মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিচের কোন পদার্থটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী? 

A. কাঁচ
B. কাঠ 
C. লোহা 
D. সিলিকন 
Poster Download
Dentalপদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রআধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনাগ্যালিলিও ও লরেঞ্জ রূপান্তর (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. সিলিকন 
Explanation:

কাঁচ ও কাঠ অন্তরক পদার্থ,লোহা সুপরিবাহী এবং সিলিকন সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী।

Another Explanation (5):

সিলিকন: একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ 🧐

সিলিকন (Si) পর্যায় সারণীর ১৪ নম্বর গ্রুপের একটি মৌলিক পদার্থ। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor)। এর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য একে ইলেকট্রনিক্স শিল্পে অপরিহার্য করে তুলেছে। চলো, এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক:

অর্ধপরিবাহী কী? 🤔

অর্ধপরিবাহী হলো সেইসব পদার্থ যাদের পরিবাহিতা (Conductivity) পরিবাহী (Conductor) এবং অন্তরকের (Insulator) মাঝামাঝি। অর্থাৎ, এরা প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। তাপমাত্রা বাড়লে এদের পরিবাহিতা বাড়ে।

সিলিকনের বৈশিষ্ট্য 🌟

  • চতুঃযোজী (Tetravalent): সিলিকনের চারটি যোজ্যতা ইলেকট্রন (Valence electron) রয়েছে।
  • স্ফটিক গঠন (Crystal Structure): সিলিকন একটি নির্দিষ্ট স্ফটিক কাঠামোতে আবদ্ধ থাকে, যা এর ইলেকট্রনিক বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।
  • পরিবাহিতা: সাধারণ তাপমাত্রায় এটি অন্তরকের মতো আচরণ করে, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়ালে অথবা ভেজাল মেশালে (Doping) এর পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
  • প্রাচুর্যতা: এটি পৃথিবীর ভূত্বকের দ্বিতীয় প্রাচুর্যপূর্ণ উপাদান। 🌎

সিলিকন কেন অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? ⚙️

সিলিকনকে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহারের প্রধান কারণগুলো হলো:

  1. সহজলভ্যতা: সিলিকন প্রকৃতিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। 💰
  2. উৎপাদন খরচ: অন্যান্য অর্ধপরিবাহীর তুলন??য় এর উৎপাদন খরচ কম। 🏭
  3. ভেজাল মেশানোর সুবিধা: সিলিকনে খুব সহজেই ভেজাল (যেমন: ফসফরাস, বোরন) মিশিয়ে এর পরিবাহিতা পরিবর্তন করা যায়। 👌
  4. তাপীয় স্থিতিশীলতা: এটি অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রায় কাজ করতে সক্ষম। 🔥

ভেজাল মেশানো (Doping) 🧪

সিলিকনের পরিবাহিতা বাড়ানোর জন্য এর মধ্যে ভেজাল মেশানো হয়। এই প্রক্রিয়াকে ডোপিং (Doping) বলে। দুই ধরনের ডোপিং করা হয়:

  1. N-টাইপ ডোপিং (N-type Doping): পঞ্চযোজী (Pentavalent) মৌল (যেমন: ফসফরাস) মেশানো হলে অতিরিক্ত ইলেকট্রন তৈরি হয়, যা বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে। ➡️
  2. P-টাইপ ডোপিং (P-type Doping): ত্রিযোজী (Trivalent) মৌল (যেমন: বোরন) মেশানো হলে হোলের (Hole) সৃষ্টি হয়, যা ইলেকট্রনের অভাব পূরণ করে বিদ্যুৎ পরিবহনে সাহায্য করে। ⬅️

ব্যবহার 📱💻🖥️

সিলিকনের বহুল ব্যবহার রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

ক্ষেত্র ব্যবহার
ইলেকট্রনিক্স ট্রানজিস্টর, ডায়োড, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) তৈরিতে
সৌর প্যানেল সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে
কম্পিউটার কম্পিউটারের চিপ (Chip) তৈরিতে
মোবাইল ফোন মোবাইল ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশে

অতিরিক্ত তথ্য ➕

  • সিলিকন কার্বাইড (SiC) এবং সিলিকন জার্মেনিয়াম (SiGe)-ও বিশেষ ক্ষেত্রে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • সিলিকন বিষয়ক গবেষণা এখনো চলছে, এবং এর নতুন নতুন ব্যবহার উদ্ভাবিত হচ্ছে। 🚀

আশা করি, এই আলোচনা থেকে সিলিকন সম্পর্কে একটি স্পষ???ট ধারণা পেয়েছ। শুভ কামনা! 👍