‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কুসুমকুমারী দাস
C. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
D. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তরঃ
C.
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation: প্রশ্নে প্রদত্ত চরণদ্বয়ের লেখক মদনমোহন তর্কালঙ্কার। তার একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো ‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল’।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘বৈরাগ্য সাধনে– সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- ‘কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টীকা’ -এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘হে দারিদ্র তুমি মোরে করেছ মহান তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান কন্টক মুকুট শোভা’- কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতার অংশ ?
- "বাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে,কি ছিল বিধাতার মনে।” কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
- বিদ্যে বোঝাই বাবুমশাই চড়ি শখের বোটে মাঝিরে কন, বলতে পারিস সূর্যি কেন ওঠে? এই উদ্ধৃতাংশটুকু কোনো কবির রচনা?
- ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।’ –কার উক্তি?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-এ প্রার্থনাটি করেছে–
- “আমি শুনে হাসি, আখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে। পক্তিটির রচয়িতা কে?
- মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।"- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান-বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই" উক্তিটি কার?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- "মোদের গরব মোদের আশা,আ-মরি বাংলা ভাষা”- কবিতাংশটুকু রচয়িতা কে?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
- “এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।” –পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার?
- গাহি তাহাদের গান- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।– পঙ্গক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি” পংক্তির রচয়িতা কে?
- “কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’ এই মনোবাঞ্ছাটি কার?
- ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?
- 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'- চরণদ্বয়ের লেখক--
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- “আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণপরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।”এ পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির বিদারী, সে যে আলোর দেবতা।' উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?
- 'পাথুরে কয়লা হীরার সবর্ণ না হলেও সগোত্র' বলেছেন
- “পাহাড় সমান ফেটিয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।”এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
- ‘মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা’- এর রচয়িতা কে?
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় , আত্মিকও' - কোন লেখকের উক্তি?