রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন?
A. ১০ বছর
B. ১২ বছর
C. ১৪ বছর
D. ১৬ বছর
সঠিক উত্তরঃ
D.
১৬ বছর
Explanation: গল্পগুচ্ছের প্রথম গল্পটির নাম ‘ঘাটের কথা’। এটি প্রকাশিত হয় ভারতী পত্রিকার কার্তিক ১২৯১ সংখ্যায়। তার আগে একই পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের ‘ভিখারিণী’ গল্পটি। এখন পর্যন্ত যতদূর জানা যায়, এটিই তাঁর লেখা প্রথম গল্প, যা কোনো সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। গল্পটি রচনাকালে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর।
Related Questions (Any University/Year)
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' গল্পে যৌতুকের বলি হৈমন্তী। মানসিক নির্যাতনের জর্জরিত হয়ে সে পিতা গৌরীশংকর বাবুকে খবর পাঠায় স্বামীগৃহ হতে তাকে পিত্রালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গৌরীশংকর বাবু মেয়ের র বাড়িতে এসে মেয়ের কষ্ট বুঝতে পারেন। কিন্তু ধনী বেয়াই- এর বিরুদ্ধে প্রতিকার করতে না পেরে নীরবে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বিদায় নেন। আর চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় হৈমন্তী।হৈমন্তীর চরম পরিণতি আর 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করো।
- হয়তো কিছুই নাহি পাবতবুও তোমায় আমি দূর হতে ভালোবেসে যাব।যদি ওগো কাঁদে মোর ভীরু ভালোবাসা,জানি তুমি বুঝিবে না তবু তারি ভাষা,তোমারি জীবনে কাঁটা আমি, কেন মিছে ভাব ||উদ্দীপকের কথকের মনের ভাব 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মনোভাবের সাথে কতটুকু সম্পর্কিত? আলোচনা করো।
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের লাবণী 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দেখাও।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প রচনার স্বর্ণযুগ :
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ’অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পুরুষের জবানিতে লেখা?
- কল্যাণীর পিতার নাম কি?
- 'রক্তকবরী' কোন ধরনের রচনা?
- কাকে ‘কবিকঙ্কণ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
- কল্যাণীকে বিয়ে না দেওয়ার কারণ কী?
- ‘অপরিচিতা' গল্পে পণ্ডিতমশায় অনুপমকে কোন ফুলের সঙ্গে তুলনা করতেন?
- অনুপমের পিতার পেশা কী ছিল?
- অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কি?
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।উদ্দীপকের চাচার সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি তুলনীয়?-আলোচনা কর।
- 'মুসলমানীর গল্প' নামক গল্পটি কে লিখেছেন?
- লাবণীর বিয়ে। তার বাবা বলল, 'ছেলে পক্ষ এত ভালো যে, তারা কিছুই চায় না। কিন্তু আমার মন মানে না। এতবড়ো বাড়িতে তোকে খালি হাতে পাঠাই কী করে। তাই ভাবছি- যত ইলেকট্রনিক্স লাগে, সব তোর সঙ্গে পাঠাব।' লাবণী দৃঢ় কণ্ঠে বলল, 'না। আমার বিয়েটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাক, বাবা।'উদ্দীপকের বাবা চরিত্রের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ সেনের তুলনা করো।
- ‘রক্তকরবী’ নাটকটি কার রচনা?
- কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। কোন রচনার অন্তর্গত?
- 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে না করার সিদ্ধান্তের কারণ কী ছিল?
- ‘এ জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণেরহিসাবে।'— কথাটি দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে?
- ‘অপরিচিতা' কোন পুরুষের জবানিতে লেখা গল্প?