আসিতেছে শুভ দিন
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ।
হাতুড়ি শাবল গাঁইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,
তারাই মানুষ তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,
তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।
"উদ্দীপকের বক্তব্য 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মৌলসত্য।"- বিশ্লেষণ কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়' লাইনটি ব্যাখ্যা কর।
- অজয় রায় তাঁর "আদি বাঙালি: নৃতাত্ত্বিক ও সমাজতান্ত্রিকবিশ্লেষণ” বইয়ে বাঙালিজনের নৃতাত্ত্বিক, সামাজিক ওসাংস্কৃতিক পরিচয় চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।উক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'কবিতাকে বলা যায়-আত্মপরিচয়ের কবিতাআত্মসমালোচনার কবিতাআত্মচেতনার কবিতানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।'বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।'-মন্তব্যটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ইস্পাতেরতরবারি যাকে সশস্ত্র করবে, সে হলো—
- 'তার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল' বলতে কী ব্যক্ত হয়েছে?
- আসিতেছে শুভ দিনদিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ!হাতুড়ি শাবল গাইতি চালায়ে ভাঙিল যারা পাহাড়,পাহাড় কাটা সে পথের দুপাশে পড়িয়া যাদের হাড়,… … … … … … … … …তারাই মানুষ তারাই দেবতা, গাহি তাহাদেরি গান,তাদেরি ব্যথিত বক্ষে পা ফেলে আসে নব উত্থান।"উদ্দীপকের বক্তব্য 'আমি কিংবদন্তির 'কথা বলছি' কবিতার । মৌল সত্য"-বিশ্লেষণ করো।
- নব দিগন্তের নতুন চলার চিঠি।মেলেছে এ জীবন সম্ভাবনার দীতি।আমায়, যদি প্রশ্ন করেকাব্য-গীতির কোন দেশবলব আমি বাংলাদেশ।
- নব দিগন্তের নতুন চলার চিঠি।মেলেছে এ জীবন সম্ভাবনার দীতি।আমায়, যদি প্রশ্ন করেকাব্য-গীতির কোন দেশবলব আমি বাংলাদেশ।
- কবির পুর্বপুরুষদের দেহে কোথায় রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল?
- ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ কোন কবির কবিতার বিষয় হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে?
- ‘যে কবিতা শুনতে জানে না / সে আনন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে ।’ - কোন কবিতার চরণ?
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরিয়ত থেকে।আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে।এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে।এসেছি বা???ালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে।উদ্দীপকের চেতনার সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথাবলছি' কবিতার যে চরণের মিল রয়েছে—
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পড়েছি ফাঁসআপোষ-করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।"উদ্দীপকে প্রতিফলিত সংগ্রামীচেতনা যেন 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার ভাবসত্যের সংহতরূপ।"- এ অভিমত মূল্যায়ন করো।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায়— যে গাভিরপরিচর্যা করে, জননীর আশীর্বাদ তাকে কী করে?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বলতে কবি কী বুঝাতে চেয়েছেন?
- 'ভালোবাসা দিলে মা মরে যায়'- বুঝিয়ে লেখো।
- সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'আমিই সে' উপন্যাসে মানব সভ্যতার আদিম ইতিহাস আর সভ্যতার অগ্রগতি বর্ণিত। হয়েছে। কীভাবে আদিম গুহামানব সভ্য মানুষের পরিণত হয়, তার প্রকাশ ঘটেছে উপন্যাসের কাহিনিতে।উদ্দীপকের সাথে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে-ঐতিহ্য চেতনায় বিপ্লবী চেতনায়মুক্তির চেতনায়নিচের কোনটি সঠিক?