ভাইরাসে কোনটি থাকে?
সঠিক উত্তরঃ
A.
নিউক্লিক এসিড
Another Explanation (5):
ভাইরাসে কোনটি থাকে?
প্রশ্ন: ভাইরাসে কোনটি থাকে?
উত্তর: "নিউক্লিক এসিড"
ব্যাখ্যা:
- ভাইরাসগুলো ছোটো জীবাণু যা জীবিত কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তার প্রতিরক্ষা ও পুনরুত্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ধারণ করে।
- তাদের মূল উপাদান হলো নিউক্লিক এসিড, যা হতে পারে ডিএনএ (DNA) বা আরএনএ (RNA)।
- এই নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের জেনেটিক তথ্য বহন করে এবং ভাইরাসের প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
- অর্থাৎ, ভাইরাসের ভিতরে এই নিউক্লিক এসিডটি থাকে, যা তাদের বৈশিষ্ট্য ও কার্যক্রমের মূল ভিত্তি।
Option A Explanation:
- নিউক্লিক এসিড: নিউক্লিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব যৌগ যা ডিএনএ (DNA) এবং আরএনএ (RNA) এর মূল উপাদান।
- এগুলি জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ এবং স্থানান্তর করে থাকে।
- নিউক্লিক এসিডের মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা একটি প্যারিন, একটি ফসফেট গ্রুপ এবং একটি নাইট্রোজেন ভিত্তি দিয়ে গঠিত।
- নিউক্লিক এসিডের গঠন এবং ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে জীবের জীববিদ্যা প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।
Option B Explanation:
- সাইটোপ্লাজম হল জীবাণুর কোষের অভ্যন্তরীণ অংশ, যা কোষের ভেতরে অবস্থিত এবং বিভিন্ন কোষীয় অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য পরিবেশ সরবরাহ করে।
- এটি জলীয় তরল যা প্রোটিন, লিপিড, শর্করা, আণবিক জৈব যৌগ এবং অন্যান্য উপাদান দ্বারা সমৃদ্ধ।
- সাইটোপ্লাজমের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের রাইবোজোম পাওয়া যায়, বিশেষ করে 70S রাইবোজোম, যা প্রাথমিকভাবে প্রোক্যারিয়োটিক কোষে বিদ্যমান।
- রাইবোজোমের মূল কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ, যেখানে এমিনো অ্যাসিড থেকে প্রোটিন তৈরি হয়।
- 70S রাইবোজোমের আকার এবং গঠন অন্য ধরনের রাইবোজোমের থেকে আলাদা হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে বিশেষভাবে কার্যকর।
Option C Explanation:
- নিউক্লিয়াস: সাধারণত 70S রাইবোজোম থাকে না।
- প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য 80S রাইবোজোম মূলত ইউক্যারিয়োটিক কোষের নিউক্লিয়াসের বাইরে সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত হয়।
- অন্যদিকে, প্রোটিন সংশ্লেষণে প্রাথমিকভাবে 70S রাইবোজোম প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য মূলত প্রোক্যারিয়োটিক কোষের (যেমন ব্যাকটেরিয়া ও অর্চিয়া) সাইটোপ্লাজমে পাওয়া যায়।
- সুতরাং, নিউক্লিয়াসে সাধারণত 70S রাইবোজোম থাকে না; এটি মূলত সাইটোপ্লাজমের একটি বৈশিষ্ট্য।
Option D Explanation:
- সাধারণ তথ্য: মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের একটি অঙ্গপ্রতঙ্গ, যা শক্তি উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
- মূল কাজ: এটি অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) তৈরি করে, যা কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে।
- আকার ও গঠন: ছোট, দেহের আকারে গোলাকার বা দণ্ডাকার হতে পারে এবং নিজস্ব ডিএনএ (DNA) ধারণ করে।
- অন্য নাম: অনেক সময় এটি "শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গপ্রতঙ্গ" হিসেবে পরিচিত।
- উপস্থিতি: প্রতিটি ইউক্যারিওটিক কোষে সাধারণত অনেক মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।