মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ-

A. এইডস
B. পোলিও
C. ধনুষ্টংকার
D. হেপাটাইটিস
Poster Download
BSMRSTUUnit-Cজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবব্যাক্টেরিয়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)BSMRSTU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. ধনুষ্টংকার
Explanation:

Another Explanation (5):

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ: ধনুষ্টংকার

ধনুষ্টংকার (Diphtheria) একটি গুরুতর সংক্রামক রোগ, যা মূলত ক্লোস্ট্রিডিয়াম ধনুষ্টংকার নামে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। এটি সাধারণত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ায় এবং শ্বাসনালী, গলা, এবং ত্বকে আক্রমণ করে।

কারণ ও সংক্রামকতা

  • ব্যাকটেরিয়া: Clostridium diphtheriae
  • সংক্রমণের মাধ্যম: কফ, খোসা ও সংক্রামিত ব্যক্তি থেকে সরাসরি বা অন্য মাধ্যমে ছড়ানো
  • প্রাথমিক লক্ষণ: গলা ব্যথা, জ্বর, কাশি, গলার উপরে ধূসর বা ধূসর বাদামী রঙের ধরা

রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ

লক্ষণ বর্ণনা
গলা ব্যথা ও খিঁচুনি গলার ভিতরে ধূসর বা ধূসর বাদামী ধরা পড়ে
জ্বর অল্প থেকে মাঝারি তাপমাত্রা
শ্বাসকষ্ট গলার ধর্দের কারণে শ্বাসে সমস্যা হতে পারে
গলা ফুলে যাওয়া গলার পেছনের অংশে ফুলে যাওয়া অনুভূত হয়

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

  • টিকাদান: ধনুষ্টংকারের জন্য প্রতিরোধের অন্যতম মূল উপায় হলো টিকা (DTP ভ্যাকসিন) 💉
  • অন্তত তিন ডোজ টিকা গ্রহণ করতে হবে এবং সময়মতো বুস্টার ডোজ নিতে হবে
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিটক্সিন ও অ্যান্টিবায়োটিক (অক্সিসিলিন বা এজিথromycin) ব্যবহার করা হয় 💊
  • খুব গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে চিকিৎসা প্রয়োজন

উপসংহার

ধনুষ্টংকার একটি মারাত্মক রোগ হলেও টিকা ও সতর্কতা অবলম্বন করে এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করলে রোগের ক্ষতিকর প্রভাব কমে যায়। 😊

Option A Explanation:

এইডস (AIDS) এর ব্যাখ্যা

  • সম্প্রতি: এইডস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (HIV) দ্বারা সৃষ্টি হয়।
  • প্রভাব: এটি মানুষের শরীরের প্রতিরক্ষামূলক সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়, ফলে সাধারণ সংক্রমণ ও অসুস্থতা সহজে আঘাত করে।
  • সংক্রমণের পথ: এইডস সাধারণত রক্ত, সঙ্গমের মাধ্যমে বা মা থেকে সন্তানকে ট্রান্সমিট হয়।
  • অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের সাথে সম্পর্ক: এইডসের কারণে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ায়, সংক্রমণ ও ক্যান্সার উন্নয়নের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে, সরাসরি অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিসের কারণে এইডস হয় না, বরং এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
Option B Explanation:
  • পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
  • এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
  • রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
  • বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
  • প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
  • সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option C Explanation:
  • নাম: ধনুষ্টংকার (Tetanus)
  • কারক: ব্যাকটেরিয়া, বিশেষ করে Clostridium tetani
  • প্রবাহ: মাটিতে থাকা ব্যাকটেরিয়ার স্পোরা ক্ষতস্থানে প্রবেশ করলে সংক্রমণ হয়।
  • লক্ষণসমূহ:
    • তীব্র পেশী সংকোচন ও ঝাঁকুনি
    • শ্বাসকষ্টের সমস্যা
    • দাঁতের শক্ত হওয়া
    • বুকের পেশী টান বা কঠিন হয়ে যাওয়া
  • প্রতিরোধ: টিটেনাস টিকা (টিটেনাস টিকা) দ্বারা প্রতিরোধ সম্ভব।
  • চিকিৎসা: অ্যান্টি-টিটেনাস ইমিউনোগ্লোবুলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ওয়েলডিং বা ক্ষত পরিষ্কার।
Option D Explanation:

হেপাটাইটিস

  • একটি লিভার সংক্রমণ রোগ, যা হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে।
  • প্রধানত তিনটি ধরনের হেপাটাইটিস ভাইরাস পাওয়া যায়: হেপাটাইটিস A, B, ও C।
  • এর লক্ষণসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত: ক্লান্তি, বমি, বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, অরঞ্জিত চোখ ও ত্বক, এবং গা darkening।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান ও সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এড়ানো জরুরি।
  • চিকিৎসার মাধ্যমে রোগের প্রতিকার সম্ভব, বিশেষ করে ভাইরাসের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত ওষুধ ও যত্ন নেওয়া।