157N ও 168O পরস্পর-
CUUnit-ASet-1রসায়ন প্রথম পত্রগুণগত রসায়নতেজস্ক্রিয়তা ও আইসোটোপ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
আইসোটন
Explanation:

Another Explanation (5):
157N ও 168O : আইসোটন
157N (নাইট্রোজেন) এবং 168O (অক্সিজেন) উভয়ই আইসোটন। এখন, প্রশ্ন হল কেন?
আইসোটন কি? 🤔
আইসোটন হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান। নিউট্রন সংখ্যা বের করার নিয়ম হলো ভর সংখ্যা (A) থেকে পারমাণবিক সংখ্যা (Z) বিয়োগ করা, অর্থাৎ (A - Z)।
ব্যাখ্যা: 🧐
আমরা যদি 157N এবং 168O এর নিউট্রন সংখ্যা বের করি:
- 157N এর জন্য, নিউট্রন সংখ্যা = 15 - 7 = 8
- 168O এর জন্য, নিউট্রন সংখ্যা = 16 - 8 = 8
যেহেতু উভয় পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা 8, তাই তারা আইসোটন। 🎉
আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য একটি টেবিল: 📊
| পরমাণু | ভর সংখ্যা (A) | পারমাণবিক সংখ্যা (Z) | নিউট্রন সংখ্যা (A - Z) |
|---|---|---|---|
| 157N | 15 | 7 | 8 |
| 168O | 16 | 8 | 8 |
অন্যান্য উদাহরণ: 💡
এখানে কয়েকটি আইসোটনের উদাহরণ দেওয়া হলো:
- 31H এবং 42He (উভয়ের নিউট্রন সংখ্যা ২)
- 146C এবং 157N (উভয়ের নিউট্রন সংখ্যা ৮)
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: 📌
- আইসোটনগুলো একই মৌলের পরমাণু নয়।
- এদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন।
- শুধু নিউট্রন সংখ্যা একই হতে হবে।
আশা করি, এখন তোমরা আইসোটন সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পেরেছ! 👍