মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোনটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ? 

A. রূপা
B. সিলিকন 
C. তামা 
D. সিরামিক 
Poster Download
Dentalপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্সএন ও পি টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ও ডায়োড (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. সিলিকন 
Explanation:

Another Explanation (3):

নিচের কোনটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ?

  1. রূপা (Incorrect)
  2. সিলিকন (Correct)
  3. তামা (Incorrect)
  4. সিরামিক (Incorrect)

অর্ধপরিবাহী (Semiconductor)

অর্ধপরিবাহী হলো এমন পদার্থ যার তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী (conductor) এবং অন্তরক (insulator) পদার্থের মাঝামাঝি। অর্থাৎ, এদের পরিবাহিতা পরিবাহীর চেয়ে কম এবং অন্তরকের চেয়ে বেশি। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে অর্ধপরিবাহীর পরিবাহিতা বাড়ে।

বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী

বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী হলো সেইসব অর্ধপরিবাহী পদার্থ যাদের মধ্যে অন্য কোনো অপদ্রব্য মেশানো থাকে না। এদেরকে নিজ অর্ধপরিবাহী (Intrinsic Semiconductor) বলা হয়।

উদাহরণ

বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর কয়েকটি উদাহরণ হলো:

  • সিলিকন (Silicon - Si)
  • জার্মেনিয়াম (Germanium - Ge)
  • টিন (Tin - Sn)
  • কার্বন (Carbon - C) - কিছু রূপভেদ, যেমন গ্রাফাইট

বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ

  1. রূপা: রূপা একটি পরিবাহী পদার্থ, অর্ধপরিবাহী নয়। এর তড়িৎ পরিবাহিতা অনেক বেশি।
  2. সিলিকন: সিলিকন একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। এটি ইলেকট্রনিক শিল্পে বহুল ব্যবহৃত হয়।
  3. তামা: তামা একটি পরিবাহী পদার্থ, অর্ধপরিবাহী নয়। এর তড়িৎ পরিবাহিতা রূপার মতোই অনেক বেশি।
  4. সিরামিক: সিরামিক হলো অন্তরক পদার্থ, এর তড়িৎ পরিবাহিতা খুবই কম।

সিদ্ধান্ত

উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারি যে সিলিকন একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ।

সঠিক উত্তর: B. সিলিকন

Another Explanation (5):

বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী: সিলিকন 🧐

বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী বলতে বোঝায় এমন একটি পদার্থ যার মধ্যে অন্য কোনো ভেজাল মেশানো নেই এবং যা সাধারণ তাপমাত্রায় বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ালে অথব??? বিশেষ অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে ওঠে।

সিলিকন কেন বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ? 🤔

  • পারমাণবিক গঠন: সিলিকনের সর্বশেষ কক্ষপথে ৪টি ইলেকট্রন থাকে। এটি অষ্টক পূরণের জন্য ৪টি সমযোজী বন্ধন (covalent bond) তৈরি করে।
  • বদ্ধন গঠন: বিশুদ্ধ সিলিকনে প্রতিটি সিলিকন পরমাণু তার চারটি প্রতিবেশী পরমাণুর সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকে। ফলে, সাধারণ তাপমাত্রায় খুব কম সংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে যা বিদ্যুৎ পরিবহনে অংশ নিতে পারে।
  • ভেজাল মেশানোর প্রভাব: যখন সিলিকনে আর্সেনিক বা বোরনের মতো ভেজাল মেশানো হয়, তখন এর পরিবাহিতা অনেক বেড়ে যায়। আর্সেনিক মেশালে অতিরিক্ত ইলেকট্রন (n-type অর্ধপরিবাহী) এবং বোরন মেশালে হোলের (p-type অর্ধপরিবাহী) সৃষ্টি হয়।
  • তাপমাত্রার প্রভাব: তাপমাত্রা বাড়লে সিলিকনের কিছু সমযোজী বন্ধন ভেঙে যায় এবং মুক্ত ইলেকট্রন ও হোলের সৃষ্টি হয়, যা বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে। 🔥

অন্যান্য অর্ধপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ 🧲

উপাদান বৈশিষ্ট্য ব্যবহার
জার্মেনিয়াম (Germanium) সিলিকনের মতো, তবে তাপমাত্রা সংবেদনশীল। ট্রানজিস্টর, ডিটেক্টর।
গ্যালিয়াম আর্সেনাইড (Gallium Arsenide) সিলিকনের চেয়ে দ্রুতগতির, তবে দাম বেশি। LED, সোলার সেল।

সিলিকনের ব্যবহার ⚙️

  1. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC): কম্পিউটার, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়। 📱💻
  2. ট্রানজিস্টর: অ্যামপ্লিফায়ার এবং সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 💡
  3. সোলার সেল: সূর্যের আলোকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে। ☀️
  4. সেন্সর: তাপমাত্রা, আলো, চাপ ইত্যাদি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। 🌡️

সুতরাং, সিলিকন তার গঠন এবং ব্যবহারের কারণে একটি আদর্শ বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী হিসেবে বিবেচিত হয়। ✅