‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ কবিতাংশটুকু কার লেখা?
A. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. শামসুর রাহমান
D. শেখ ফজলল করিম
সঠিক উত্তরঃ
D.
শেখ ফজলল করিম
Explanation: কবিতাংশটুকু শেখ ফজলুল করিমের (অপশন বানান ভুল দেওয়া) লেখা। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্হগুলোর মধ্যে তৃষ্ণা, পরিত্রাণ, কাব্য, ভুক্তি পুষ্পাঞ্জলি অন্যতম।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে' এ- বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা কে?
- "আজি হতে শতবর্ষ আগে কে কবি স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে"- এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন' উক্তিটি কার?
- 'বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না' কে বলেছেন?
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?
- “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?
- পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির বিদারী, সে যে আলোর দেবতা।' উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- গাহি তাহাদের গান- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।– পঙ্গক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- ’কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।’ কোন উপন্যাসের বিখ্যাত লাইন?
- 'কী করিছ বনে কুঞ্জভবনে ?' -- চরণটির লেখক--
- “গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।” – এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়-
- ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’ কে বলেছিলেন?