কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?1
A. চতুরঙ্গ
B. চতুর্দশ
C. চতুষ্কোণ
D. চতুষ্পাঠী
সঠিক উত্তরঃ
A.
চতুরঙ্গ
Explanation: ‘চতুরঙ্গ’ (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এছাড়া রবীন্দ্রনাথের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস : চোখের বালি, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা, চার অধ্যায়, গোরা।
Related Questions (Any University/Year)
- 'ঘরে-বাইরে' গ্রন্থের রচয়িতা-
- 'সেজন্য কিছু ভাবিবেন না- এখন উঠুন।'- উক্তিটিতে বস্তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কৌতুক নাটক হচ্ছে–
- পদাবলী লিখেছেন–
- কল্যাণীর বিয়ের গহনাগুলো কোন আমলের?
- 'গুড়গুড়ি'-র সঠিক প্রতিশব্দ-
- 'সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান___' এ পঙক্তির শূন্যস্থানে বসবে যে শব্দ:
- ‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি’– রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- ’পাকযন্ত্রটাকে সমস্ত অন্নসুদ্ধ সেখানে টান মারিয়া ফেলিয়া দিয়া আসিতে পারিলে তবে আফসোস মিটিত’। তোমার পঠিত কোন গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে?
- 'অপরিচিতা' গল্পে রেলকর্মচারী কতটি টিকিট বেঞ্চেঝুলিয়েছিল?
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের লাবণী 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পুঁথি সংগ্রাহক কে?
- Write a paragraph within 200 words on "City Life and Country Life".
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- নাট্যকার হেনরিক ইবসেন তাঁর 'নোরা' নাটকে পুরুষশাসিত সমাজের সাথে নারী ব্যক্তিত্বের সংঘর্ষতুলে ধরেছেন সুচারুরূপে। এ নাটকে তিনি দেখিয়েছেন ক্ষুদ্র গৃহকোণে অবস্থান করে সংসার | করাই নারীর একমাত্র কর্ম নয়। অন্তত তাঁর' নায়িকা নোরা চায় বৃহত্তর সমাজজীবনের মধ্যে বিকাশ ও প্রতিষ্ঠা।উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে-
- কলি যে চারপোয়া হইয়া আসিল।- বাক্যটিতে | 'চারপোয়া' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অসহায় বিধবা শুভারাণী, তার মেয়ে তমালিকার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও তাকে পাত্রস্থ করতে পারেনি। কারণ, পাত্রপক্ষের দাবি মেটাতে সে অক্ষম। অবশেষে নিজের সামান্য জমিটুকু বিক্রি করে মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করে সে। কিন্তু বরের বাবা নলীন বাবুর আকাশ ছোঁয়া চাওয়ার কাছে পরাজিত হতে হয় তাকে। মায়ের এহেন অবস্থা দেখে তমালিকা নিজেই বিয়ের পিঁড়ি থেকে উঠে আসে এবং সবাইকে সাফ জানিয়ে দেয়, এ বিয়ে সে করতে পারবে না। অতঃপর স্বাবলম্বী হয়ে একাকী পথ চলার দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যায় সে।উদ্দীপকের তমালিকা চরিত্রটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ? আলোচনা করো।
- পণপ্রথা বলতে কী বোঝো?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিয়েহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে মেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহূদয়ের মমতার প্রাবল্যে, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন যেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ, মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের বিষয়টিই অনুপম চরিত্রের একমাত্র দিক নয়, আনন্দও তার আছে। 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে তোমার মতামতসহ মন্তব্যটি যাচাই কর।