চিত্রশিল্পী কাজী ইকবাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে বোড়তে গিয়েছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ আসা সুনামির আঘাতে ভেসে গেল তার পরিবারের সবাই। নিজে বেঁচে গেলেও বিয়োগান্ত এই ঘটনার শোকে ভীষণ ভেঙে পড়লেন। ছবি আঁকা নেশা ও পেশা হলেও তিনি আর কখনোই হাতে তুলে নেননি ছবি আঁকার তুলি কিংবা রং।
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির প্রকৃতি ঘনিষ্ঠ যে মনোবেদনা বর্ণিত হয়েছে উদ্দীপকে তা অনুপস্থিত।"-মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি'- বাক্যটিতে 'স্নিগ্ধ আঁখি' বলতে বোঝায়-
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতায়- কোথা তব নব পুষ্পসাজ- উক্তিটি কার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে?
- চিত্রশিল্পী কাজী ইকবাল স্ত্রী-পুত্র-কন্যা নিয়ে বোড়তে গিয়েছিলেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। হঠাৎ আসা সুনামির আঘাতে ভেসে গেল তার পরিবারের সবাই। নিজে বেঁচে গেলেও বিয়োগান্ত এই ঘটনার শোকে ভীষণ ভেঙে পড়লেন। ছবি আঁকা নেশা ও পেশা হলেও তিনি আর কখনোই হাতে তুলে নেননি ছবি আঁকার তুলি কিংবা রং।উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার ভাববস্তুর সাদৃশ্য আলোচনা করো।
- অর্ঘ্য বিরচন' শব্দের অর্থ কী?
- 'শুনি নাই রাখিনি সন্ধান' বলতে কী বোঝায়?
- ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- 'হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়'— এচরণটিতে ‘নীরব কেন' বলতে কবির কেমন অবস্থাবোঝায়?
- 'পুষ্পশূন্য দিগন্তে??? পথে'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নিচের কোন বইটি সুফিয়া কামাল রচিত?
- "কলি সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি 'মাঘের সন্ন্যাসী ' বলতে বুঝিয়েছেন?
- 'তাহারেই পড়ে মনে কবিতায় কবির অনুভূতির সাথে কোনটি তুলনীয়?
- 'পুষ্পারতি লভেনি কি ঋতুর রাজন?'- চরণটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- 'কহিল সে কাছে সরে আসি' – পরের পঙক্তি কোনটি ?
- কলেজ থেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার গেল গালিবসহ তার বন্ধুরা। সাগরের পানিতে নেমেছে সবাই, খুবখুব হৈচৈ আর লাফালাফি করে গোসল করছে তারা। হিমছড়ি পাহাড়ে উঠে আনন্দে আত্মহারা সবাই। কিন্তু গালিব এক কোণে বসে আছে, তার মনে কোনো-আনন্দ নেই, কারণ পাঁচ বছর আগে সে তার বাবার সাথে এখানে এসেছিল, অনেক আনন্দ করেছিল সবাই মিলে। এখন তার বাবা নেই, কিন্তু বাবার রেখে যাওয়া সেই স্মৃতি তাকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছে যে সমস্ত আনন্দই তার কাছে ম্লান হয়ে আসে।উদ্দীপকের গালিব 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন দিকটি ধারণ করেছে? আলোচনা করো।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো 'কোন শ্রেণির রচনা?
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।"প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা আমাদের আনন্দ-আয়োজনের গতি ভিন্ন পথে ধাবিত করতে পারে।"- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা ও উদ্দীপকের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় 'অর্ঘ্য বিচরণ' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- সুচিত্রা স্বামী ও দুবছর বয়সি ছেলে হারু দাসকে নিয়ে ভালোই চলছিল জীবন। হঠাৎ তার স্বামী মারা যায়। তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হয়ে পড়ে, তার ছেলে। ছেলে কর্মক্ষম হলো, বিয়ে করল এবং এক সন্তানের জনক হলো। সবাইকে রেখে হঠাৎ একদিন সেও পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। সন্তানহারা বিধবা নারী সুচিত্রার দুঃখের অন্ত নেই; তবুও বেঁচে থাকতে হবে এই সংসারে একমাত্র নাতি সম্রাট ও বৌমাকে নিয়ে সুচিত্রা আবার খেলার পৃথিবীতে নতুন জীবনের সন্ধান করে।উদ্দীপকের সুচিত্রা ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাবনা, পরিকল্পনা, প্রযোজনা ও কর্মপন্থা নির্ধারণে পাঁচ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আয়োজন প্রায় সম্পন্ন করে রেখেছে রতন। বন্ধুদের মিলনমেলা আয়োজন তার জন্য যেমন কষ্টসাধ্য কাজ ছিল, তেমনি এতে স্বপ্নপূরণের আনন্দও ছিল অফুরান। অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা, উত্তেজনা বা উচ্ছ্বাস নেই আজ তার মনে। কারণ, অনুষ্ঠানের আগেই তার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মা যেন দূর আকাশে মুখ রেখে বাতাসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।উদ্দীপকের রতনের সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির মিল কোথায়? যুক্তি দাও।
- 'সারাদেশ ঘাতকের অশুভ আস্তানা।'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির মন বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন।যে কারণে—
- তাহারেই পড়ে মনে কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি" কার কথা বলা হয়েছে?
