'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী বিয়েতে কোন রঙের শাড়ি
পরেছে বলে অনুপম কল্পনা করে?
A.
হলুদ
B.
বেগুনি
C.
নীল
D.
লাল
সঠিক উত্তরঃ
D.
লাল
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'অরুণরাঙা' কোন সমাসের উদাহরণ?
- একজন মানুষ তখনই চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে যখন সে অনর্থক কথা ও অপকর্মকে পরিত্যাগ করতে পারে। [এডিসন]নিজের সন্তানের ভালোমন্দ সম্বন্ধে যে পিতা সচেতন সে-ই যথার্থ পিতা। [টেগনার]অর্থের বিনিময়ে যারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয় সেই পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না- পাত্রীর অভিভাবকদের এ কথাটা বোঝা উচিত। [শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।"উদ্দীপকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উক্তিটির মধ্য দিয়ে যেন 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের দৃঢ় ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পের নায়কের চেহারা নিয়ে পণ্ডিতমশাই কিসের তুলনা করতেন?
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের লাবণী 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।"উদ্দীপকের রাবেয়া 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী চরিত্রকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করে না"- স্বীকার কর কী? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনার পাঠ শেষ করতে করতেই আমার বোনের অনেক বয়স হয়ে যায়। তিন তিনবার তার বিয়ের সম্বন্ধ ভেঙ্গে যাবার পর কেমন যেন হতাশ হয়ে পড়ি। একদিন তাকে ডেকে বলি, 'সানজিদা, কাল বাসায় একটি নতুন বরপক্ষ তোকে দেখতে আসবে।' শুনে ওর চেহারা কঠিন হয়ে ওঠে, 'তুই শুধু শুধু ব্যস্ত হচ্ছিস তপন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে আমার যা কাজ তা জীবনভর শেষ হবার নয়।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্যগুলো আলোচনা করো।
- 'অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোটো ভাইটি।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- 'সে নিজের চারদিকের সকলের চেয়ে অধিক—রজনীগন্ধার শুভ্র মঞ্জরির মতো সরল বৃন্তটির উপরেদাঁড়াইয়া, যে গাছে ফুটিয়াছে সে গাছকে সে একেবারেঅতিক্রম করিয়া উঠিয়াছে'— কে?
- রোহান বাবু ভালো ঘর পেয়ে মেয়ের বিয়ে দিতেউদ্যোগী হয়। এক্ষেত্রে সে বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনা-পাওনা চুকিয়ে দিয়ে মহা সাড়ম্বরে মেয়েবিয়ে সম্পন্ন করে। উদ্দীপকে ও 'অপরিচিতা' গল্পে ফুটে উঠেছে-কুসংস্কারপ্রতিবাদী চেতনাযৌতুকপ্রথানিচের কোনটি সঠিক?
- মানাকে অনুপম তার ভাগ্য দেবতার এজেন্ট বলেছিল কেন?
- বাবার মোটা টাকার যৌতুকের দাবির কারণে সবুজের বিয়েভেঙে যেতে বসল। পিতার অনুগত সন্তান হওয়া সত্ত্বেওসবুজ শেষ পর্যন্ত বিনা যৌতুকে রথীকে বিয়ে করে আনল। উদ্দীপকের সবুজের বাবার আচরণ 'অপরিচিতা'গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করায়?
- জ্বালিয়ে রেখেছি মনের প্রদীপআমার ডুলেডরা বাগানেতোমার ছোঁয়ায় ফুটুক ফুল,সান্ত্বনার আঙুলে দেখো পরগাছা আমারে ।উদ্দীপকে অনুপম চরিত্রের কোনটি রয়েছে?
- "মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে" - উক্তিটি কার?
- ‘চন্দরা’ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
- "কালে ইহাদের বংশে লক্ষ্মীর মঙ্গলঘট ভরা ছিল।" কার বংশের ঐতিহ্য বোঝাতে লেখক এ উক্তিটি ব্যবহার করেছেন
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছি??? না...........।ডাক্তার অপূর্ব এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম যেদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- The rain started immediately after we had finished our reading- বাক্যটির সঠিক অনুবাদ কোনটি?
- অবশেষে বিবাহের দিন উপস্থিত হইল। নিতান্ত অতিরিক্ত সুদে একজন বাকি টাকাটা ধার দিতে স্বীকার করিয়াছিল, কিন্তু সময়কালে সে উপস্থিত হইল না। বিবাহ সভায় একটা তুমুল গোলযোগ বাধিয়া গেল। রামসুন্দর আমাদের রায়বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, শুভকার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয় টাকা শোধ করিয়া দিব। রায়বাহাদুর বলিলেন, টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি অপরিচিতা গল্পের একমাত্র বিষয় নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।