'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আবুল ফজল চেয়েছেন—
A.
মুক্তবুদ্ধির বিকাশ
B.
পারস্পরিক সম্প্রীতি
C.
সাম্যবাদী সমাজ
D.
পট পরিবর্তন
সঠিক উত্তরঃ
A.
মুক্তবুদ্ধির বিকাশ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল ছাত্র জীবনে কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- মাদার তেরেসা আশৈশব স্বপ্ন দেখেন মানবসেবার। একসময় যোগ দেন খ্রিষ্টান মিশনারির সঙ্গে। মানুষকে আরও কাছে থেকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠা করেন মিশনারিজ অব চ্যারিটি। তার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আরো অনেকেই এগিয়ে আসেন এ মহান কাজে। এক সময় এ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। সারাজীবনে তাঁর সবটুকু উপার্জনই বিলিয়ে দেন মানবের কল্যাণে। যে মানুষ হবে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বাবলম্বী মানুষ। এজন্যই তাঁর চ্যারিটি'গতানুগতিক কোনো সেবা-সংস্থা নয়।উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- অনশন ধর্মঘটের ব্যাপারে আলোচনার কথা বলেবঙ্গবন্ধুকে কোন তারিখে জেলগেটে আনা হয়েছিল?
- কোভিড-১৯ এর সময়ে 'পদ্মরাগ' নামক সামাজিক সংগঠনটি ছিন্নমূল মানুষদের এক বেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষকে খাবার দিয়েও প্রতিষ্ঠানটি তৃপ্ত হতে 'পারেনি। ইদানীং সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধি হয়েছে যে, তাঁরা প্রতি মাসে একজন করে ছিন্নমূল মানুষকে আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত করে পরাবলম্বন থেকে মুক্তি দেবেন।পদ্মরাগ সংগঠনটির সদস্যদের নতুন উপলব্ধির মাঝে কি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূল বক্তব্য নিহিত রয়েছে ? তোমার যুক্তি দাও।
- প্রাবন্ধিক আবুল ফজল কোন আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
- ধনাঢ্য জামাল সাহেব এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষদের প্রচুর দানখয়রাত করেন। ছবি তুলে তিনি এসব দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন। এলাকায় তিনি জনদরদি হিসেবে পরিচিত।জামাল সাহেবের দানখয়রাতকে কি মানব-কল্যাণ বলা হয়? 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আলোকে তোমার মতামত দাও।
- ‘পিজিন ভাষা' কী ধরণের ভাষা?
- অক্ষরের মানদন্ডকে কী বলে?
- কোনটি খাঁটি বাংলা শব্দ ?
- ‘লড়াই’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- নিচের কোনটি অনুসরণ করে আমরা সত্যিকারের মানবকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে পারব-মহৎপ্রতিভামহৎ ব্যক্তির আদর্শসমাজসংস্কারনিচের কোনটি সঠিক?
- মানব-কল্যাণ কীভাবে মানব-মর্যাদার সহায়ক হয়ে উঠবে? ব্যাখ্যা করো।
- 'আমাদের বিশ্বাস মুক্তবুদ্ধির সহায়তায় সুপরিকল্পিত পথেই কল্যাণম?? পৃথিবী রচনা সম্ভব।'- ব্যাখ্যা করো।
- মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে 'র্যাশনাল' শব্দের অর্থ কী?
- বাংলা ভাষার দন্তমূলীয় মূ্র্ধণ্য বর্ণ হলো-
- আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী পরে সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।উদ্দীপকের ভাবার্থ 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের যে ভাব নির্দেশ করে তা হলো-
- "তা করা হলেই মানব-কল্যাণ হয়ে উঠবে মানব-মর্যাদার সহায়ক।"- ব্যাখ্যা কর।
- ভোগ ও ত্যাগ মানবের আত্মাবনতি ও আত্মমুক্তির রক্তাক্ত দলিল। ভোগাকাঙ্ক্ষা মানবের সীমাহীন দুঃখের কারণ। ত্যাগ মানুষকে রিক্ত করে না। বরং পূর্ণতাই এনে দেয়। দেয়। অপরের হিতার্থে যিনি নিজের জীবন অকাতরে বিলিয়ে দেন, মৃত্যুর পর তিনি আরও বড়ো মানুষ হিসেবে অমর হয়ে থাকেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, 'নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।' আমরা যখন। ভোগের জীবন-যাপন করি, তখন শুধু নিজের জন্য বাঁচি। এ বাঁচা মৃত্যুর সাথেই শেষ হয়ে যায়। যখন ত্যাগের জীবন-যাপন করি, তখন পরের জন্যও বাঁচি। এ জীবনের ত্যাগ থাকলে জীবন অর্থবহ হয়। ত্যাগের মনোভাব মানুষকে মহৎ করে তোলে, অন্তরকে অপার আনন্দে পূর্ণ করে দেয়।উদ্দীপকে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের প্রতিফলিত দিকটি পর্যালোচনা করো।
- আবুল ফজল কত বছর কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন?
- মানুষের মনস্তত্ত্বে ক্ষমা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রভৃতি গুণ থাকা আবশ্যক। মননশীলতার চর্চায় তাই শ্রদ্ধাবোধ, শিষ্টাচার প্রভৃতি গুণ ব্যক্তিকে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আদর্শ নাগরিক। হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে।উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণাবলি মানব-কল্যাণ সাধনে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।