“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?” এ উদ্বৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
A. কাজী নজরুর ইসলাম
B. বেগম সুফিয়া কামাল
C. গোলাম মোস্তফা
D. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তরঃ
B.
বেগম সুফিয়া কামাল
Explanation: উদ্ধৃতাংশটির রচয়িতা সুফিয়া কামাল। আলোচ্য কবিতাংশ তাঁর বিখ্যাত কবিতা। ‘তাহারেই পড়ে মনে’ থেকে নেয়া হয়েছে। কবিতাটি প্রথম ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সুফিয়া কামালের উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্হ হচ্ছে- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, কেয়ার কাঁটা, উদাত্ত পৃথিবী প্রভৃতি।
Related Questions (Any University/Year)
- 'যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান।' উক্তিটি কোন লেখকের ও কোন রচনার?
- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’-উক্তিটি কার?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্ক্তি?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- ‘ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও’। মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
- “বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান-বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা। ---পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- "মোদের গরব মোদের আশা,আ-মরি বাংলা ভাষা”- কবিতাংশটুকু রচয়িতা কে?
- ‘কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ।' উক্তিটি কোন লেখকের?
- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’- কে বলেছেন?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”- চরণটির রচয়িতা-
- ‘কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টীকা’ -এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- ‘বৈরাগ্য সাধনে– সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন।
- 'বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না' কে বলেছেন?
- "নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
- ‘দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে!’ পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।”-পঙক্তিটির রিচয়িতা কে?
- “এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি” পংক্তির রচয়িতা কে?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” কোন কবির বানী?
- পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
- ‘হে দারিদ্র তুমি মোরে করেছ মহান তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান কন্টক মুকুট শোভা’- কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতার অংশ ?
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই "- উক্তি টি কার
- "ধন্য তার ,বসুন্ধরা যার" উক্তিটি কার ?
- “এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।” –পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- “আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে, কাজে বড় হবে। " চরণদ্বয়ের রচয়িতা--
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাব ' পদ্ধতিটির রচয়িতা কে?
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পক্তিটি কার লেখা?
- ‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার' কার উক্তি?
- ‘নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।’ কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?