'সিরাজউদ্দৌলা' কয় অঙ্কের নাটক?
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত মেঘনাদবধ কাব্য অনুসারে রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ-ত্যাগী বিশ্বাসঘাতক, দেশদ্রোহী, অকৃতজ্ঞ ও স্বজনবিমুখ হিসেবে চিহ্নিত। অপরদিকে বীরবাহু, কুম্ভকর্ণ ও মেঘনাদ দেশপ্রেমিক। নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁরা জীবন উৎসর্গকারী। যদিও বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মেঘনাদ যুদ্ধ করার সুযোগ পায়নি। আজও বাঙালি সমাজে প্রবাদ হয়ে আছে-'ঘরের শত্রু বিভীষণ'।উদ্দীপকের বিভীষণের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা করো।
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছি না তো ?'কে কাকে এ কথা বলেছেন ?
- গোলকচন্দ্র বসু ও তাঁর রাইয়ত সাধুচরণের আলাপ-চারিতায় ফুটে ওঠে ইংরেজ কর্তৃক সাধারণ চাষিদের নীল চাষে বাধ্য করা, নীল চাষে অস্বীকৃতি জানালে জেল-জুলুম, নিরীহ বৌ-ঝির সম্ভ্রমহানি প্রভৃতি দৈনন্দিন কর্মকান্ডের অংশ। প্রজা পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য গোলক বসুর পুত্র নবীন মাধব প্রতিবাদী হয়ে ওঠে এবং নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে মামলা করে। একবার এক নীলকরকে বাগে পেয়েও চারিত্রিক ঔদার্যের কারণে সেই নীলকরকে কঠিন শাস্তি না দিয়ে ছেড়ে দেয়। অথচ পরবর্তী সময়ে সেই নীলকরদের লাঠিয়াল বাহিনীর নির্মম প্রহারে নবীন মাধব মৃত্যুবরণ করে। 'অবস্থানগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হলেও নবীন মাধব এবং সিরাজউদ্দৌলার জীবন একই সূত্রে গাঁথা।'- মতামতসহ তোমার অবস্থান তুলে ধরো।
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- তাই আজ হে স্বদেশ, হে জনতা, হাতিয়ার ধরো। শত্রুর শিবিরে আজ জোট বেঁধে প্রত্যেকেই পদাঘাত করো।উক্ত সাদৃশ্যের অন্তর্নিহিত কারণ- বাঙালির প্রতি সিরাজের আহ্বান ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণাইংরেজদের প্রত্যক্ষভাবে হুমকি দেওয়ানিচের কোনটি সঠিক?
- মাত্র সতেরো জন্য সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খিলজি বাংলার মসনদ দখল করে নেন। এই সতেরো জন্য সৈন্য যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল তাদের অসামান্য সাহস, বিশ্বাস আর শৃঙ্খলার জন্য। 'পক্ষান্তরে লক্ষ্মণসেনের বাহিনী ছিল নানা বিশৃঙ্খলায় জর্জরিত। লক্ষ্মণসেনের বিশাল বাহিনী তাকে রেখে পালিয়ে গেল। তাই লক্ষ্মণসেনও আত্মগোপনে চলে গেলেন। মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'মূলত সেদিন যুদ্ধ হয়নি, হয়েছে বিশ্বাসঘাতকতা।'- এই উক্তিটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য।'- কথাটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
- সিরাজউদ্দৌলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা কি ছিল?
- কেউ তো জানে না প্রাণের আকৃতি বারেবারে সে কি চায়স্বার্থের কারণে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়ধরণির বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।"উদ্দীপকের তৃতীয় চরণ যেন 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের ঘৃণিত ও নিন্দিত দিকের উন্মোচক।”- মূল্যায়ন করো।
- 'তার নবাব হওয়াটাই আমার মস্ত ক্ষতি।'- ঘসেটি বেগমের এ উক্তির কারণ কী?
- 'যত দিন রবে পদ্মা, মেঘনা, গৌরী, যমুনা বহমানততদিন রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।'"উদ্দীপকের শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সিরাজের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ"- ব্যাখ্যা করো।
- মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাশাসক, রাজনীতিবিদ ও কতিপয় বিপথগামী দোসররা জনসাধারণের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালায় ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ দেশের আপামর জনতা দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে ।উদ্দীপকে শেষ বাক্যের বিষয়বস্তু সিরাজউদ্দৌলা'নাটকের নিচের কোন বাক্যে প্রতিফলিত হয়েছে?
