আশফাক সাহেব তাঁর সমগ্র জীবন ধরেই সমাজসচেতনতামূলক ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক কাজ করে চলেছেন। তাঁর আন্তরিক চেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে সমাজে বহু অসংগতি দূর হয়েছে এবং বৃক্ষরোপণের প্রতিও মানুষের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত মানুষ আছেন, যারা ছাত্র অবস্থায় তাঁর সাহায্য নিয়ে বড়ো হয়েছেন। এর পরেও সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে যারা তাঁর সমালোচনা করে। এসব শুনে আশফাক সাহেব বলেন, 'সমালোচনাকে ভয় করলে মহৎ কাজ সাধন করা যায় না।'
উদ্দীপকের আশফাক সাহেব 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘আমার’ পথ রচনাটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- গোটা মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার মূলে কী রয়েছে?
- মিজান সাহেব একজন সাদা মনের মানুষ। সারাটা জীবন আলোকিত মানুষ গড়েছেন। চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর নিজের নেতৃত্বে পরিচালনা করেছেন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান 'সেবাসংঘ'। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার, বাল্যবিবাহরোধ, দুর্নীতি দমন অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করে তিনি এলাকার মাতবরদের ভন্ডামির প্রতিবাদ করেন। মিথ্যা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ছিলেন সদা সোচ্চার। অনেকেই তাঁর কাজের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ নিন্দা ও কটূক্তি করতেও ছাড়ে না। তাই বলে তিনি সমালোচনাকারীদের ভয়ে দমে যান না। কারণ তিনি বিশ্বাস করেন 'সত্য ও ন্যায়ের পথই সহজ ও সঠিক পথ।' তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন-'মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।'উদ্দীপকের মিজান সাহেবের মাধ্যমে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে বাণী উচ্চারিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
- 'মানুষ ভজলে/সোনার মানুষ হবি'-উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে-
- শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে যা বললেন তা বুঝতে পারল পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়াকয়েকজন শিক্ষার্থী। শিক্ষকতো আছেনই বোঝানোর জন্য, এইভরসায় যারা শ্রেণিকক্ষে গিয়েছিল তাদের অর্জন শূন্য।উদ্দীপক 'আমার পথ' প্রবন্ধের যে অনুষঙ্গ ধারণ করে তা হলো— দাসত্ব স্বাবলম্বনপরাবলম্বননিচের কোনটি সঠিক?
- নিজেকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সক্রেটিস বলেছেন, 'নিজেকে জানো।' এ কথা সকলেই জানে যে, আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে নির্মিত হয় ব্যক্তিত্ববোধ। আর প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরাধীনতার জাল থেকে বের করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সুতরাং, ইচ্ছাশক্তি ও সত্য পথকে ধারণ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। উদ্দীপকের সাথে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ নয়?
- “ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।” -কোন রচনার পাঠ্যাংশ?
- '_______চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।' বাক্যটিরশূন্যস্থানে কী বসবে?
- প্রবন্ধকার পরাবলম্বনকে সবচেয়ে বড় দাসত্ব বলেছেন কেন?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরণের রচনা?
- কিছুদিন ধরে শহর এলাকায় চুরি-ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যায়। প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনা ঘটতে থাকায় এলাকার কমিশনার সকল। এলাকাবাসীকে জড়ো করে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানালে তারা উত্তর দেয় 'আপনি তো আছেন, আপনিই ব্যবস্থা করুন।জনগণের মধ্যে এরূপ মনোভাবের পরিণতি বয়ে আনে - দাসত্বপরাধীনতাশোষণ-নিপীড়ননিচের কোনটি সঠিক?
- 'কর্ণধার' শব্দটির অর্থ কী?
- কত সালে কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল ?
- সত্য নিজের শক্তিতে বলীয়ান। সেজন্য সত্য কখনো অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। সত্যের শক্তি না থাকলে পৃথিবী এতদিন টিকে থাকত না। সমাজের পরতে পরতে যে অসত্য লুকিয়ে আছে তার চিত্র বাস্তবায়িত হতো। বাস্তব জীবনে সত্যের সাধনা জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে তোলে। তাই সত্যের শক্তি সার্বজনীন।উদ্দীপকের মূলভাব 'আমার পথ' প্রবন্ধের সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় আর কটি লোক। শতকরা প্রায় নিরানব্বই জন মানুষকেই চেষ্টা করতে হয়, জয় করে নিতে হ?? জগৎকে। বাঁচে সে লড়াই করে প্রতিকূলতার সঙ্গে। পলাতকের স্থান এই জগতের নেই। চেষ্টা ছাড়া আত্মপ্রতিষ্ঠা অসম্ভব। সুখ চেষ্টারই ফল-দেবতার দান নয়। কথায় আছে, ঈশ্বর তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করে। নির্ভীক সত্য সাধক, দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী এবং পরমতসহিষ্ণু ব্যক্তিমাত্রই চেষ্টার মাধ্যমে তৈরি করে নিতে পারে নিজের পথ।উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সমগ্র 'ভাবটিকে ধারণ করতে পেরেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'একেই বলে সবচেয়ে বড় দাসত্ব।'- ব্যাখ্যা করো।
- চিনিলাম আপনারেআঘাতে আঘাতেবেদনায় বেদনায়;সত্য যে কঠিন কঠিনের ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।"সত্যের শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার বিষয়টি উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- স্বার্থ-সুখ চাহি না কো, আত্মনিষ্ঠ কেহ মোরা নয়;পরার্থে কবির বিশ্বে সর্ব বিসর্জনআমাদের আত্মত্যাগে প্রতিগৃহে নামিবে অভয়মর্ত্যের মাটিতে হবে স্বর্গের সৃজন।"উদ্দীপকের কবিতাংশের বক্তব্যে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাব ফুটে ওঠেনি।"- এ সম্পর্কে তোমার যুক্তি দাও।