কোনটি কাব্য নয়?
A. আরব্য রজনীর রাজহাঁস
B. দিবারাত্রির কাব্য
C. বীরাঙ্গণা কাব্য
D. বিদীর্ণ দর্পণে মুখ
সঠিক উত্তরঃ
B.
দিবারাত্রির কাব্য
Explanation:
দিবারাত্রির কাব্য মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত তুমুল জনপ্রিয় এবং আলোচিত উপন্যাস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৫ সালে।
Related Questions (Any University/Year)
- 'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?'-কথাটি কার?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে বর্ণিত সত্য অন্তরে ধারণ করলে একজন মানুষ কী হবে?
- নিচের কোনটি কাব্য নয়?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে পথপ্রদর্শক কে?
- গোটা মানব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার মূলে কী রয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগ্রন্থ কোনটি?.
- স্বামী বিবেকানন্দ আত্মবিশ্বাসকে একটি অতীব জরুরি গুণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস। নিজের উপর বিশ্বাস থাকলে তবেই অন্তরে দেবত্ব জাগ্রত হয়। তাই তিনি বলেন, 'তেত্রিশ কোটি দেব-দেবীতে বিশ্বাস থাকলেও কারো যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে, তবে সে মুক্তি পাবে না।''বিশ্বের ইতিহাস হলো কয়েকজন আত্মবিশ্বাসম্পন্ন মানুষের ইতিহাস।' মন্তব্যটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- অমিত বাবু ভূমি অফিসের একজন নায়েব। তিনি সৎ, দক্ষ, এবং স্বনামে এলাকায় পরিচিত। শুধু তার কারণে তার অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না। তিনি নিজ উদ্যোগে একদিন একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিলেন ভূমি অফিসে। তাতে লেখা "এই অফিসে কোনো ঘুষের লেনদেন হয় না।" বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে, কিন্তু তার সহকর্মীরা বিষয়টি সহজভাবে নেননি। কেবল অমিত বাবুর কারণে তাদের বাড়তি আয় কমে গেছে। তারা ষড়যন্ত্র করে তাকে অফিস হতে বিতাড়নের চেষ্টা করেন। তার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে, কিন্তু অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায় না। অমিত বাবু সত্যের পথে ছিলেন অবিচল, তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি কোনো দিন।উদ্দীপকে 'আমার পথ' প্রবন্ধের কোন বিশেষ দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? বিশ্লেষণ করো।
- 'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?
- ‘আমার’ পথ রচনাটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
- শফিক চৌধুরী সারাটি জীবন শিক্ষকতা করেছেন, গড়েছেন আলোকিত মানুষ। অবসরগ্রহণের পর তিনি গড়ে তুলেছেন "পরোপকার" নামে সেবা-সংগঠন। বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কাজের পাশাপাশি পথশিশুদের শিক্ষাদান, দুর্নীতি-বিরোধী অভিযান, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন তিনি। অনেকে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন, আবার নিন্দা এবং কটূক্তি করতেও ছাড়েন না কেউ কেউ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন-মনেরে আজ কহ যেভালো মন্দ যাহাই আসুকসত্যরে লও সহজে।"উদ্দীপকের কবিতাংশের অনুভূতি চেতনায় ধারণ করে আলোকিত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।"- 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।উদ্দীপকের সুভাষ চরিত্রের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের সংগতিপূর্ণ বিষয়ের যৌক্তিক রূপ তুলে ধরো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান ?
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
- 'বিষের বাঁশি' উপন্যাসটি লিখেছেন কে?
- বর্তমান কালের যুবক-যুবতিদের মধ্যে পরনির্ভরশীলতা বাড়ছে। নিজের শক্তি সম্পর্কেও পার্বতী ও বিলাসী চরিত্রের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। তারা অবগত নয়। নিজের অপরিসীম শক্তি সম্পর্কে জানলে তারা অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পেত। পরের দিকে চেয়ে থাকার জন্য তাদের মন আজ মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি।উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের বক্তব্য কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?
- লর্ড কারমাইকেলের নাম কোন রচনায় উল্লেখ রয়েছে?
- 'আমার পথ' কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম কে সাবলম্বী হতে শিখিয়েছেন -
- 'আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।'-ব্যাখ্যা করো।