মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়ার প্রতি সেকেন্ডে নিঃসৃত ইলেকট্রন-

A. ধাতব পদার্থের কার্য অপেক্ষকের সমানুপাতিক
B. আলোক কম্পাংকের সমানুপাতিক
C. আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক
D. আলোর তীব্রতার সমানুপাতিক
Poster Download
SylaUপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাআলোক তড়িৎক্রিয়া (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. আলোর তীব্রতার সমানুপাতিক
Explanation:

Another Explanation (5):

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়া: আলোর তীব্রতা এবং নিঃসৃত ইলেকট্রন 💡

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যা আলোর কণা প্রকৃতির প্রমাণ দেয়। এই ক্ষেত্রে, আলোর তীব্রতা এবং প্রতি সেকেন্ডে নির্গত ইলেকট্রনের মধ্যে সম্পর্ক বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নিচে একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়া কী? 🤔

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়া হলো যখন কোনো ধাতব পৃষ্ঠের উপর আলো আপতিত হলে, সেই ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই নির্গত ইলেকট্রনগুলোকে ফটোইলেকট্রন বলা হয়।

আলোর তীব্রতা এবং ইলেকট্রন নিঃসরণ 💥

আলোর তীব্রতা (Intensity) বলতে বোঝায় প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু আলোক শক্তি আপতিত হচ্ছে। আলোর তীব্রতা বাড়লে, ধাতব পৃষ্ঠ থেকে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যাও বাড়ে।

  • আলোর তীব্রতা বৃদ্ধি ⬆️: বেশি সংখ্যক ফোটন (আলোর কণা) ধাতব পৃষ্ঠের উপর আপতিত হয়।
  • ফোটনের সংখ্যা বৃদ্ধি 🔢: প্রতিটি ফোটনের শক্তি যদি ধাতুর কার্য অপেক্ষকের (Work Function) চেয়ে বেশি হয়, তবে তারা ইলেকট্রন নির্গত করতে পারবে।
  • ইলেকট্রন নিঃসরণ বৃদ্ধি ➕: বেশি সংখ্যক ফোটন বেশি সংখ্যক ইলেকট্রনকে ধাক্কা দিয়ে ধাতু থেকে বের করে দেয়।

💡 সুতরাং, আমরা বলতে পারি যে প্রতি সেকেন্ডে নিঃসৃত ইলেকট্রনের সংখ্যা আলোর তীব্রতার সমানুপাতিক। এর মানে হলো, আলোর তীব্রতা যত বাড়বে, প্রতি সেকেন্ডে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যাও তত বাড়বে।

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যসমূহ 🌟

  1. আলোর একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্ক (Frequency) থাকতে হবে, যা ধাতুর বৈশিষ্ট্য দ্বারা নির্ধারিত হয়।
  2. আলোর তীব্রতা বাড়ালে নির্গত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে, কিন্তু ইলেকট্রনের গতিশক্তি (Kinetic Energy) বাড়ে না।
  3. নির্গমন তাৎক্ষণিক হয়, আলো আপতিত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ইলেকট্রন নির্গত হয়।

আলোর তীব্রতা এবং নিঃসৃত ইলেকট্রনের মধ্যে সম্পর্ক 📊

আলোর তীব্রতা (Intensity) প্রতি সেকেন্ডে নিঃসৃত ইলেকট্রনের সংখ্যা
কম ⬇️ কম ⬇️
মাঝারি ➡️ মাঝারি ➡️
বেশি ⬆️ বেশি ⬆️

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🚀

ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়ার অনেক ব্যবহারিক প্রয়োগ রয়েছে, যেমন:

  • সোলার প্যানেল ☀️: সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা।
  • ফটোসেল 📷: স্বয়ংক্রিয় দরজা এবং আলোক সংবেদী ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
  • বৈজ্ঞানিক গবেষণা 🔬: পদার্থের গঠন এবং বৈশিষ্ট্য জানতে এটি ব্যবহৃত হয়।

আশা করি, এই আলোচনা থেকে ফটোইলেকট্রনিক ক্রিয়া এবং আলোর তীব্রতার মধ্যে সম্পর্কটি তোমরা বুঝতে পেরেছ।Happy learning! 😄