মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানবদেহের জৈব রসায়নাগার কোনটি?

A. অগ্ন্যাশয় 
B. বৃক্ক 
C. হৃদপিন্ড
D. যকৃত 
Poster Download
CUUnit-ASet-2জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণযকৃত ও পিত্তরস (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. যকৃত 
Explanation:

Another Explanation (5):

মানবদেহের জৈব রসায়নাগার: যকৃত 🧑‍⚕️

ভূমিকা

যকৃত বা লিভার মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি আমাদের শরীরের নিজস্ব জৈব রসায়নাগার (Biochemical laboratory) হিসেবে পরিচিত। এর বহুবিধ কার্যকারিতার কারণে শরীর সুস্থ রাখতে এর ভূমিকা অপরিহার্য।

যকৃতের অবস্থান ও গঠন 🗺️

যকৃত পেটের ডান দিকের উপরিভাগে, মধ্যচ্ছদার ঠিক নিচে অবস্থিত। এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। এর ওজন প্রায় ১.২ - ১.৫ কেজি।

যকৃতের কার্যাবলী ⚙️

যকৃত মানবদেহে ৫০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। নিচে এর কয়েকটি প্রধান কাজ আলোচনা করা হলো:

১. বিপাকীয় কার্যাবলী (Metabolic Functions):

  • কার্বোহাইড্রেট বিপাক: গ্লুকোজ তৈরি, সঞ্চয় ও প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ করে। 🍚
  • প্রোটিন বিপাক: অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি এবং ইউরিয়া চক্রের মাধ্যমে অ্যামোনিয়াকে ইউরিয়াতে রূপান্তরিত করে। 🥩
  • ফ্যাট বিপাক: ফ্যাট তৈরি, সঞ্চয় ও ফ্যাটি অ্যাসিডকে ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে। 🥑

২. সঞ্চয় কার্যাবলী (Storage Functions):

  • গ্লাইকোজেন: গ্লুকোজের অতিরিক্ত অংশ গ্লাইকোজেন হিসেবে যকৃতে জমা থাকে।
  • ভিটামিন: ভিটামিন এ, ডি, ই, কে এবং বি১২ যকৃতে জমা থাকে। 💊
  • খনিজ পদার্থ: লোহা ও তামা জাতীয় খনিজ পদার্থ যকৃতে জমা থাকে।

৩. বিশোধন ও নিষ্কাশন (Detoxification & Excretion):

  • বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশন: অ্যালকোহল, ড্রাগ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থকে ভেঙে শরীর থেকে বের করে দেয়। ⚗️
  • বিলিরুবিন নিষ্কাশন: পুরাতন লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে বিলিরুবিন তৈরি হয়, যা যকৃতের মাধ্যমে শরীর থেকে অপসারিত হয়।

৪. উৎপাদন (Production):

  • পিত্তরস (Bile): যকৃত পিত্তরস তৈরি করে, যা চর্বি পরিপাকে সাহায্য করে। 🍋
  • রক্ত জমাট বাঁধার উপাদান: রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান (যেমন: প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন) তৈরি করে।🩸
  • ইমিউন ফ্যাক্টর: রোগ প্রতিরোধে সাহায্যকারী কিছু উপাদানও যকৃতে তৈরি হয়।🛡️

৫. অন্যান্য কার্যাবলী:

  • হরমোন উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ। hormone
  • রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। glucose

যকৃতের রোগসমূহ 🤕

যকৃতের কিছু সাধারণ রোগ হলো:

  1. হেপাটাইটিস (Hepatitis)
  2. ফ্যাটি লিভার (Fatty liver)
  3. সিরোসিস (Cirrhosis)
  4. লিভার ক্যান্সার (Liver cancer)

যকৃতের সুরক্ষায় করণীয় 🛡️

  • স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। 🍎🥦
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন। 🏃‍♀️
  • অ্যালকোহল পরিহার করুন। 🚫🍺
  • হেপাটাইটিস বি-এর টিকা নিন। 💉

উপসংহার 📝

পরিশেষে বলা যায়, যকৃত মানবদেহের একটি অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ। এর সঠিক পরিচর্যা ও সুরক্ষার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব। 👍

যকৃতের গুরুত্বপূর্ণ কাজ
কাজের নাম গুরুত্ব
বিপাক খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং শক্তি উৎপাদন করে।
সঞ্চয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ জমা রাখে।
বিশোধন ক্ষতিকর পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেয়।

আরও জানতে ভিজিট করুন: লিভার বিষয়ক ওয়েবসাইট

যোগাযোগ:info@example.com

© ২০২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Option A Explanation:
  • অগ্ন্যাশয়: এটি শরীরের মূল অঙ্গ যা ইন্সুলিন এবং অন্যান্য হরমোন উৎপাদনে সহায়ক।
  • অগ্ন্যাশয় শরীরের ভিতরে অবস্থিত, সাধারণত পেটের পিছনে থাকে।
  • এটি হজমে সহায়ক এন্ট্রোক্রাইন ও এক্সট্রোক্রাইন ফাংশন সম্পাদন করে।
  • অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত এনজাইমগুলি হজমে সহায়ক।
Option B Explanation:
  • বৃক্ক: বৃক্ক বা কিডনি মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় ও বিষাক্ত পদার্থ, যেমন ইউরিয়া, শোষণ করে ফেলে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়।
Option C Explanation:

হৃদপিন্ডের ব্যাখ্যা

  • অবস্থান: হৃদপিন্ড শরীরের মাঝখানে, বুকের ভিতরে, দুপাশে ফুসফুসের মাঝে অবস্থিত।
  • কার্য: এটি রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পাম্প করে রক্তপ্রবাহ পরিচালনা করে।
  • সংগঠন: এটি মূলত মাংসপেশী গঠিত একটি অঙ্গ, যা ধমনীর মাধ্যমে রক্ত সরবরাহ করে।
  • প্রধান উপাদান: হৃদপিন্ডের মূল উপাদান হলো কার্ডিয়াক মাসল (হৃদপেশী), যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকুচিত ও প্রশস্ত হয়ে রক্ত চলাচল নিশ্চিত করে।
  • প্রকার: এটি একটি অপ্রত্যক্ষ পাম্প, যার মাধ্যমে রক্তের প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয়।
Option D Explanation:
  • যকৃত হলো শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোর একটি যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্য সম্পাদন করে।
  • এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • যকৃত গ্লুকোজের সংরক্ষণ ও মুক্তির মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের স্তর স্থিতিশীল রাখে।
  • গ্লুকোজের মান কমে গেলে এটি গ্লাইকোজেনের রূপে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন হলে সেটি মুক্ত করে রক্তে সরবরাহ করে।
  • এছাড়াও, যকৃতি বিভিন্ন হরমোনের মাধ্যমে গ্লুকোজের উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।