- মুন্না বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। হঠাৎ তার শিশুপুত্র সড়ক দুর্ঘটনায়নিহত হয়। পুত্রশোকে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে।এমনকি ঈদের নামা?? পড়তেও যেতে পারেনি।উদ্দীপকে ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায়যুগপৎভাবে ফুটে উঠেছে—নির্লিপ্ততাস্মৃতিকাতরতাপ্রিয়জন হারানোর বেদনানিচের কোনটি সঠিক?
- পাঠ্য কোন কবিতায় বাতাবি নেবুর উল্লেখ আছে-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় ব্যবহৃত 'উত্??রী' শব্দের অর্থ কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি নাটকীয় গুণসম্পন্ন।"- ব্যাখ্যা কর।
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা প্রথম কেন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবির নীরবতার কারণ কী?
- 'মাঘের সন্ন্যাসীর' সাথে কবি নিজেকে তুলনা করেছেন মাঘের যে বৈশিষ্ট্যের কারণে-
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ফুল ফোটার কথা জানতে চেয়েছেন?
- 'বাতাবি নেবুর ফুল ফুটেছে কি?'— 'তাহারেই পড়েমনে' কবিতার এই চরণ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- 'ডেকেছে কি সে আমারে? শুনি নাই রাখিনি সন্ধান।'- কবির এই উদাসীনতার প্রকৃত ধারণ কী?
- আজ তুমি নেই সাথে ভুলে থাকা ছলনাতেমনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা।পাওয়া না পাওয়ার মাঝে অচেনার সুর বাজে,সুরভিত বিরহের মরম ব্যথা।'উক্তিটিতে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- অকালে বাবাকে হারিয়ে আবিদের মন ভীষণ খারাপ। বন্ধু বাতেন এসে বলল, 'তুমি তো ঘুরতে খুব পছন্দ করো, চলো নৌকায় কোথাও ঘুরে আসি। শরতের শুভ্র জ্যোৎস্নায় সুধারে কাশবন, মৃদু বাতাসে নৌকার দোলা তোমার মন আলো হয়ে যাবে।' জবাবে আবিদ বলল, 'নির্মল জলে রূপালি চাঁদ কোনো কিছুতে আর মন নেই। আমার সব ভালো লাগা পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।'উদ্দীপকের বাতেন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়? উভয়ের ভূমিকা তুলনা করো।
- আমি এখন রিক্ত শূন্য/মন পড়ে আছে তাহার জন্য। উদ্দীপকের সাথে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন ভাবের মিল পাওয়া যায়?রিক্ততার হাহাকারদুঃসহ বিষণ্ণতাউদাসীনতানিচের কোনটি সঠিক?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবি কোন ঋতুরবন্দনা করেছেন?
- এই আমার ছোট ছেলে, যে নেই এখন,পাথরের টুকরার মতনডুবে গেছে আমাদের গ্রামের পুকুরে...অতিথি বিদায় নিলে আবারো দাঁড়াই এসে ফটোগ্রাফটির মুখোমুখি প্রশ্নাকুলচোখে, ক্ষীয়মান শোকে।ফ্রেমের ভেতর থেকে আমার সন্তানচেয়ে থাকে নিষ্পলক, তার চোখে নেই রাগ কিংবা অভিমান।"উদ্দীপকের দুঃখবোধ আর 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার অনুভূতি একইসূত্রে গাঁথা।"- মন্তব্যটি যাচাই কর।
- কবি শামসুর রাহমান বাংলাদেশের বিখ্যাত কবি। তাঁর পুত্র পুকুরে ডুবে মারা যান শিশুকালে। ঘটনাটি কবিকে ব্যথিত করে। অনেক বছর পর দেয়ালে ঝুলানো ছেলের ফটোগ্রাফটির দিকে তাকিয়ে দেখেন ধূলির স্তর জমে উঠেছে। তিনি ফটোগ্রাফটি আলতো হাতে মুছে দেন, চোখের জল আপনিই গড়িয়ে পড়ে। সেই রাতেই তিনি পুত্র স্মরণে লিখেন 'একটি ফটোগ্রাফ' নামক কবিতা।প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও পিতা শামসুর রাহমান ও কবিতার কবি উভয়ের অন্তরে রয়েছে তীব্র বেদনা। 'তাহারেই পড়ে মনে' মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।