নিচের কোনটি C4 উদ্ভিদ?
সঠিক উত্তরঃ
B.
আখ
Another Explanation (5): বাহ্যিক লক্ষণ এবং উদ্ভিদবৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, "আখ" একটি C4 উদ্ভিদ। এর কারণগুলো নিম্নরূপ:
- উচ্চ তাপমাত্রা ও কম জলসেচনের জন্য উপযোগী: আখ যেমন গ্রীষ্মকালীন উচ্চ তাপমাত্রায় দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং কম জলসেচনেও ভালো ফল দেয়। এটি C4 চক্রের উদ্ভিদগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
- অক্সালেটের উপস্থিতি: আখের পাতা ও শেকের মধ্যে পেরাক্সিস্কোপ্রোফিলিন নামে একটি পেরাক্সিস্কোপ্রোফিলিন যৌগ পাওয়া যায়, যা C4 চক্রের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
- ফটোসিনথেসিসের ধরণ: আখের মতো C4 উদ্ভিদগুলো সাধারণত একটি বিশেষ ধরণের ফটোসিনথেসিস করে, যেখানে তারা খুব দ্রুত কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং শক্তি সঞ্চয় করে।
- অন্য উদ্ভিদ থেকে আলাদা: সাধারণ C3 উদ্ভিদগুলোর তুলনায়, আখের ফটোসিনথেসিসের পদ্ধতি আলাদা এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও শুষ্ক অবস্থায় ভালো ফল দেয়।
Option A Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডল??য় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধার?? ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধারণত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation:
- আখ (Saccharum officinarum) হলো এক ধরনের উদ্ভিদ যা মূলত শর্করা বা চিনি উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
- এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যা উচ্চতায় সাধারণত ৩ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- আখের পাতা লম্বা ও সরু, সবুজ রঙের এবং তার ভিতরে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
- বিশেষ করে, আখের রস থেকে চিনি বা সাকারোজ উৎপাদিত হয়, যা খাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- আখের মূল উৎপাদন স্থানগুলো হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিল।
Option C Explanation:
- ধান (Oryza sativa)
- এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
- সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
- এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
- প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option D Explanation:
- নাম: কলা
- প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
- উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।