কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
A. মৃত্যুক্ষুধা
B. আলেয়া
C. ঝিলিমিলি
D. মধুমালা
সঠিক উত্তরঃ
A.
মৃত্যুক্ষুধা
Explanation: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু কবিতাই নয় গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও নাটক রচনায়ও ছিলেন সিদ্ধহস্ত। তার রচিত ৩টি উপন্যাস হলো ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭), ‘মৃত্যুক্ষুধা’ (১৯৩০) এবং ‘কুহেলিকা’ (১৯৩১)। প্রশ্নে উল্লিখিত ‘আলেয়া’ (১৯৩১), ‘ঝিলিমিলি’ (১৯৩০) ও ‘মধুমালা’ (১৯৫৯) তার রচিত নাটক।
Related Questions (Any University/Year)
- 'মেকি' শব্দের অর্থ কী?
- 'মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম।'-উক্তিটির তাৎপর্য কী?
- আমি জীবনে অনেক আত্মপ্রবঞ্চনা করে করে অন্তরে অশেষ যন্ত্রণা ভোগ করেছি। কত রাত্রি অনুশোচনায় ঘুম হয় নাই। এখন ভুল বুঝতে পেরেছি। এখন সোজা এই বুঝেছি যে, আমি যা ভালো বুঝি, যা সত্য বুঝি, শুধু সেটুকু প্রকাশ করব, বলে বেড়াব। তাতে লোকে যতই নিন্দা করুক, আমি আমার কাছে ছোট হয়ে থাকব না, আত্মপ্রবঞ্চনা করে আর আত্মনির্যাতন ভোগ করব না।উদ্দীপকটিতে 'আমার পথ' প্রবন্ধটির আংশিক দিক প্রতিফলিত হয়েছে- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা উপন্যাস?
- কাজী নজরুল ইসলামের কোন বইটি বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
- কাজী নজরুল ইসলামের মতে, কিসের মধ্য দিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়?
- কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম নিজেকে নিজের ক্ষেত্রে তুলনা করেছেন যেটির সঙ্গে, সেটিই হলো-কর্ণধারপথপ্রদর্শককান্ডারিনিচের কোনটি সঠিক?
- 'আমার আমি সে কত অতল অসীম,'আমিই কি জানি-কে জানে কে আছে আমাতে মহামহিম'।"উদ্দীপকটি 'আমার পথ' প্রবন্ধের সার্থক পূর্ণাঙ্গ প্রতিবিম্ব নয়।"-উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- ও রকম বিনয়ের অহংকারের ....... অনেক ভালো। আমার পথ শীর্ষক রচনায় এই বাক্যে শূন্যস্থানে বসবে-
- 'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে কোনটি সবচেয়ে বড় দাসত্ব?
- শোভনা গ্রামের শিক্ষিত পরোপকারী সন্তান সুভাষ। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবন মান পরিবর্তন, শিক্ষা বিস্তার ও বাল্যবিবাহ রোধে গড়ে তুলেছে 'যুব সংঘ' নামক একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন সে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করে। এলাকার অনেকেই এ কাজকে প্রশংসা করলেও নিন্দুকেরা নিন্দা করতে ছাড়েনি। কিন্তু সুভাষ নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে তার কাজে অটল থেকেছে। কারণ, সে জানে জাতি শিক্ষিত হলে সমাজের কুসংস্কার দূর হবে।"উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর তাৎপর্য 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল ভাবনাকে ইঙ্গিত করে।"-'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক কাকে সালাম জানিয়েছেন?
- ‘আগুনের সম্মার্জনা’ বলতে কাজী নজরুল ইসলাম কী বুঝিয়েছেন?
- "মানুষ মাত্রই ভুল করে। জীবনের চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে কোনোলজ্জা নেই।' ভুল থেকেই মানুষ সঠিক শিক্ষাপেতে পারে।উদ্দীপকটি কোন লেখকের লেখার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- স্বপ্নচূড়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মি. রহমান রাশভারি মানুষ। কর্মচারীরা আনুগত্যের ভাব প্রকাশে তাঁর সব কথাতেই হ্যাঁ স্যার, জি স্যার করেন। কেবল মতিন সাহেব তা করেন না। যেটি ঠিক সেখানে হ্যাঁ, যেটি ঠিক নয় সেখানে না বলেন। সহকমিরা মতিন সাহেবকে গোঁয়ার ও বেয়াদব ভাবেন। চেয়ারম্যান সাহেবও মাঝে মধ্যে মতিন সাহেবের গোঁয়ারতুমিতে বিরক্ত হন। হঠাৎ কোষাধ্যক্ষের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে লোভনীয় এ পদে পদায়ন পেতে সহকর্মীরা চেয়ারম্যানকে তোয়াজ করতে থাকে। অবশেষে চেয়ারম্যান যেদিন উক্ত পদের নিয়োগপত্র ইস্যু করেন তা দেখে সবার চোখ ছানাবড়া। কারণ সেই পদের নিয়োগপত্র পান মতিন সাহেব।'মতিন সাহেবের আমিত্ব তাঁকে উক্ত পদের সম্মানে ভূষিত করে'- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে আমিত্বের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস করতেই শেখাচ্ছিলেন কে?
- 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- প্রাবন্ধিক নিজেকে 'অভিশাপ রথের সারথি' বলে অভিহিত করেছেন কেন?