‘আমার কর্ণধার আমি । আমায় পথ দেখাবে......’- কে পথ দেখাবে?
A. আমার মন
B. আমার চিন্তা
C. আমার সত্য
D. আমার ভাগ্য
সঠিক উত্তরঃ
C.
আমার সত্য
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ?
- কাজী নজরুল ইসলাম কোনটিকে নমস্কার করেছেন ?
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনোলজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষাপেতে পারে।উদ্দীপকটি কোন লেখকের লেখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- যার নিজের ধর্মে বিশ্বাস আছে সে কখনো অন্য ধর্মকেকী করতে পারে না?
- কে অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?
- সজল জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছে। কত রাত্রি অনুশোচনায় তার ঘুম হয়নি। এখন তার আত্মোপলব্ধি হয়েছে। সে ভাবে আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোটো হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মযন্ত্রণা ভোগ করব না।"ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের খণ্ডচিত্র।" আলোচনা করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো-
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের বিষয়গত বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
- আগুনের ঝান্ডা দুলিয়ে লেখক কেন পথে বের হলেন?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- কোনটি কাব্য নয়?
- কাজী নজরুল ইসলাম কত খ্রিস্টাব্দে সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগদান করেন?
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস নিজেকে চেনার কথা বলেছিলেন; বলেছিলেন, সত্য প্রকাশের কথা- যত কঠিনই হোক সে সত্য। সক্রেটিস ও তাঁর অনুসারীরা সত্য প্রকাশে যে অসংকোচ দৃঢ়তা দেখিয়েছিলেন, প্রথাগত সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে তা চিহ্নিত হয়েছিল ঔদ্ধত্য ও বিশৃঙ্খলার নিয়ামক হিসেবে। পরিণামে তাঁদের ওপর নেমে এসেছিল রাজদণ্ড। প্রবল পরাক্রমশালী রাজার ভয়ে না পালিয়ে যে অল্পসংখ্যক অনুসারী শেষ পর্যন্ত সক্রেটিসের অনুগামী হলেন, তাঁরাই ছিলেন প্রকৃত সত্যনিষ্ঠ। আর তাঁরা যেহেতু আত্মপ্রবঞ্চক ছিলেন না; তাই জেনেশুনেই বেছে নিয়েছিলেন রাজার দেওয়া 'সত্য বলার শাস্তি'। শাস্তিদাতা রাজাদের নাম-নিশানা মুছে গেলেও সক্রেটিসকে মহাকাল দিয়েছে 'মহাজ্ঞানী' অভিধা।উদ্দীপকের প্রকাশিত 'সত্য' 'আমার পথ' প্রবন্ধে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
- 'সবচেয়ে বড় দাসত্ব' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- আমরা দশ-পনের টাকার বিনিময়ে মনুষ্যত্ব, স্বাধীনতা অনায়াসেপ্রভুর পায়ে বিকাইয়া দিব তবু ব্যবসা-বাণিজ্যে হাত দিব না,নিজ পায়ে দাঁড়াতেই চেষ্টা করিব না। এই জঘন্য দাসত্বইআমাদিগকে এমন ছোট হীন করিয়া তুলিতেছে।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' অনুসারে আমাদের নিচেরকোনটির অভাব রয়েছে?
- সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান।সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ-মুক্ত করো ভয়,আপন-মাঝে শক্তি ধরো, নিজের করো জয়-দুর্বলের রক্ষা করো, দুর্জনের হানো,নিজের দীন নিঃসহায় যেন কভু না জেনো।উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয় সংকোচের কথা বলী হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।"- মন্তব্যটি যাচাই করো।
- চিনিলাম আপনারেআঘাতে আঘাতেবেদনায় বেদনায়;সত্য যে কঠিন কঠিনের ভালোবাসিলামসে কখনো করে না বঞ্চনা।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিষয় প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'ধন-ধান্য পুষ্পে ভরা' গানটির রচয়িতা কে?