‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'স্পর্ধায় নেয় মাথা
তোলবার ঝুঁকি।'- চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছে
তরুণদের—
A.
আত্মনির্ভরতা
B.
দৃঢ়তা
C.
স্বাবলম্বিতা
D.
আত্মম্ভরিতা
সঠিক উত্তরঃ
A.
আত্মনির্ভরতা
Explanation:
স্পর্ধা শব্দের অর্থ দম্ভ। আঠারো বছর বয়সে তরুণরা পরনির্ভরশীলতা পরিহার করে স্বনির্ভর হয়ে উঠে। নিজের সমস্যা নিজেরা সমাধান করার চেষ্টা করে। একে ঝুঁকিপূর্ণ ও ঔদ্ধত্য বলে মনে হলেও তাদের জন্য এটাই হয়ে ওঠে স্বাভাবিক।
Related Questions (Any University/Year)
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- এ কথা দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
- 'আঠারাে বছর বয়স' কবিতার মূলসুর-
- আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল ।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের সঙ্গে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো-ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদাবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকিনিচের কোনটি সঠিক?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী' বলতে কী বোঝায়?
- বাংলাদেশের সড়ক পথে হতাহতের ঘটনা কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল নয় দিনের একটি আন্দোলন 'নিরাপদ সড়ক চাই।' এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। আন্দোলনের রেশ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা দেশে।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে-প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণটি কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারের আর নিছক কৌতূহলের বশে 'ব্লু হোয়েল' নামক অনলাইন গেমের মরণজালে জড়িয়ে সোনালি তার জীবন বিপন্ন করে তোলে। অথচ শমী হাসান মায়ের মৃত্যুর পর শোককে শক্তিতে পরিণত করে দরিদ্র হরিজন পল্লিতে সেবামূলক কাজ শুরু করে। পানিবাহিত রোগের কারণে যেন কারো মৃত্যু না ঘটে সেই বিষয়ে কাজ করে শমী আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা গ্লোবাল সিটিজেনের নিরাপদ পানি, সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক তরুণ মুখপাত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে শমী হাসানের কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করো।
- ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচাওরে সবুজ ওরে অবুঝআধ-মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরেআজকে যে যা বলে বলুক তোরে,সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে।পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচাআয় দূরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।উদ্দীপকে 'কিশোরের হাতে সূর্য জেগে উঠা', 'আঠারো বছর বয়স' করিতার যে দিকে ফুটিয়ে তুলেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- পাড়ার সকলের প্রিয় পন্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পন্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে-এ সবে পল্টই সর্বাগ্রে।পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোথায় ছিল?
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।'উদ্দীপকটির বক্তব্য 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বক্তব্যের সাথে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- আঠারো বছর বয়স, পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?
- রফিক মার্চের উত্তাল সময়ে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। গ্রামে এসে সে সমবয়সিদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা যুদ্ধের ট্রেনিং নিতে ভারতে যাবে। পরিবারের উদ্দেশ্যে চিরকুট লিখে সবাই রাতের আঁধারে ঘর ছাড়ে।উদ্দীপকের রফিকের মধ্যে আঠারো বছর বয়সের কোন দিকটি স্পষ্ট? ব্যাখ্যা করো।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- ব্যাখ্যা কর।
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- 'আঠারো বছর বয়স' বিপদের মুখে কী?
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?