‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
A. রামনারায়ণ তর্করত্ন
B. বিহারী লাল
C. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
D. মদনমোহন তর্কালংকার
সঠিক উত্তরঃ
D.
মদনমোহন তর্কালংকার
Explanation: পংক্তিটির রচয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার (১৮১৭-১৮৫৮)। 'শিশু শিক্ষা' (১ম ও ২য় ভাগ -১৮৪৯ এবং ৩য় ভাগ-১৮৫০) নামক শিশুতোষ গ্রন্থ রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল, পংক্তিটি এ গ্রন্থের প্রথমভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা।
Related Questions (Any University/Year)
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- ‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ - এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- “ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই”- চরণটির রচয়িতা-
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণপরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।”এ পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?’ – কার লেখা?
- সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননীরেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি।' কার রচনার অংশ?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” কোন কবির বানী?
- ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।’ –কার উক্তি?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে’ লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়-
- ‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার' কার উক্তি?
- “গাহি তাহাদের গান-ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান। " --এ কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতার অংশ?
- “সাম্যের গান গাই -আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।"কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
- কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ –এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’। -কবিতার এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-
- ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’ রচিয়তা-
- “আমি শুনে হাসি, আখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে। পক্তিটির রচয়িতা কে?
- “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?
- “আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।”-পঙক্তিটির রিচয়িতা কে?
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত উক্তিটি কার?
- "বাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে,কি ছিল বিধাতার মনে।” কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্ক্তি?
- ‘কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ।' উক্তিটি কোন লেখকের?
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- “বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান-বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে । ”-পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’-উক্তিটি কার?
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- “আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে, কাজে বড় হবে। " চরণদ্বয়ের রচয়িতা--
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- 'সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানুষের মনকে জাগানো'- কার উক্তি?
- “আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী। সেধে সেধে কেদেঁ কেদেঁ যাবে কত যামিনী।”-এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
- ‘মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা’- এর রচয়িতা কে?
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?