'আমার পথ' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম কে সাবলম্বী হতে শিখিয়েছেন -
A. রবীন্দ্রনাথ
B. নেতাজী
C. গান্ধীজি
D. রোকেয়া
সঠিক উত্তরঃ
C.
গান্ধীজি
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম' কোন লেখকের রচনার অংশ?
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'আত্মকে চেনা, নিজের সত্যকে বড়ো মনে করার দম্ভ' -সম্পর্কে কোনটি গ্রহণযোগ্য— এ দম্ভ শির উঁচু করে মতে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার' ভাব আনেঅসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগ্রত করেনিচের কোনটি সঠিক?
- সময় গেলে সাধন হবে না' গানটির রচয়িতা কে?
- নজরুলের মতে, মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে কোন জিনিসটি ভালো?
- কাজী নজরুল ইসলামের পত্রোপন্যাস-
- রহমান গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব দবির সাহেব রাশভারী মানুষ। আনুগত্যের ভাব দেখিয়ে সকলে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল শাকিল সাহেব তা করেন না; যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। এ কারণে সহকর্মীরা শাকিল সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। কিছুদিন পর প্রতিষ্ঠানে একটি 'ম্যানেজার'-এর পদ শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে নানাভাবে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সকলে বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ, সেই পদের নিয়োগপত্র পান শাকিল সাহেব।উদ্দীপকের শাকিল সাহেবের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের মিল কোথায়? ব্যাখ্যা করো।
- অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজের মানুষ মামুন। ন্যায়-অন্যায়, 'ভালোমন্দ সব বিষয়েই তিনি রেগে যান। এজন্য পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকাবাসীও তার উপর বিরক্ত। কিন্তু মামুনের বক্তব্য তিনি কোনো ভুল বা অন্যায় করছেন না বরং অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন এবং এ কারণে প্রয়োজনেই চিৎকার করেন, রাগ হয়ে যান। তবে একদিন তাকে এই রাগের খেসারত দিতে হয়। মামুনের সন্তান বাবার ভয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত হয়। এরপর থেকে মামুন সম্পূর্ণ বদলে যায়। তিনি বুঝতে পারেন সব সময় রেগে থাকার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। তিনি তার ভুল শুধরে নতুনভাবে জীবন যাপন করেন।উদ্দীপকের মামুনের মনোভাবনার মধ্য দিয়ে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।
- ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উল্লেখ আছে?
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।"উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্যে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ফুটে ওঠেনি।"- এ সম্পর্কে তোমার যুক্তি দাও।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।"উদ্দীপকের যে মূলভাব, তারই বিস্তৃত পরিণতি 'আমার পথ'-এ পরিলক্ষিত।"- মন্তব্যের সত্যাসত্য বিচার করো।
- তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করিবিচিত্র ছলনা-জালেহে ছলনাময়ী।সত্যেরে সে পায়।আপন আলোকে ধৌত অন্তরে অন্তরে।কিছুতে পারে না তারে প্রবঞ্চিতে,শেষ পুরষ্কার নিয়ে যায় সে যেআপন ভান্ডারে।"তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি-বিচিত্র ছলনা-জালে হে ছলনাময়ী।"- উদ্দীপকের এই লাইনটির মাধ্যমে বর্তমান সমাজব্যবস্থার বিশেষ দিকটি ইঙ্গিত করে 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
- নিচের কোনটি কাব্য নয়?
- ‘আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে’-কোন লেখকের রচনার অংশ?
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- নিচের কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?
- সুন্দরগঞ্জ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রায়হান চৌধুরী সত্যের পথে থেকে সারা জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি মিথ্যা, ভণ্ডামি পছন্দ করতেন না। তিনি মনে করতেন, মিথ্যা ক্ষণিকের লুকোচুরি খেলা যা মানুষের আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়। শিক্ষার্থীদেরও তিনি মিথ্যাকে পরিহার করে সত্যের সুকঠিন পথে চলার উপদেশ দিতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলতেন, "সত্যই একমাত্র নিজেকে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসের সাথে দাঁড়াতে সাহায্য করে।''উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটির মিল রয়েছে? আলোচনা করো।
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'ভায়া লাফ দেয় তিন হাত, হেসে গান গায় দিনরাত' ছড়াটি কার সম্পর্কে লেখা?
- মানুষের মর্যাদা হয় কীসে?
- চিনিলাম আপনারেআঘাতে আঘাতেবেদনায় বেদনায়;সত্য যে কঠিন কঠিনের ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'মানসিক উন্নতি করিতে হইলে হিন্দুকে হিন্দুত্ব বা খ্রিস্টানকে খ্রিস্টানি ছাড়িতে হইবে, এমন কোন কথা নাই। আপন আপন সম্প্রদায়ের পার্থক্য রক্ষা করিয়া ও মনটাকে স্বাধীনতা দেওয়া যায়।’ উক্তিটি কার?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান ?
- 'যার নিজের ধর্ম বিশ্বাস আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে জানে না'- কোন রচনায় সন্নিবেশিত হয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের জীবনকাল কোনটি?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম।'-উক্তিটির তাৎপর্য কী?
- নেতৃত্ব দানে সামর্থ্য আছে এমন ব্যক্তিকে কী বলে?
- আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'উদ্দীপকের আশফাক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা?
- যাকে অপদার্থ, অকর্মণ্য বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
- লেখক নিজ সত্যকে সালাম জানিয়েছেন কেন?
- কোন শ্রেনির বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও?
- 'কুহেলিকা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন?
- দীর্ঘদিন ভারতের পরাধীনতার কারণ ব্যাখ্যার নজরুলের মতামত লেখো।
- 'আমার পথ দেখাবে আমার সত্য'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।