নিচের কোনটি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ?
Dentalপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্সএন ও পি টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ও ডায়োড (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
সিলিকন
Explanation:

Another Explanation (5):
সিলিকন: একটি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের ব্যাখ্যা
সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী হলো সেই সকল পদার্থ যাদের পরিবাহিতা (conductivity) পরিবাহী (conductor) এবং অন্তরকের (insulator) মাঝামাঝি। তাপমাত্রা বাড়লে এদের পরিবাহিতা বাড়ে। সিলিকন (Si) এদের মধ্যে অন্যতম।
সিলিকন কেন সেমিকন্ডাক্টর? 🤔
- পরমাণু গঠন: সিলিকনের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ৪টি ইলেকট্রন থাকে।
- সমযোজী বন্ধন: প্রতিটি সিলিকন পরমাণু তার চারটি নিকটতম প্রতিবেশীর সাথে সমযোজী বন্ধন (covalent bond) গঠন করে।
- ইলেকট্রন পরিবহন: পরম শূন্য তাপমাত্রায় (absolute zero temperature) সিলিকন অন্তরকের মতো আচরণ করে, কারণ তখন কোনো মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। তবে, তাপমাত্রা বাড়লে কিছু বন্ধন ভেঙে যায় এবং ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে চলাচল করতে পারে। ফলে এটি বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম হয়। ⚡
- ডোপিং: সিলিকনে ভেজাল (impurity) মেশানোর মাধ্যমে এর পরিবাহিতা পরিবর্তন করা যায়। এই প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে।
ডোপিং এর প্রকারভেদ 🧪
ডোপিং দুই প্রকার:
- N-টাইপ ডোপিং: পঞ্চযোজী (pentavalent) মৌল (যেমন: ফসফরাস, আর্সেনিক) মেশানো হলে অতিরিক্ত ইলেকট্রন তৈরি হয়, যা বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে।
- P-টাইপ ডোপিং: ত্রিযোজী (trivalent) মৌল (যেমন: বোরন, অ্যালুমিনিয়াম) মেশানো হলে "হোল" (hole) তৈরি হয়, যা ইলেকট্রনের অভাব নির্দেশ করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে।
সিলিকনের ব্যবহার 📱💻🚗
সিলিকনের বহুল ব্যবহার রয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:
| ক্ষেত্র | ব্যবহার |
|---|---|
| ইলেকট্রনিক্স | ট্রানজিস্টর, ডায়োড, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) তৈরিতে। 💡 |
| সৌর প্যানেল | আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। ☀️ |
| কম্পিউটার | মাইক্রোপ্রসেসর, মেমোরি চিপ তৈরিতে। 💾 |
| অটোমোবাইল | বিভিন্ন সেন্সর এবং কন্ট্রোল সিস্টেমে। 🚗 |
অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ 🌍
সিলিকন ছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেমিকন্ডাক্টর পদার্থ রয়েছে:
- জার্মেনিয়াম (Ge)
- গ্যালিয়াম আর্সেনাইড (GaAs)
- সেলেনিয়াম (Se)
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে সিলিকন সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 👍
আরও কিছু জানতে চান? 🤔