‘কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ।' উক্তিটি কোন লেখকের?
A. শওকত ওসমান
B. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
C. আবদুল হক
D. আবুল ফজল
সঠিক উত্তরঃ
D.
আবুল ফজল
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” কোন কবির বানী?
- ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাব ' পদ্ধতিটির রচয়িতা কে?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়-
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননীরেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি।' কার রচনার অংশ?
- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।’ এ গানের প্রথম সুরকার কে?
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ’কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও।’ কোন উপন্যাসের বিখ্যাত লাইন?
- “গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।” – এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন' উক্তিটি কার?
- “এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।” –পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- * দেখিনু সেদিন রেলে কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে। পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- 'অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্বমানবের এবং ক্ষণকালের জিনিসকে চিরকালের করে তুলে যা তাই সাহিত্য' এ বক্তব্য কার?
- "নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”- চরণটির রচয়িতা-
- ’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?
- 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি'- চরণদ্বয়ের লেখক--
- ’সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ কে বলেছেন?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই "- উক্তি টি কার
- মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।"- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
- 'আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'--চরণ দু'টির রচয়িতা হলেন-
- সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই- কে বলেছেন?
- "আজি হতে শতবর্ষ আগে কে কবি স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে"- এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-এ প্রার্থনাটি করেছে–
- "কান্???ারি বল, ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা'র" -পংক্তিটির রচয়িতা কে ?
- ‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এই পংক্তিটি কার রচনা?
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত উক্তিটি কার?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা। ---পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’। -কবিতার এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-