সময়ে অসময়ে মিথ্যা কথা না বললে নয়। উক্তিটির প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- লালসালু উপন্যাসে মজিদ চরিত্র সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক নয় -
- 'মাটিরে কষ্ট দেওন গুণাহ্'- এ উক্তিটির প্রেক্ষাপট লেখো।
- 'জমিলা যেন ঠাঁটাপড়া মানুষের মতো হয় গেছে।'- ব্যাখ্যা করো।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে মামুন চাকরির চিন্তা বাদ রেখে এক মহৎ স্বপ্নের তাড়নায় গ্রামে ফিরে আসে। অনেক চেষ্টা ও শ্রমের ফলে সে গ্রামে সরকার অনুমোদিত একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। গ্রামের চেয়ারম্যান ও বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সহায়তায় এগিয়ে চলে মামুনের স্বপ্নের বিদ্যালয়টি। মামুন এখন গ্রামের মানুষের কাছে এক অনুকরণীয় সম্মানিত ব্যক্তি।"উদ্দীপকের মামুন চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের অপূর্ণ একটি সম্ভাবনার ??াস্তব প্রতিফলন।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
- 'লালসালু' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
- খালেক ব্যাপারীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো, সে-দুর্বলচিত্তধর্মভীরুব্যক্তিত্বহীননিচের কোনটি সঠিক?
- মজিদ কোন ঋতুতে মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশ করল?
- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যুবক এমদাদ। ধর্ম-খোদা-রসুল কিছুই বিশ্বাস করে না। খেলাফত আন্দোলনে যোগ দিয়ে একেবারে বদলে গেল। পীরের মুরিদ হয়েছে এবং নিয়মিত নামাজ পড়ছে। পীরের ভণ্ডামি ও লোলুপ দৃষ্টি এমদাদের কাছে ধরা পড়ল। মুরিদের সুন্দরী বউ কলিমনকে জোরপূর্বক তালাক পড়িয়ে নিজে বিয়ে করেছে। এমদাদ এতে ক্রুদ্ধ হয়ে পীরের মেহেদি রঞ্জিত দাড়ি ধরে হেঁচকা টানে মাটিতে ফেলে দিল।উদ্দীপকের এমদাদ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি,' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।'এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ'- উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে মহব্বতনগর গ্রামের মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরো।
- লালসালু উপন্যাসের শেষ বাক্যটি হলো-
- 'আলালের ঘরে দুলাল' কাহিনিগ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়?
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- তাহেরার বিয়ে হলো তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি বয়সি হামিদআলীর সাথে। বিয়ের আগে পাত্রী দেখতে এলে হামিদআলীকে তাহেরা ভেবেছিল সে তার হবু শ্বশুর।উদ্দীপকের ঘটনাটি 'লালসালু' উপন্যাসে বিধৃত সমাজেরকোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে?
- মজিদ কাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল?
- বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদের পলাশনগর গ্রামের শিক্ষিত যুবক সুজন গ্রামে এসে অশিক্ষিত মানুষকে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে একটি নৈশবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় এক অপশক্তির প্রভাবে।উদ্দীপকে অপশক্তি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন শক্তিকে নির্দেশ করে? সেই শক্তির উৎস সম্পর্কে মতামত পেশ করো।
- মহিম আলির সংসারের সকল দায়িত্ব তার স্ত্রী হনুফার। যৌথ পরিবারের গ্রামীণ সংসারের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে ধান শুকানো, মাড়ানো, গৃহপালিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের তদারকি সবই শক্ত হাতে সামলান। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ, তাদের মান রক্ষা সবই হনুফার গুরুদায়িত্ব। এতে তার আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি বা ক্লান্তি নেই। কিন্তু 'হনুফা'কে মাঝে মাঝে অসহায়ত্ব ও একাকিত্ব গ্রাস করে। মহিম আলি হনুফার একাকিত্ব অনুভব করে। কারণ তারা নিঃসন্তান।'উদ্দীপকের হনুফা 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমার মতোই ঘরের খুঁটি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'লালসালু' উপন্যাসে 'পরগাছা মুরব্বি' কে?
- “খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখ।”— এটি ???ার উক্তি?
- জালালের দুই বউয়ের মধ্যে মিমি ছোট। বয়স অল্প হওয়ারকারণে সংসার সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। হেসে-খেলেদিন কাটে তার। সুযোগ পেলেই সমবয়সী মেয়েদের সাথে গল্পগুজবে মেতে ওঠে সে।উদ্দীপকের মিমি 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রেরঅনুৰূপ?
- 'ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে বাইরে যত ঠান্ডা থাকুকনা কেন' – কার ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে?
