মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য কোন উপাদানটি দরকার?

A. স্নেহ
B. আমিষ
C. ভিটামিন
D. শর্করা
Poster Download
NursingDiplomaSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নলিপিড বা স্নেহ পদার্থ (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. আমিষ
Explanation:

Another Explanation (5):

দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধিসাধনে আমিষের ভূমিকা 🍖

দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো আমিষ। এটি আমাদের শরীরের গঠন তৈরি করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমিষের কার্যাবলী ⚙️

  • ক্ষয়পূরণ: আমিষ আমাদের শরীরের কোষ এবং টিস্যুগুলির ক্ষয় পূরণ করে। 💪
  • বৃদ্ধি: শিশুদের এবং কিশোর-কিশোরীদের সঠিক বৃদ্ধির জন্য আমিষ অপরিহার্য। 👶➡️🧑
  • হরমোন তৈরি: এটি শরীরের বিভিন্ন হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে। 🧪
  • এনজাইম তৈরি: হজম এবং অন্যান্য জৈবিক প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করে। enzyme 🧬
  • রোগ প্রতিরোধ: অ্যান্টিবডি তৈরির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 🛡️
  • শক্তি উৎপাদন: প্রয়োজনে শক্তি সরবরাহ করতে পারে। ⚡
  • কোষের গঠন: কোষের ঝিল্লি(Cell membrane) সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো তৈরি করে।🧱

আমিষের উৎস 🥩🥚🥛

আমিষ সাধারণত দুই ধরনের উৎস থেকে পাওয়া যায়:

  1. প্রাণিজ উৎস: মাংস, ডিম, দুধ, মাছ, পনির ইত্যাদি। 🐄🐑🐟
  2. উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, শিম, মটরশুঁটি, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি। 🌱🥜 beans

বিভিন্ন খাবারে আমিষের পরিমাণ (আনুমানিক) 📊

খাবার পরিমাণ আমিষের পরিমাণ (গ্রাম)
ডিম ১টি ৬-৭
মুরগির মাংস (রান্না করা) ১০০ গ্রাম ২৫-৩০
গরুর মাংস (রান্না করা) ১০০ গ্রাম ২৬-৩৫
মসুর ডাল (রান্না করা) ১ কাপ ১৮
পনির ১০০ গ্রাম ১৮-২৫

আমিষের অভাবজনিত সমস্যা 🤕

শরীরে আমিষের অভাব হলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • শারীরিক দুর্বলতা এবং ক্লান্তি 😩
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া 🤒
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া 👶 stunted growth
  • ত্বকের সমস্যা 🤕
  • চুল পড়া 💇‍♀️

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ 🤔

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আমিষ রাখা উচিত। তবে, অতিরিক্ত আমিষ গ্রহণও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 👍

পর্যাপ্ত পানি পান করুন। 💧💧💧

নিয়মিত ব্যায়াম করুন। 🏋️‍♀️