- সৈয়দপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজ এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তার নিকটাত্মীয় মনির একজন বিশ্বাসঘাতক রাজাকার। কেউই মনিরকে বুঝিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের দলে নিতে পারেনি। মুক্তিযুদ্ধের শেষের দিকে একদিন মনির রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিনকে ধরিয়ে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।নিকটজনের দ্বারা বিপর্যয়ের শিকার রফিক উদ্দিন ও সিরাজউদ্দৌলা।'- মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অঙ্ক রয়েছে?
- মিরমর্দান ছিলেন—
- 'আজ আমার ভরসা আমার সেনাবাহিনীর শক্তি নয় ....' - সিরাজউদ্দৌলা তাহলে পলাশীতে কিসের উপর ভরসা করতে চেয়েছিলেন?
- দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল দর্পণ' নাটকের 'এক জীবন্ত মুসলিম চরিত্র তোরাপ। এই তোরাপ সোচ্চার হয়েছে সামাজিক নানা অসংগতির বিরুদ্ধে, সমাজপতিদের অন্যায় ও অত্যাচারের বিপক্ষে। একজন গরিব কৃষক হয়েও সে সত্যবাদী, সাহসী ও পরোকারী মানুষ। নবীন মাধবের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে সে প্রস্তুত। তাই নবীন মাধবের সব ধরনের সাহসী কাজে সে তার সঙ্গী হয়। ধর্ম- বর্ণের ভেদাভেদ তার দৃষ্টিতে ছিল না বলেই তোরাপ শেষ পর্যন্ত নবীন মাধবের সাথে ছিল। এমনকি নিরীহ কৃষকদের পাশে থেকে অত্যাচারী শোষক ইংরেজ নীলকরদেরও মোকাবিলা করে গেছে সে।'উদ্দীপক ও সিরাজউদ্দৌলা নাটক উভয় ক্ষেত্রেই অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত ও দুঃসাহসী যোদ্ধার প্রতিবাদী সংগ্রাম উজ্জ্বল হয়ে ফুটে উঠেছে।'- উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'প্রকৃত দেশপ্রেমিক দেশের জন্য প্রাণ দিতে কুণ্ঠিত হন না।'- এ উক্তিটির আলোকে উদ্দীপক 'ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের তুলনামূলক আলোচনা করো।
- সিরাজউদ্দৌলা নাটকে 'দি ব্রেভেস্ট সোলজার' আখ্যা দেওয়া হয়েছে-
- সবাই মিলে সত্যিই আমরা বাংলাকে বিক্রি করে দিচ্ছিনা তো?— উক্তিটি কার?
- ঘসেটি বেগম সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন কেন?
- "দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তূপে চাপা না পড়ে।"- কে, কাকে, কী প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছিল? ব্যাখ্যা কর।
- মীরজাফর কে?
- "কাপুরুষ, বেইমান। জ্বলন্ত আগুনের মুখে বন্ধুদের ফেলে পালিয়ে যায়।" উক্তিটি কার?
- 'বাট আই অ্যাম সিউর নবাব ক্যান কজ নো হার্ম টু আস।'- উক্তিটি কেন করা হয়েছে?
- ধনকুবের উত্তম দেবনাথ তার চাচাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন। সরল মনের মানুষ উত্তম দেবনাথ তাঁর ভাইকে বিশ্বাস করে ঠকেছেন। তিনি পুলিশের ভয়ে চোরের মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর স্ত্রী মাধবী ছোটো সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘোরেন। তার স্বামীর যখন এ দুরবস্থা, তখন তার কীসের অহংকার, কীসের কষ্ট।উদ্দীপকের মাধবী ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের লুৎফা কোন দিক দিয়ে অভিন্ন? ব্যাখ্যা করো।বিশ্লেষণ করো।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটির 'বুড়িঘাট' যুদ্ধের শত্রুপক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের কাছাকাছি চলে আসে। সহযোদ্ধাদের অপ্রস্তুতির বিষয়টি টের পেয়ে মুন্সি আবদুর রউফ মেশিনগানের গুলি চালিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরে সহযোদ্ধারা প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করার প্রাক্কালে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে শহিদ হন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ। পরাস্ত হয় শত্রুপক্ষ।উদ্দীপকের বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে যুদ্ধক্ষেত্রে মোহনলালের ভূমিকার তুলনা করো।
- ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে,বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে-এশিয়ার সূর্য ওঠে দোর্দণ্ড প্রতাপ।আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জবিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়;যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর।উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য কতটুকু বিশ্লেষণ করো।
- দ্বিজেন্দ্র লাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক 'শাজাহান।' পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে দারা সুজা আর মুরাদের মৃত্যু বৃদ্ধ সম্রাট শাহজাহানকে যন্ত্রণায় ক্ষত-বিক্ষত করে তোলে। তাঁর বন্দিদশা, পিতৃহৃদয়ের হাহাকার এই নাটকটিকে শ্রেষ্ঠ ট্যাজেডি নাটকে পরিণত করেছে। সম্রাট শাহজাহানের নাম অনুসারে নাটকের নাম 'শাজাহান।'বিষয়বস্তুর দিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- 'ভিক্টরি অর ডেথ' কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?
