ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গে কে প্রাণপণে যুদ্ধ করার উৎসাহ দিচ্ছিল?
A.
ক্লেটন
B.
ওয়ালি খান
C.
জর্জ
D.
হলওয়েল
সঠিক উত্তরঃ
A.
ক্লেটন
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- 'কত বড়ো শক্তি, তবু কত তুচ্ছ।'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সালভেদর আলেন্দে ছিলেন চিলির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৩ সালে দেশের সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে ক্ষমতা গ্রহণ করে আলেন্দে কর্তৃকই নিয়োগপ্রাপ্ত জেনারেল পিনোচেট।উদ্দীপকের পিনোচেটের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সর্বাধিক মিল রয়েছে?
- “সবাই উচ্চাবিলাষী । সবাই সুযোগ খুঁজছে ৷ ” ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে এ উক্তিটি কার?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' কয় অঙ্কের নাটক?
- স্বাধীনতার যুদ্ধে গ্রামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলআহত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। টাকার লোভে বাড়ির মালিকতাদের পাকসেনাদের হাতে তুলে দেয়। সেই থেকে সেবজলু রাজাকার নামে সকলের ঘৃণার পাত্র হয়ে আছে।বজলু এবং নাটকের চরিত্রে যে ??িনিসটির চরমঅভাব তা হলো-
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘটনা কোন কোন দিক দিয়ে তুলনীয়? বুঝিয়ে লেখো।
- অটোমান সম্রাজ্যের পথপ্রদর্শক সুলতানা কোসেম। যখনই রাজপরিবার বিপদগ্রস্ত হয়েছে, তখনই সুলতানা কোসেম মুখ্য, ভূমিকা পালন করেছেন। এক সৈনিক শত্রুর সাথে হাত মেলালে প্রমাণ সাপেক্ষে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এতে ওই সৈনিকের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুলতানা ঐ পরিবারের দায়ভার ও তার ছেলে হাবিবের লেখাপড়ার দায়িত্ব নেন। কিন্তু হাবিব পিতৃহত্যার কথা জানতে পেরে মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সুযোগ পেয়ে কোসেমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। এ যাত্রায় সুলতানা রক্ষা পেলে হাবিব নাবালক বলে তাকে ক্ষমা করেন এবং সংশোধনাগারে পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘদিন সংশোধনাগারে রাখার পর হাবিবকে আবার সৈনিক হিসেবে নিয়োগ দেন। কিন্তু হাবিব সুযোগ পেয়ে সুলতানাকে হত্যা করেন।'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মোহাম্মদী বেগ চরিত্রের সঙ্গে উদ্দীপকে বর্ণিত হাবিব চরিত্রটির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
- এ পবিত্র বাংলাদেশবাঙালির-আমাদের।দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়তাড়াব আমরা, করি না ভয়যত পরদেশি দস্যু ডাকাতরামাদের গামাদের।
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- “আজ নবাবকে ডোবাচ্ছেন, কাল আমাদের পথে বসাবেন নাতা কি বিশ্বাস করা যায়?”- ক্লাইভের এ উক্তিতে প্রকাশপেয়েছে মীরজাফর ও তার সঙ্গীদের প্রতি—
- ইতিহাসের একজন সামন্ত নবাব হয়েও সিরাজুদ্দৌলা নাটকে সিরাজ চরিত্রটি হয়ে উঠেছে-
- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে হুমায়ূন যখন সিংহাসনে বসেন, তখন তাঁর বয়স অল্প। সিংহাসনে বসার সাথে সাথেই চারদিকে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়। আপন আত্মীয়স্বজন তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি আপন ভাইয়েরাও তাঁকে সহযোগিতা করেনি। তারপরেও বাবরের বড়ো ছেলে হিসেবে তিনি শক্ত হাতে শাসনকার্য চালিয়ে যান এবং মুঘল সাম্রাজ্যকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।'উদ্দীপকের হুমায়ূনের সিংহাসনে আরোহণ আর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।'- আলোচনা করো।
- 'কত বড় শক্তি, তবু কত তুচ্ছ'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কে কৃতঘ্ন?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- শোনা যায়, তিস্তাপাড়ে এখন আর ফসলি জমি নেই। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জমিতে মেশিন বসিয়ে উত্তোলন করে নিচ্ছে ভূগর্ভস্থ পাথর। এই অঞ্চলে ফসলের তুলনায় পাথরের মূল্য বেশি। দিনে দিনে মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এলাকার সচেতন জনগোষ্ঠী দেশের স্বার্থে এতে বাধা দিলে তারা সাময়িকভাবে পাথর উত্তোলন-বদ্ধ রাখে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তিনটি মেশিন বসানোর অনুমতি নিয়ে বাস্তবে তিনশত মেশিন বসিয়ে আবার পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এতে যেমন ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন, তেমনি নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ব্যবসায়ীদের তাতে কিছু যায়-আসে না, অধিক মুনাফা অর্জনই যেন তাদের লক্ষ্য। এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো শোনা যাবে, মাটির নিচে তলিয়ে গেছে তিস্তাপাড়ের বিশাল জনপদ।উদ্দীপকের সচেতন জনগোষ্ঠী 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?
- 'এ. আর.' একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পদ প্রাপ্তির লোভ করা মানুষের সংখ্যা কম না। ফেরদৌস মিঞা নামে এক ব্যক্তি কর্তৃপক্ষের সাথে গোপনে হাত মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে 'এ. আর' প্রতিষ্ঠানের সভাপতির পদ লাভ করেন। কিন্তু একান্তে যখন থাকেন, তখন নিজের মনকে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করে বসেন 'আমি কি এ পদের জন্য যোগ্য।'উদ্দীপকের ফেরদৌস মিঞার মনোভাবের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের মনোভাবের সাদৃশ্য পাওয়া যায় এবং তা কীভাবে? বিচার করো।
- 'ফরাসিরা ডাকাত আর ইংরেজরা অতিশয় সজ্জন ব্যক্তি, কেমন? - সিরাজউদ্দৌলার এই উক্তি কার প্রতি।
- 'দওলত আমার কাছে ভগবানের দাদামশায়ের চেয়ে বড়ো।'- কে, কাকে, কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কে নবাব হলে সকলের উদ্দেশ্যইহাসিল হবে?