“বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী। সেধে সেধে কেদেঁ কেদেঁ যাবে কত যামিনী।”-এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
A. বেনজীর আহমেদ
B. কাজী নজরুল ইসলাম
C. জীবনানন্দ দাশ
D. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তরঃ
B.
কাজী নজরুল ইসলাম
Explanation: উল্লিখিত অংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল গীতিকা’ সংগীত গ্রন্হ থেকে সংকলন করা হয়েছে।
Related Questions (Any University/Year)
- "মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ "এ উক্তিটি কার?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- "আজি হতে শতবর্ষ আগে কে কবি স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে"- এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ - এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
- ‘ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক-সকল দেশের সেরা’ কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা।
- “ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান, আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- * দেখিনু সেদিন রেলে কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে। পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।’ কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা’- এর রচয়িতা কে?
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
- “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি” এর রচয়িতা-
- ' ধনধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা ' পংক্তির লেখক কে ?
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- ’কাটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টীকা’- এ উদ্ধৃতাংশটি কোন্ কবির রচনা?
- ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাব ' পদ্ধতিটির রচয়িতা কে?
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’-পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- সবার উপরে মানুষ সত্য,তাহার উপরে নাই- কে বলেছেন?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?” এ উদ্বৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- “সাম্যের গান গাই -আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।"কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
- কোন চরণটি সঠিক?
- 'ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি, আমার দেশের মাটি' পক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি’ পঙ্কক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা। ---পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান-বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
- 'আমার দেশের পথের ধুলা খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'--চরণ দু'টির রচয়িতা হলেন-
- “গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।” – এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- 'বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না' কে বলেছেন?
- ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও’। মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- “এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ, পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।” –পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্বমানবের এবং ক্ষণকালের জিনিসকে চিরকালের করে তুলে যা তাই সাহিত্য' এ বক্তব্য কার?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই" উক্তিটি কার?
- “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?