- রোমের একচ্ছত্র অধিপতি জুলিয়াস সিজার। তাঁর সিনেটরয়া ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তারা সিজারকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এমনকি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্রুটাসও এই হীন চক্রান্তে যোগ - দেয়। সিনেটে নৃশংসভাবে নিহত হন সিজার। মৃত্যুকালে বন্ধু ব্রুটাসের হাতেও উদ্যত ছুরি দেখে - বিস্ম??ত সিজার বলে ওঠেন, 'ব্রুটাস, তুমিও!''ব্রুটাসেরা কেবল রোমেই নয়, এ বাংলাতেও বিচরণ করেছে।'- উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে উক্তিটির মূল্যায়ন করো।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?
- 'উই হ্যাভ কাম টু আর্ন মানি অ্যান্ড নট টু গেট ইন্টুপলিটিকস। ওয়াটসের এ কথা ইংজেদের____বাকচাতুর্যছদ্মবেশপ্রতারণানিচের কোনটি সঠিক?
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমান ধানমন্ডির বাসায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকষড়যন্ত্রে সপরিবার শাহাদাত বরণ করেন। কিছু বিপথগামীসেনা সদস্য এ কাজে নিয়োজিত ছিল এবং তারাই হাজারবছরের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মেরে ফেলল। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাসকরতে পারেননি যে, তাঁকে কেউ মারতে পারে।উপর্যক্ত চরিত্রের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে- নিষ্ঠুরতাকৃতজ্ঞতাবিশ্বাসঘাতকতানিচের কোনটি সঠিক?
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেন?
- 'নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?' উদ্দীপকের 'তস্কর' 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কোনটিপ্রতিনিধিত্ব করে?
- 'আমাদের কারও অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থোকবে না শেঠজি।'- উক্তিটি কার?
- বাংলার আপদে আজ লক্ষ কোটি বীর সেনাঘরে ও বাইরে হাঁকে রণধ্বনি, একটি শপথেআজ হয়ে যায় শৌর্য ও বীরগাথার মহানসৈনিক, যেন সূর্য সেন, যেন স্পার্টাকাস স্বয়ং সবাই।উদ্দীপকের বীরগাথা মহান সৈনিক, সূর্য সেনের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন কোন চরিত্রের অধিকতর সাদৃশ্য লক্ষ্যযোগ্য এবং কীভাবে?
- পুরানগড়ের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে মাতামুহুরী নদী। এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী নদীতে শত শত মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে যাচ্ছে। মেশিনের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত। অন্যদিকে, তারা এলাকার ধানি জমিগুলোকে ইটভাটা বানিয়ে কৃষি উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ইট পোড়ানোর কাঠ জোগান দিতে তারা নির্বিচারে বৃক্ষনিধন যজ্ঞে লিপ্ত হয়েছে। এলাকার পরিবেশবাদী সচেতন মহল ব্যাবসার নামে এই ধরনের পরিবেশ বিপর্যয়মূলক ভয়াবহ কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে প্রশাসনের নিকট এর প্রতিকার চায়। কিন্তু, ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে নানা কৌশলে তাদের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখে। পরিবেশবাদীরা মনে করেন, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই মানবিক বিপর্যয়ও ঘটে যেতে পারে। তাই ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগেই আছে।উদ্দীপকের পরিবেশবাদীদের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন চরিত্রের আদর্শিক মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। তার আত্মীয়স্বজন, পর্যন্ত তার বিরুদ্ধাচরণ করে। অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এই ষড়যন্ত্রের জাল ভেদ করতে পেরেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই পারেননি। পলাশির যুদ্ধে তিনি যেমন প্রতারিত হয়েছিলেন তেমনি ভাগ্য তার বিরুদ্ধে ছিল।উদ্দীপকের শেষ চরণটি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোকে প্রমাণ করো।