সৌন্দর্য, পানকৌড়ির লুকোচুরি- কার না ভালো লাগে। কিন্তু শিল্পী নাজমা বিলের ধারে বেড়াতে এসেও যেন কেন আনমনা হয়ে আছেন। এমনি এক বর্ষায় নৌকাডুবিতে চিরতরে হারিয়ে যায় তার স্নেহের দুটি ভাই-বোন। শাপলা-শালুকভরা শাশ্বত বাংলার বর্ষা প্রকৃতি দেখেও আজ তাই কণ্ঠশিল্পী নাজমার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় না কোনো গান। তার হৃদয় জুড়ে শুধুই বিষণ্ণতা।"তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাথে উদ্দীপকটির বিষয়গত প্রচুর বৈসাদৃশ্য রয়েছে"- বিশ্লেষণ কর।
- "কুহেলী উত্তলী তলে মাঘের সন্ন্যাসী"- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'উত্তরী' শব্দের অর্থ কী?
- ভিতরে আমার বাঁশিটি বাজে না আর,ওড়ে না পাখি আঁকাবাঁকা সাদা জাঁকনদী জলের ঢেউগুলো নির্বাক'ভিতরে আমার ভেঙে পড়ে শুধু পাড়।
- 'চলো, কোথাও একটু ঘুরে আসি' -বাক্যটিতে 'কোথাও' শব্দটির ব্যাকরণিক শব্দ কোনটি?
- ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতি এক নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে প্রকৃতি তখন নব যৌবন লাভ করে। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়, ফুলে ফুলে ভরে যায় অবারিত মাঠ-ঘাট ও বাগান। আমের মুকুল মৌ মৌ গন্ধে তখন চারদিক মুখরিত মুখারিত হয়ে ওঠে। এই ঋতুতে বিরহীদের মন প্রিয়জনের সান্নিধ্য খোঁজে। তাদের কথা বেশি বেশি মনে পড়ে। কারণ, প্রকৃতির সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রভাব তখন মানব মনে পড়ে। কবি-সাহিত্যিকগণ তখন নতুন নতুন সাহিত্য চর্চায় আত্মনিয়োগ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।বসন্তের সঙ্গে মানব মনের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে'- উদ্দীপকের উক্তিটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ঋতুরবন্দনা করেছেন?
- . 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কোন বিষয়টিপ্রাধান্য পেয়েছে?
- (i) তোমাকে যে ভালোবাসি এ কথা বাতাসেও জেনেছেএই বার্তা মুখে করে প্রভাময়ী আলো নিয়ে যায়আমাদের প্রেমের রূপে নীলবর্ণ আকাশ টাঙ্গায়দিকে দিকে জাগে ভোর, বনভূমে পাখিরা সেজেছে।(ii) তুমি চলে গেছ কত যুগ কত বছর?এইমাত্র সমুখে ছিলে, পাত্রে জল কাঁপছে এখনোযেন কোনো এক স্বপ্নঘেরা বাগানে লুকানোতোমার প্রেমের রূপ, প্রতিশ্রুতি, মিথ্যের শব্দবহর।উদ্দীপকের (ii) অংশের, সঙ্গে সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার সাদৃশ্য বিচার করো।
- গঠনরীতির দিক থেকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কী ধরনের রচনা?
- নাহি জানি, কেহ নাহি জানেতব সুর বাজে মোর গানেকবির অন্তরে তুমি কবিনও ছবি নও ছবি, নও শুধু ছবি"উদ্দীপকের শোক গীতিময় এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার শোক বিষাদময়।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- সালমা ও জামিল দাম্পত্য জীবনে সুখেই দিনাতিপাত করছিল। হঠাৎ এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল জামিল। ছন্দপতন ঘটল সালমার সুখময় জীবনে। যদিও পরবর্তীকালে শামীম নামের এক ভদ্রলোকের সাথে সালমার আবার বিয়ে হয়। কিন্তু প্রথম স্বামীর স্মৃতি সে এক দিনের জন্যেও ভুলতে পারেনি। কারণ, সে ছিল তার সকল কাজের প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে সালমা প্রথম স্বামীর কথা স্মরণ করে একদম উদাসীন হয়ে যায় এবং স্বামীর কবরের পাশে বসে নীরবে অশ্রুপাত করে। কেননা তার সেই ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালেই তাকে ছেড়ে চিরদিনের মতো চলে গেছে।"উদ্দীপকের সালমার মনের কষ্ট আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এক সূত্রে গাঁথা'- আলোচনা করো।
- রত্না এবং রতনের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখে-শান্তিতেই কাটছিল। কিন্তু বিনা মেঘে বজ্রপাতের ন্যায় মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করল রতন। কালের বিবর্তনে জীবন নামের একজন ভালো মানুষের সাথে রত্নার পুনরায় বিয়ে হলেও প্রথম স্বামীর সস্মৃতি একমুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেনি সে। কেননা, প্রথম স্বামী ছিল তার সকল কাজের সহযোগী ও প্রেরণাদাতা। প্রতি বসন্তে রত্না তাই প্রথম স্বামীর কথা বিশেষভাবে স্মরণ করে নীরবে কাঁদে। কারণ, তার ভালোবাসার মানুষটি বসন্তকালের পূর্বলতোই তাকে ছেড়ে চির বিদায় নিয়েছে।' উদ্দীপকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার বিষয়বস্তু ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে।' বুঝিয়ে লেখো।
- প্রকৃতি ও মানব মনের সম্পর্ক তুরে ধরা হয়েছে কোন কবিতায়?
- কোন কবিতাটি সংলাপ-নির্ভর নাটকীয়তার বৈশিষ্ট্যমন্ডিত?
- ‘তার পিঠে রক্তজবার মতো___ ছিলো’ শূন্যস্থানে কী হবে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটির স্তবকসংখ্যা -
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রকাশিত হয়—
- 'কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- তোমার পঠিত কোন কবিতাটি সংলাপনির্ভর?
- ‘ফুল কি ফোটেনি শাখে?' – কবি সুফিয়া কামাল এরকম প্রশ্ন করেছেন কেন?
- 'কুহেলী' শব্দের অর্থ কী?
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'- কবির এই উদাসীনতার প্রকৃত ধারণ কী?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- কার রক্তে বাস্তবের বিশাল চত্বরে ফুল ফোটে?
- কোন কবিতা জুড়ে রয়েছে বিষাদময় রিক্ততার সুর ?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- বসন্ত কাকে স্মরণ করে পৃথিবীতে এসেছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।
- কুহেলি উত্তরী তলে কে চলে গেছে?
- 'আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে রয়েছে তার জন্য।' উদ্দীপকের ‘তার' শব্দটি 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতারকোন বিষয়কে স্মরণ করায়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে চলে গেছে কে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- "ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলিকরুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।................................…………………………………কাল হতে আর ফুটবে না হায়, লতার বুকে মঞ্জরীউঠছে পাতায় পাতায় কাহার করুণ নিশাস মর্মরীগানের পাখি' গেছে উড়ে শূন্য নীড়কণ্ঠে আমার নাই সে আগের কথার ভিড়'।উদ্দীপকের কবি এবং 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অন্তর্বেদনাকে এক সুতায় গাঁথা যায় কি? আলোচনা করো।'
- ‘তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'নীরব কেন' বলতেবোঝায়—কবি উদাসীন হয়ে আছেন কেন?কবি কেন বসন্তকে সম্বোধন করছেন না?কবি কেন কাব্য রচনায় সক্রিয় হচ্ছেন না?নিচের কোনটি সঠিক?