'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'- চরণদ্বয়ের লেখক--
A. জীবনানন্দ দাশ
B. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
C. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
D. বিদ্যাপতি
E. যাযাবর
সঠিক উত্তরঃ
B.
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্বমানবের এবং ক্ষণকালের জিনিসকে চিরকালের করে তুলে যা তাই সাহিত্য' এ বক্তব্য কার?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
- 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির বিদারী, সে যে আলোর দেবতা।' উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- ‘নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার' কার উক্তি?
- “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি” এর রচয়িতা-
- ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ এই প্রবাদটির রচয়িতা কে?
- ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ কবিতাংশটুকু কার লেখা?
- ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- অন্তরে অতৃপ্তি রবে/সাঙ্গ করি মনে হবে/শেষ হয়ে হইল না শেষ”সাহিত্যের কোন বিশেষ শাখার ক্ষেত্রে উদ্ধৃতিটি প্রযোজ্য?
- ’কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।’ কোন উপন্যাসের বিখ্যাত লাইন?
- ‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’। -কবিতার এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-
- ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা। ---পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?
- ‘বৈরাগ্য সাধনে– সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই "- উক্তি টি কার
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন' উক্তিটি কার?
- “গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।” – এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- “আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ –এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- * দেখিনু সেদিন রেলে কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে। পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'--চরণ দু'টির রচয়িতা হলেন-
- 'পাথুরে কয়লা হীরার সবর্ণ না হলেও সগোত্র' বলেছেন
- 'কী করিছ বনে কুঞ্জভবনে ?' -- চরণটির লেখক--
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- “ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “সাম্যের গান গাই -আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।"কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?