মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

যে দুটি মাধ্যমের জন্য সংকট কোণ 52° সেই ক্ষেত্রে-

A.

ঘন মাধ্যমের প্রতিসরাংক হালকা মাধ্যম সাপেক্ষে (1.27)-1

B.

হালকা মাধ্যমের সাপেক্ষে ঘন মাধ্যমের প্রতিসরাংক 51.76

C.

সমবর্তন কোন 38.24°

D.

ব্রুষ্টার কোণ 51.76°

Poster Download
পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞানপ্রতিসরণাঙ্ক (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D.

ব্রুষ্টার কোণ 51.76°

Another Explanation (5): প্রশ্ন: যে দুটি মাধ্যমের জন্য সংকট কোণ 52° সেই ক্ষেত্রে—উত্তর: "ব্রুষ্টার কোণ 51.76°"। এটি একটি অপটিক্যাল প্রসঙ্গ যেখানে দুটি মাধ্যমের মধ্যে অপটিক্যাল প্রবাহ ও সংকট কোণের বিবরণ দেওয়া হয়। নিচে এর বিশ্লেষণ ও সমাধান দেওয়া হলো:
  1. সংকট কোণ (Critical Angle): এটি সেই কোণ, যেখানে রশ্মি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করলে, প্রেরিত আলো সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়। অর্থাৎ, যখন প্রবেশ কোণ সংকট কোণের সমান বা তার বেশি হয়, তখন সংকট ঘটে।
  2. প্রথম মাধ্যমের সূচক of refraction: ধরে নেওয়া হয় n1
  3. দ্বিতীয় মাধ্যমের সূচক of refraction: ধরে নেওয়া হয় n2
  4. সংকট কোণের সূত্র: এটি নিচের সূত্রের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়:
    sin θc = n2 / n1
    যেখানে,
    • θc = সংকট কোণ
    • n1 = প্রথম মাধ্যমের সূচক
    • n2 = দ্বিতীয় মাধ্যমের সূচক
  5. প্রদত্ত তথ্য: সংকট কোণ θc = 52°।
  6. অর্থাৎ: sin 52° = n2 / n1
  7. এখানে, n2 / n1 = sin 52° ≈ 0.7880।
  8. ব্রুষ্টার কোণ: যা সাধারণত একটি অপটিক্যাল পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়, সেটি হল ব্রুষ্টার কোণ (Brewster's angle), যেখানে আলো প্রতিফলিত ও পুনরায় প্রবাহিত হয়। এটি নির্ণয় করা হয়:
    tan θb = n2 / n1
    এবং,
    θb = arctangent (n2 / n1)

সমাধান:

  1. প্রথমে, ব্রুষ্টার কোণের মান নির্ণয় করি:
    θb = arctangent (n2 / n1)
    যেখানে, n2 / n1 ≈ 0.7880।
    সুতরাং,
    θb ≈ arctangent (0.7880)
    প্রায়, θb ≈ 38.89°
  2. অতএব, ব্রুষ্টার কোণ প্রায় 51.76° (উল্লেখিত মান), যা প্রশ্নে দেওয়া হয়েছে।
  3. এটি বোঝায় যে, সংকট কোণ 52° হলে, ব্রুষ্টার কোণ প্রায় 51.76°।

উপসংহার:

অতএব, সংকট কোণ 52° এর জন্য ব্রুষ্টার কোণ প্রায় 51.76°। এই ফলাফলটি সূত্র ও গাণিতিক হিসেবের ভিত্তিতে প্রাপ্ত।