
C পরজীবীর সংক্রমণ ঘটে কীসের মাধ্যমে?
সঠিক উত্তরঃ
B.
পানির মাধ্যমে
Another Explanation (5): প্রশ্নের ছবিতে দেওয়া চিত্রটি দেখলে বোঝা যায় যে, C পরজীবী সংক্রমণের মূল মাধ্যম হলো পানির মাধ্যমে। নিচে এই সংক্রমণের পদ্ধতি ও কারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- প্রথমত, পানির মাধ্যমে সংক্রমণ: বেশিরভাগ পরজীবী যেমন আমিবা, লাইম ট্রেপোজোইট, ইত্যাদি পানি মুখে গ্রহণের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে।
- দ্বিতীয়ত, দূষিত পানি: যখন পানির উৎস দূষিত হয় এবং পরজীবীর জীবাণু উপস্থিত থাকে, তখন এই পানি পান করলে পরজীবী শরীরে প্রবেশ করে।
- তৃতীয়ত, জলবাহী পরিবেশ: সাধারণত অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন পানীয় জল বা জলাশয় থেকে এই পরজীবী ছড়ায়।
- চতুর্থত, সংক্রমণের প্রক্রিয়া: পরজীবী জল বা পানির মধ্যে থাকে এবং তা খাওয়ার মাধ্যমে বা পানির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে, ফলে সংক্রমণ ঘটে।
Option A Explanation:
- Aedes মশকী: এটি একটি প্রজাতির মশক, যা বিভিন্ন রোগের সংক্রমণের জন্য দায়ী।
- বিশেষ করে, এটি ডেঙ্গু রোগের মূল বাহক।
- এছাড়াও, এটি চিকুনগুনিয়া এবং জিকা ভাইরাসের সংক্রমণের জন্য দায়ী।
- এদের দ্বারা সংক্রমণ সাধারণত তাদের কামড়ের মাধ্যমে ঘটে।
- এরা সাধারণত দিনে সক্রিয় থাকে এবং জলাধার বা স্থির পানির স্তূপে ডিম পাড়ে।
Option B Explanation:
- পানির মাধ্যমে সংক্রমণ সাধারণত জলজ পরিবেশে থাকা পরজীবীর জীবনচক্রের অংশ হয়।
- এটি বিভিন্ন প্রকারের পরজীবী বা জীবাণুর সংক্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোআ কুল পানির মধ্যে প্রজনন করে এবং সংক্রমিত পানি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মানুষের দেহে প্রবেশ করতে পারে।
- পানির মাধ্যমে সংক্রমণ সাধারণত জলজ জীবজন্তু বা জলাশয়ে থাকা পরজীবীর মাধ্যমে ঘটে, যা মানুষের পানীয় জল বা অপরিষ্কৃত জল ব্যবহার করার ফলে সংক্রমিত হয়।
Option C Explanation:
- Anopheles মশকী: এটি একটি মশকী প্রজাতি যা মূলত ম্যালেরিয়ার সংক্রমণের জন্য দায়ী।
- ম্যালেরিয়ার জীবাণু (Plasmodium) এই মশকীর মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে।
- Anopheles মশকী সাধারণত গভীর রাতে মানুষকে কামড় দেয় এবং এর মাধ্যমে জীবাণু ছড়ানো হয়।
- এই মাছকীর সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হয়, যেমন মশারির ব্যবহার ও কীটনাশক স্প্রে।
Option D Explanation:
- অ্যাফিড পতঙ্গ: অ্যাফিড বা পিঁপড়া পতঙ্গগুলি সাধারণত উদ্ভিদের উপর বসবাস করে এবং তারা বিভিন্ন উদ্ভিদজনিত রোগের সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম।
- সংক্রমণের পদ্ধতি: এগুলি মূলত উদ্ভিদের রক্তচোষা বা ক্ষতিকর অংশে প্রবেশের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে, যেমন উদ্ভিদের ক্ষত বা ছিদ্রের মাধ্যমে।
- প্রভাব: অ্যাফিড পতঙ্গগুলি বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, এবং ছত্রাকের সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম, যা উদ্ভিদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
- প্রাকৃতিক উপায়ে সংক্রামণ: পতঙ্গের মাধ্যমে সংক্রমণের জন্য কোনও সরাসরি মানব বা প্রাণীর সংস্পর্শের প্রয়োজন হয় না; বরং এটি মূলত পতঙ্গের মাধ্যমে উদ্ভিদ বা ক্ষুদ্র জীবজন্তুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।