“প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?
A. শাহ আবদুল করিম
B. রাধারমন
C. শেখ ওয়াহিদ
D. কুদ্দুস বয়াতি
সঠিক উত্তরঃ
C.
শেখ ওয়াহিদ
Explanation: প্রশ্নোল্লিখিত গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান। ‘আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে’, কাঙ্গালিনী সুফিয়ার বিখ্যাত ‘পরাণের বান্ধবরে-বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ কিংবা ডলি সায়ন্তিনীর কণ্ঠে ‘কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগীতির গীতিকার তিনি।
Related Questions (Any University/Year)
- * দেখিনু সেদিন রেলে কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে। পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- "আজি হতে শতবর্ষ আগে কে কবি স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে"- এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “গাহি সাম্যের গান -মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান”-পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?’ এই প্রবাদটির রচয়িতা কে?
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে' এ- বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা কে?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি” এর রচয়িতা-
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “সাম্যের গান গাই -আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।"কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’-পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- ’সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ কে বলেছেন?
- 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির বিদারী, সে যে আলোর দেবতা।' উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ‘ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক-সকল দেশের সেরা’ কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা।
- “এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি” পংক্তির রচয়িতা কে?
- “পাহাড় সমান ফেটিয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।”এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ - এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।"- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- ‘ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও’। মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- গাহি তাহাদের গান- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।– পঙ্গক্তিটি কোন কবির রচনা?
- “আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে, কাজে বড় হবে। " চরণদ্বয়ের রচয়িতা--
- ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’ রচিয়তা-
- সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননীরেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি।' কার রচনার অংশ?
- ‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?
- ‘নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার?
- "নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- 'আমার ??জানা স্নায়ুতন্ত্রের মত সর্বক্ষণ সত্য আমার দেশ।' পঙঙ্কির রচয়িতা কে?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-
- "সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়" উক্তিটি কার?
- ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’ কে বলেছিলেন?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ –এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?
- 'অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষার, নিজের জিনিসকে বিশ্বমানবের এবং ক্ষণকালের জিনিসকে চিরকালের করে তুলে যা তাই সাহিত্য' এ বক্তব্য কার?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?