মিছিলটা তখন মেডিকেলের গেট পেরিয়ে কার্জন হলের কাছাকাছি এসে গেছে। তিনজন আমরা পাশাপাশি হাঁটছিলাম। রাহাত স্লোগান দিচ্ছিলো। আর তপুর হাতে ছিলো একটা মস্ত প্ল্যাকার্ড। তার ওপর লালকালিতে লেখা ছিলো, রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। মিছিলটা হাইকোর্টের মোড়ে পৌঁছুতে অকস্মাৎ আমাদের সামনের লোকগুলো চিৎকার করে পালাতে লাগলো চারপাশে। ব্যাপারটা কী বুঝবার আগেই চেয়ে দেখি, প্ল্যাকার্ডসহ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে তপু। কপালের ঠিক মাঝখানটায় গোল একটা গর্ত। আর সে গর্ত দিয়ে নির্ঝরের মতো রক্ত ঝরছে তার।
উদ্দীপকে গল্পকথকের জবানীতে বর্ণিত মহান একুশের ভাষাচিত্রটির সাথে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটির কথক ও কাহিনীর ভিন্নতাও রয়েছে।- তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ কোনটি?
- 'এভাবে মৃত্যু বরণ করে কী লাভ হবে?' –'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় উক্তিটি কার?
- চট্টগ্রামের জেলের ভিতর থেকেই সজল খবর পেলেন ঢাকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে। এদিকে চট্টগ্রাম শহরেও ছাত্রছাত্রীরা মিছিল করছে। 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতন এবার হবেই ভেবে সজল মনে মনে বলে, এ ভুলের কারণেই শাসকচক্র ক্ষমতাচ্যুত হবে।উদ্দীপকে গুলি খেয়ে মরার ঘটনাটি 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না। বাংলা ভাষাকেরাষ্ট্রভাষা না করে উপায় নাই। এই আন্দোলনে দেশের লোকসাড়া দিয়েছে ও এগিয়ে এসেছে।... জনমত সৃষ্টি হয়েছে,জনমতের বিরুদ্ধে যেতে শোষকরাও ভয় পায়।উক্ত জনমত গঠনে ব্যর্থতার মূল কারণ কোনটি ছিল?
- ‘স্বর্ণময় পত্র' কোন ধরনের বিশেষণ?
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুআশা করে।”— বায়ান্নর দিনগুলো'তে এই উক্তির'অনেক কিছু' হলো—
- “বাংলাদেশ যে আপনার কাছে থেকে অনেক কিছুপ্রত্যাশা করে”— উক্তিটি দ্বারা 'বায়ান্নর দিনগুলো”রচনায় কী বোঝানো হয়েছে?
- মার্টিন লুথার কিং আমেরিকার নাগরিক অধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়ালে আড়াই লক্ষ জনতার সামনে এক অসাধারণ বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। বর্ণবাদ বিরোধী এ নেতা আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়ে তৎকালীন সরকারের দমন- পীড়নের শিকার হন। তিনি বৈষমহীন সমাজ প্রত্যাশা করে বিশবারেরও বেশি কারারুদ্ধ হন। তবুও তিনি তাঁর লক্ষ্যে অটল ও অবিচল ছিলেন। শেষে ঘাতকের হাতে মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত জেনেও তিনি আদর্শচ্যুত হননি।
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের লেখক -
- ‘শিকারি বিড়াল গোঁফে চেনা যায়’ - এখানে ‘গোঁফে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
- 'বোধ হয় আর দু-একদিন বাঁচতে পারি'- শেখ মুজিবুর রহমানের এই বোধ কত তারিখে হয়েছিল?
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' প্রবন্ধে কখন বঙ্গবন্ধুর ভরসা হলো, আর দমাতে পারবে না?
- হাইফেন (-) চিহ্নের বিরতিকাল কত?
- মুহিউদ্দিন আহমদ কী রোগে ভুগছিলেন?
- "বায়ান্নর দিনগুলো' কোন জাতীয় রচনা?
- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
- কত তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারামুক্তির আদেশ এসেছিল?
- চেঙ্গিস খান ছিলেন-একজন মুসাফিরসামরিক নেতামোজাল জাতির অন্যতম যোদ্ধানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের বন্ধ উদ্যানে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ। ব্রিটিশ শাসকশ্রেণি ও তার দেশি- বিদেশি দোসরদের এ-জাতীয় অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল পরাধীন ভারতবর্ষের সাধারণ জনগণ। নির্যাতিত জনগণের মুক্তির অগ্রদূত হয়ে দেখা দিয়েছিলেন মোহনদাস করম চাঁদ গান্ধী। মহাত্মা গান্ধী নামে সমধিক পরিচিত এই রাজনীতিবিদ বর্ণবৈষম্য দূরীকরণসহ বি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে ভারতবাসীর কাছে অবিসংবাদিতা নেতা হিসেবে প্রমাণ করেন এবং বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েও ব্রিটিশবিরোধী 'ভারত ছাড়ো' আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। অহিংস আন্দোলনের পুরোধা হলেও দেশ ও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি মাহাত্মা গান্ধী।উদ্দীপকের ব্রিটিশ শাসকের নির্যাতন এবং 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় পাকিস্তানি শাসকদের নির্যাতনের তুলনা করো।
- কোনটি যৌগিক বাক্য?