ইনসুলিন হচ্ছে -
NITORজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ রসায়নপ্রোটিন বা আমিষ (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
প্রোটিন
Another Explanation (5): ইনসুলিন হচ্ছে একটি প্রোটিন। এটি শরীরের মূল গ্রন্থি প্যানক্রিয়াস দ্বারা উৎপাদিত হয়ে রক্তে নিঃসরণ হয়। ইনসুলিনের মূল কাজ হলো রক্তের গ্লুকোজ (শর্করা) শোষণ করে কোষে প্রবেশে সহায়তা করা, ফলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
উপযুক্ত ব্যাখ্যা:
- প্রোটিন: ইনসুলিন একটি প্রোটিন অণু, যা অ্যামিনো অ্যাসিডের চেইন দিয়ে গঠিত।
- গঠন: এটি ছোট আকারের একটি হরমোন, যা বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি।
- কাজ: শরীরে গ্লুকোজের স্তর নিয়ন্ত্রণ করে, ফলে ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option A Explanation:
- নিউক্লিক এসিড: নিউক্লিক এসিড হলো এক ধরনের জৈব যৌগ যা ডিএনএ (DNA) এবং আরএনএ (RNA) এর মূল উপাদান।
- এগুলি জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ এবং স্থানান্তর করে থাকে।
- নিউক্লিক এসিডের মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা একটি প্যারিন, একটি ফসফেট গ্রুপ এবং একটি নাইট্রোজেন ভিত্তি দিয়ে গঠিত।
- নিউক্লিক এসিডের গঠন এবং ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে জীবের জীববিদ্যা প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।
Option B Explanation:
- প্রোটিন: প্রোটিন হলো জৈব যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত। এটি জীবজগতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা শরীরের গঠন, কোষের কার্যক্রম এবং বিকাশে গুরুত্???পূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- প্রোটিনগুলি শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সমর্থন করে, যেমন হরমোন তৈরী, এনজাইমের কার্যকলাপ, এবং অ্যান্টিবডি গঠন।
- প্রোটিনের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, যেমন স্ট্রাকচারাল প্রোটিন, এনজাইম, হরমোন, এবং অ্যান্টিবডি।
- প্রোটিনের উপাদানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।
Option C Explanation:
- এমাইনোএসিড: এটি প্রোটিনের মূল উপাদান।
- প্রতিটি এমাইনোএসিডের মধ্যে একটি অ্যামাইন গ্রুপ (-NH₂) এবং একটি কার্বক্সিল গ্রুপ (-COOH) থাকে।
- এমাইনোএসিডগুলো বিভিন্ন ধরণের প্রোটিনের গঠন করে, যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সাধারণত, জীবিত কোষে ২০টি প্রধান এমাইনোএসিড পাওয়া যায়।
- প্রতিটি এমাইনোএসিডের নিজস্ব গঠন এবং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা প্রোটিনের গঠন ও কার্যকারিতা নির্ধারণ করে।
Option D Explanation:
- অ্যালকোহল: পাকা ফলের সুগন্ধের প্রধান কারণ হলো অ্যালকোহল। ফলের মধ্যে থাকা অ্যালকোহল যেমন ইথানল, ফলের প্রক্রিয়াকরণ ও পরিপক্কতার সময় উৎপন্ন হয়। এই অ্যালকোহলই ফলের স্বাদ ও গন্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে থাকে, যা ফলের সুগন্ধে বিশেষ করে কাজ করে।