“এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
A. জসীমউদ্দীন
B. সুফিয়া কামাল
C. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
D. আবদুল কাদির
সঠিক উত্তরঃ
A.
জসীমউদ্দীন
Explanation: পঙক্তিটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ‘কবর’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতাতে গ্রামীণ এক চিরায়ত বৃদ্ধের কষ্টের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। কবি যখন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বি এ ক্লাসের ছাত্র তখন এটি প্রকাশিত হয়। পরে ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হে সংকলিত হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- ‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এই পংক্তিটি কার রচনা?
- ‘কালের বিবর্তনে আমরা এখন আর tribe বা গোষ্ঠীবদ্ধ জীব নই- বৃহত্তর মানবতার অংশ।' উক্তিটি কোন লেখকের?
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- "সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই" উক্তিটি কার?
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
- ‘এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি’ পঙ্কক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- ‘ধান্য তার বসুন্ধরা যার' কার উক্তি?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” কোন কবির বানী?
- ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “পাহাড় সমান ফেটিয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।”এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
- ‘হে দারিদ্র তুমি মোরে করেছ মহান তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান কন্টক মুকুট শোভা’- কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতার অংশ ?
- “আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা যার কেমন করিয়া হায়, কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে নিঝ্ঝুম নিরালায়”! পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্ক্তি?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে । ”-পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- “পাছে লোকে কিছু বলে' এ বিখ্যাত লাইনটির স্রষ্টা কে?
- “আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।”-পঙক্তিটির রিচয়িতা কে?
- "কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর? মানুষেরই মাঝে স্বর্গ নরক - মানুষেতে সুরাসুর।” পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- অন্তরে অতৃপ্তি রবে/সাঙ্গ করি মনে হবে/শেষ হয়ে হইল না শেষ”সাহিত্যের কোন বিশেষ শাখার ক্ষেত্রে উদ্ধৃতিটি প্রযোজ্য?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’ - এই অমর পংক্তিটির রচয়িতা কে?
- কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ –এ উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি’ কে বলেছিলেন?
- "বাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে,কি ছিল বিধাতার মনে।” কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয় , আত্মিকও' - কোন লেখকের উক্তি?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-এ প্রার্থনাটি করেছে–
- 'আমি কমবক্তার দলে।'– উক্তিটি করেছেন?
- ‘বৃথা ত্রাসে প্রলয়ের সিন্ধু ও দেয়া-ভার, ঐ হল পুণ্যের যাত্রীরা খেয়া পার।’ – এই উদ্ধৃাতাংশটি কোন কবির রচনা?
- 'ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি, আমার দেশের মাটি' পক্তিটির রচয়িতা কে?
- ’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?
- "নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- গাহি তাহাদের গান- ধরণীর হাতে দিল যারা আনি ফসলের ফরমান।– পঙ্গক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পক্তিটি কার লেখা?
- সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননীরেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করনি।' কার রচনার অংশ?
- পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
- 'যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান।' উক্তিটি কোন লেখকের ও কোন রচনার?
- “প্রাণের বান্ধব রে বুড়ি হইলাম তোর কারণে।” গানটির গীতিকার কে?
- ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ কবিতাংশটুকু কার লেখা?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে' এ- বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা কে?
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত উক্তিটি কার?