‘তোহফা’ কাব্যটি কে রচনা করেন?
A. দৌলত কাজী
B. মাগন ঠাকুর
C. সাবিরিদ খান
D. আলাওল
সঠিক উত্তরঃ
D.
আলাওল
Explanation: আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভার অন্যতম প্রধান সভাকবি ছিলেন মহাকবি আলাওল। তিনি আনুমানিক ১৬০৭ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানার জোবরা গ্রামে মতান্তরে ফরিদপুরের ফতেহাবাদÔ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন। মাগন ঠাকুরের প্রেরণায় তিনি কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। তার রচিত কাব্যগ্রন্থগুলি হলো- ‘পদ্মাবতী’, ‘সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল’, ‘সিকান্দরনামা’, ‘হপ্তপয়কর’, ‘তোহফা বা তত্ত্বোপদেশ’, ‘রাগতালনামা’ এবং দৌলত কাজীর অসমাপ্ত ‘সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী’। ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীরের হিন্দিকাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে রচিত।
Related Questions (Any University/Year)
- কমলাকান্ত কোন বর্ণের ছিল?
- ‘আব্দুল্লাহ’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
- 'কবর' কবিতার সব শেষে কার মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে ?
- 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের দ্বিতীয় খন্ড বলা হয় কোনটিকে ?
- কোন রচনাটি সামাজিক -রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত নয়-
- তোমার পাঠ্য কোন রচনায় আদালত, এজলাস, জামিন, হাকিম ইত্যাদি শব্দ রয়েছে?
- ক) কাব্যাংশটির ভেতরের সংলাপে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি' নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কেন?খ) মেঘনাদের সংলাপের মূলভাব অনধিক পাঁচ বাক্যে ব্যক্ত কর।গ) যে ভঙ্গি ও স্বরে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ ঘৃণা ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ । ঘ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে কাব্যাংশটির সাদৃশ্য রয়েছে- কীভাবে?
- ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা-
- 'জীবন-বন্দনা' কোন কাব্যগ্রন্থের কবিতা?
- সওগাদ' শব্দের অর্থ-
- প্রমথ চৌধুরীর রচনা কোনটি?
- ‘রুপ লাগি আঁখি ঝুরে গুণে মন ভোর’ কার রচনা?
- চোরের চুরি করার কারণ-
- হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন- কবি রতন' বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- আমার পূর্ব বাংলা এক গুচ্ছ স্নিগ্ধঅন্ধকারের তমালঅনেক পাতার ঘনিষ্ঠতায়একটি প্রগাঢ় নিকুঞ্জসন্ধ্যার উন্মেষের মতোসরোবরের অতলের মতোকালো-কেশ মেঘের সঞ্চয়ের মতোবিমুগ্ধ বেদনার শান্তি।"উদ্দীপক ও 'এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে'- উভয় কবিতায় দেশপ্রেমই প্রবল হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনার অন্তরালে।"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
- “অর্ধাঙ্গী' রচনায় উল্লেখিত ভগিনীদের রোগের নাম কি?
- 'আমাদের জীবনটা ছিল যান্ত্রিক ' । কোন গল্প থেকে নেওয়া ?
- কোনটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস নয়?
- দীপ্ত সম্প্রতি তার বড়ো ভাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দর্শন করে আসে। জাদুