‘নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
A. আব্দুল হাকিম
B. অতুলপ্রসাদ সেন
C. রামনিধি গুপ্ত
D. শেখ ফজলুল করিম
সঠিক উত্তরঃ
C.
রামনিধি গুপ্ত
Explanation: উক্ত চরণটির রচয়িতা নিধুগুপ্ত। তাঁর প্রকৃত নাম ‘রামনিধি গুপ্ত’। উক্ত চরণটি তাঁকে অমর করে রেখেছে। তাঁকে নিধুবাবু বলেও ডাকা হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- "অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে শেষ হইয়াও হইল না শেষ"--সাহিত্যের কোন ধারা সম্পর্কে এই উক্তি করা হয়েছে?
- “হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণপরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।”এ পঙ্ক্তিটি কোন কবির রচনা?
- ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ কবিতাংশটুকু কার লেখা?
- ‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
- ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্ক্তিটির রচয়িতা-
- "মোদের গরব মোদের আশা,আ-মরি বাংলা ভাষা”- কবিতাংশটুকু রচয়িতা কে?
- ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?
- "মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড়ো কোনো মন্দির-কাবা নাই।” উদ্ধৃতিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্ক্তি?
- “পাহাড় সমান ফেটিয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।”এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
- “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি” এর রচয়িতা-
- “সাম্যের গান গাই -আমার চক্ষে পুরুষ-রমণী কোনো ভেদাভেদ নাই।"কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
- “এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া কঠিন মাটির তলে, গাড়িয়া দিয়াছি কত সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের জলে।” পঙক্তিটি কোন কবির রচনা?
- 'প্রীতি প্রেমের পুন্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গ আসিয়া দঁড়ায় তখন আমাদের কুড়ে ঘরে’ । চরণ দুটির রচয়িতা-
- ‘এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি- নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার’। পঙক্তিটি রচয়িতা কে?
- ‘হে দারিদ্র তুমি মোরে করেছ মহান তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান কন্টক মুকুট শোভা’- কবিতাংশটুকু কোন কবির কবিতার অংশ ?
- ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’ রচিয়তা-
- ‘দেখিনু সেদিন রেলে, কুলি ব’লে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে!’ পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- "নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বেত্রাসে কাঁপে তরণীর পাশী যত নিঃশ্বে।"কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।"- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাব ' পদ্ধতিটির রচয়িতা কে?
- "আজি হতে শতবর্ষ আগে কে কবি স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে"- এই পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান! না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।’ - এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- “সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই” কোন কবির বানী?
- ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ-মরাদের ঘা তুই বাঁচা। ---পংক্তিটি কোন কবির রচনা?
- পরে মাস-দেড়ে ভিটেমাটি ছেড়ে বাহির হইনু পথে- করিল ডিক্রি, সকলই বিক্রি মিথ্যা দেনার খতে।- পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন কবিতার অংশ?
- ‘মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান’ -পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
- 'প্রত্যেকে আমরা পরের তরে' এ- বিখ্যাত উক্তিটির রচয়িতা কে?
- “আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে, কাজে বড় হবে। " চরণদ্বয়ের রচয়িতা--
- ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্ক্তির রচয়িতা কে?
- “খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে ।”- কবিতাংশটুকুর কবি কে ?
- “হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?” এ উদ্বৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
- ‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এই পংক্তিটি কার রচনা?
- "বাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে বনের পাখি ছিল বনে। একদা কি করিয়া মিলন হল দোঁহে,কি ছিল বিধাতার মনে।” কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
- “নিঃশেষে নিশাচর, গ্রাসে মহাবিশ্বে, আসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। " কবিতাংশটি কোন কবির লেখা?
- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।’ এ গানের প্রথম সুরকার কে?
- ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’ এই মনোবাঞ্ছাটি কার?
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?
- "কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক,কে বলে তা বহুদূর? মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুর." উক্তিটি কার?
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত উক্তিটি কার?