নিম্নের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয়?
A. শেষ লেখা
B. জন্মদিন
C. শেষের কবিতা
D. পুনশ্চ
সঠিক উত্তরঃ
C.
শেষের কবিতা
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- অতুলনীয় মাতৃস্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃস্নেহের প্রাবাল্যে মানুষ আপনাকে হারাইয়া আসল শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না। নিয়ত মাতৃস্নেহের অন্তরালে অবস্থান করিয়া আত্মশক্তির সন্ধান সে পায় না- দুর্বল অসহায় পক্ষীশাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়।উদ্দীপকে বর্ণিত সন্তানের সঙ্গে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ নাইট উপাধি ত্যাগ করেন কোন সালে?
- সুকান্ত ভাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংগৃহীত?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম শীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।"উদ্দীপকের বিক্রম শীল এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের হীনমানসিকতার কারণেই তৎকালীন সমাজে যৌতুক প্রথা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছিল।"- আলোচনা করো।
- 'অলঙ্কার' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
- বাবা না থাকায় চাচাই মূলত, বিয়ের সময় সবুজের অভিভাবক হয়ে ওঠেন। বিয়ের কথাবার্তা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখন চাচার অস্বাভাবিক যৌতুক দাবির কারণে মেয়ের বাবা নারাজ হন। এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন।'এমন লোভী পরিবারে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন'- 'অপরিচিতা' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পের খাদযুক্ত গহনাটির নাম কী?
- হঠাৎ নিরীহ মাটিতে কখনজন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধানগত আকালের মৃত্যুকে মুছেআবার এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।
- নূপুরের ধ্বনিকে এককথায় কী বলে?
- প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ নয়?
- একসাথে আছি একসাথে বাঁচিআজও একসাথে থাকবইসব বিভেদের রেখা মুছে দিয়েসাম্যের ছবি আঁকবই।উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিম্নের যে বিষয়টির কথা বলা হয়েছে-
- ’মজিনু বিফল তপে অবরণ্যে বরি/কেলিনু শৈবালে বুলি, কমল-কানন।' চরণটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম ??ীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।ওপরের উদ্দীপকে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? বিচার করো।
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছি??? না...........।ডাক্তার অপূর্ব এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম যেদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- কন্যাকে আশীর্বাদ করার জন্য কাকে পাঠানো হলো?
- 'ঠাট্টা তো আপনিই করিয়া সারিয়াছেন'- বুঝিয়ে দাও।
- 'তাহা হইলে তাশার যেটুকু বাকি আছে তাহা পুরা হইবে। এটা বুঝিয়ে দেয়-
- 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সিদ্দিকা। ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসের সঙ্গে তার বিয়ের কথা পাকা হয়। লফিতের চাচার ছিল সম্পদের লোভ কিন্তু সিদ্দিকার বড় ভাই সোলেমান তার বোনকে সম্পত্তি লিখে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাই চাচা লতিফ আলমাসকে অন্য এক বিত্তশালী বিধবার কন্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার পর সিদ্দিকার সঙ্গে লতিফের যখন দেখা হয় তখন বিপত্নীক লতিফ সিদ্দিকাকে পুনরায় বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সিদ্দিকা সবকিছু জানার পর লতিফকে ক্ষমা করে কিন্তু সংসার করার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। কারণ ততদিনে সে নারী মুক্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত হয়ে জীবনের উদ্দেশ্যকে বদলে ফেলেছে।"প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'অপরিচিতা' গল্পের মূল লক্ষ্য একই।"-বিশ্লেষণ কর।
- কাকে 'মাকাল ফল' বলে বিদ্রূপ করা হয়েছে?
- কোনজন ‘চর্যাপদ’ এর কবি?