- আব্দুল্লাহ যখন শাহ পাড়ার গোলদার বাড়ি আসিয়া পৌছিল তখন বেলা প্রায় দ্বিপ্রহর। সংবাদ পাইয়া গৃহস্বামী গোলদার ব্যস্ত সমস্ত হইয়া ছুটিয়া আসিল এবং তাহার দীর্ঘ শুভ্র শশ্মাশ্রুরাজি ভূলুণ্ঠিত করিয়া আব্দুল্লাহকে কদমবুসি করিতে উদ্যত হইল। এ ধরনের অভিনন্দনের জন্য আব্দুল্লাহ একেবারেই প্রস্তুত ছিল না। পথে হঠাৎ সাপ দেখিলে মানুষ যেমন এক লম্ফে হটিয়া দাঁড়ায়, সেও তেমনি হটিয়া গিয়া বলিয়া উঠিল 'আহা, করেন কি, করেন কি, গোলদার সাহেব। কাসেম গোলদার বড়োই সরলপ্রাণ, ধর্মপরায়ণ, পিরভক্ত লোক। আব্দুল্লাহর পিতা তাহার পির ছিলেন, এক্ষণে তাহার মৃত্যুতে আব্দুল্লাহ তাঁহার স্থলাভিষিক্ত বলিয়া মনে করিয়া লইয়া সে আব্দুল্লাহর কদমবুসি করিবার জন্য নত মস্তকে হাত বাড়াইয়াছিল। কিন্তু আব্দুল্লাহ পা টানিয়া লওয়ায় সে উহা স্পর্শ করিতে পাইল না; তাহার মনে হইল বেহেশতের দুয়ারের চাবি তাহার হাতের কাছ দিয়া সরিয়া শেল।উদ্দীপকের আব্দুল্লাহর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদের চারিত্রিক পার্থক্য দেখাও।
- আরিফার বাবা মারা যাওয়ার পরে মায়ের স্নেহে চরম দারিদ্র্য সে লালিত-পালিত হয়। মা নিতান্তই বাধ্য হয়ে মধ্য বয়সি একজন লোকের সাথে আরিফার বিয়ে দেয়। স্বামীর বাড়িতে আরিফা গিয়ে দেখে তার স্বামী মহশিনের আরেকজন স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। আরিফাকে কেন্দ্র করে সংসারে নতুন অশান্তি তৈরি হয়। বড়ো বউ কথায় কথায় আরিফার গায়ে হাত তোলে এবং সংসারের যাবতীয় কাজ তাকে দ্বারা করিয়ে নেয়। উপরন্তু বড়ো বউ আরিফার বিষয়ে স্বামীর কান ভারী করে। ফলে তার উপরে নেমে আসে অমানসিক নির্যাতন। আবার আরিফার স্বামী মহশিন চোরা কারবারির সাথে যুক্ত আছে, যে বিষয়টি আরিফা পুলিশকে জানিয়ে দেয়।"উদ্দীপকে বর্ণিত আরিফা এবং 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত জমিলার জীবনচিত্র যেন একই সুতোয় গাঁথা।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- "তাই তারা ছোটে, ছোটে"- কেন? ব্যাখ্যা করো।
- 'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি-
- ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরের পিরের কাছে পানিপড়াআনতে পাঠিয়েছিল কে?
- শীতের ফসল ওঠার মওসুমে গ্রামীণ কৃষিজীবী মানুষের হাতে নগদ অর্থ থাকে। এ সময় গ্রামীণ জনপদে পীরদের আনাগোনা শুরু হয়। মুরিদুরা অবশ্য তাদের বিমুখ করে না। পীরদের খাওয়াদাওয়া ও নগদ সম্মানীর পিছনে দুহাত ভরে খরচ করে মুরিদেরা। পীররাও এসময় সারা দেশে সফর করে আয় রোজগারে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করে।উদ্দীপকে বর্ণিত পীরদের সঙ্গে 'লালসালু' উপন্যাসে বর্ণিত কোন পীরের সাদৃশ্য আছে বর্ণনা করো।
- মজিদ কেন আক্কাসের স্কুল প্রতিষ্ঠায় বাঁধা দেয়?
- বাংলাদেশের একটি ছোট্ট জনপদ বসন্তপুর। সভ্য জীবনের কোনো ছোঁয়া এখানে নেই। অসুখে-বিসুখে আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া তাবিজ, ঝাড়ফুঁক, পানিপড়াই তাদের একমাত্র ভরসা। এ গ্রামের মেয়ে হনুফা নিরক্ষর হলেও তার কথাবার্তা ও চিন্তাচেতনায় বুদ্ধিমত্তার ছাপ স্পষ্ট। আবুল মিয়ার স্বপ্নে পাওয়া কেরামতিতে সে আদৌ বিশ্বাস করে না। গ্রামবাসীদের সে আবুল মিয়ার ভণ্ডামি সম্পর্কে সচেতন করে এবং যেকোনো অসুস্থতায় আবুল মিয়ার কাছে না গিয়ে শত কষ্ট হলেও ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেয়।'উদ্দীপকের হনুফা আর 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলা একে অপরের পরিপূরক।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- মজিদ আক্কাসের স্কুল স্থাপনের প্রচেষ্টাকে বানচাল করে দেয় কারণ-
- কলমা জানো মিঞা- উক্তিটি মজিদ কাকে উদ্দেশ্য করে করেছে?
- 'সে-মুখ ফ্যাকাশে, রক্তশূন্য'- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?
- পীর সাহেবের আগমনে মজিদ চিন্তিত হয়ে পড়ে কেন?
- 'লালসালু'-উপন্যাসের প্রতিবাদী চেতনা কীসের বিরুদ্ধে?ধর্মীয় গোঁড়ামিকুসংস্কারঅন্ধবিশ্বাসনিচের কোনটি সঠিক?
- সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
- "শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি"- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- মজিদ কার ভয়ে শঙ্কিত হয়?
- লালসালু উপন্যাসে কার উক্তিটি দুই দিকে কাটে?
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে'- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?