মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোন যন্ত্রের সাহায্যে বিভব পার্থক্য ও তড়িচ্চালক শক্তি নির্ণয় করা হয়?

A. পটেনশিওমিটার
B. অ্যামিটার
C. গ্যালভানোমিট???র
D. ও'ম মিটার
Poster Download
MEDICALপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রচল তড়িৎশান্ট, অ্যামিটার ও ভোল্টমিটার (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. পটেনশিওমিটার
Explanation: বিভব পার্থক্য ও তড়িচ্চালক শক্তি নির্ণয়ে পটেনশিওমিটার ব্যবহৃত হয়। A. পটেনশিওমিটার: সঠিক, এটি নির্ভুলভাবে মাপার যন্ত্র। B. অ্যামিটার: ভুল, এটি কারেন্ট মাপার যন্ত্র। C. গ্যালভানোমিটার: ভুল, এটি বর্তনীতে প্রবাহ নির্দেশ করে। D. ও'ম মিটার: ভুল, এটি রোধ মাপার যন্ত্র। নোট: পটেনশিওমিটার বর্তনীতে নির্ভুল পরিমাপ নিশ্চিত করে।
Another Explanation (5):

পটেনশিওমিটার: বিভব পার্থক্য ও তড়িচ্চালক শক্তি নির্ণয়ের যন্ত্র 💡

পটেনশিওমিটার একটি সূক্ষ্ম পরিমাপক যন্ত্র। এটি বর্তনীর দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য (Potential Difference) এবং কোনো কোষের তড়িচ্চালক শক্তি (Electromotive Force বা EMF) নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ভোল্টমিটারের তুলনায় বেশি নির্ভুল ফলাফল দেয়। 💯

পটেনশিওমিটারের মূলনীতি ⚙️

পটেনশিওমিটারের মূলনীতি হলো একটি সুষম তারের (Uniform Wire) দৈর্ঘ্য বরাবর বিভব পতন (Potential Gradient) পরিমাপ করা। যখন তারের দুই প্রান্তে একটি স্থিতিশীল বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হয়, তখন তারের প্রতিটি অংশের বিভব তার দৈর্ঘ্যের সাথে সমানুপাতিক হয়।

পটেনশিওমিটারের অংশসমূহ 🧱

  • রোধ তার (Resistance Wire): এটি সাধারণত ম্যাঙ্গানিন বা কন্সট্যান্টান তারের তৈরি হয়, যার রোধ বেশি এবং তাপমাত্রা সহগের মান কম।📏
  • স্কেল (Scale): তারের দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য একটি স্কেল থাকে। 📊
  • জোকি (Jockey): এটি তারের উপর স্পর্শ করে বিভব পার্থক্য নির্ণয় করতে সাহায্য করে। 🕹️
  • গ্যালভানোমিটার (Galvanometer): এটি বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের অস্তিত্ব নির্ণয় করে। 🧭
  • ব্যাটারি (Battery): বর্তনীতে শক্তি সরবরাহ করে। 🔋

পটেনশিওমিটার ব্যবহারের সুবিধা 👍

  1. ভোল্টমিটারের চেয়ে বেশি নির্ভুল ফলাফল দেয়। ✅
  2. বর্তনীর উপর কোনো প্রভাব ফেলে না, কারণ এটি নাল বিক্ষেপণ (Null Deflection) পদ্ধতিতে কাজ করে। 🎯
  3. অভ্যন্তরীণ রোধ (Internal Resistance) নির্ণয় করা যায়। 🧲

পটেনশিওমিটারের ব্যবহার ক্ষেত্র 👨‍🔬

  • কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ নির্ণয়।
  • দুটি কোষের তড়িচ্চালক শক্তির তুলনা করা।
  • অজানা বিভব পার্থক্য নির্ণয়।
  • রোধ পরিমাপ করা।

পটেনশিওমিটারের মাধ্যমে বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের পদ্ধতি 🧪

  1. প্রথমে পটেনশিওমিটারের তারের দুই প্রান্তে একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাটারি সংযোগ করে একটি সুষম বিভব পতন তৈরি করা হয়।
  2. এরপর যে দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে, সেগুলোকে পটেনশিওমিটারের সাথে যুক্ত করা হয়।
  3. জোকি ব্যবহার করে তারের উপর এমন একটি বিন্দু খুঁজে বের করা হয়, যেখানে গ্যালভানোমিটারের বিক্ষেপ শূন্য হয়।
  4. এই বিন্দুতে তারের দৈর্ঘ্য মেপে বিভব পার্থক্য নির্ণয় করা হয়।

পটেনশিওমিটার বনাম ভোল্টমিটার 🆚

বৈশিষ্ট্য পটেনশিওমিটার ভোল্টমিটার
নির্ভুলতা বেশি নির্ভুল 💯 তুলনামূলকভাবে কম 📉
কার্যনীতি নাল বিক্ষেপণ (Null Deflection) 🎯 বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল ⚡
বর্তনীর প্রভাব নেই 🚫 আছে ✅

আশা করি পটেনশিওমিটার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। ✨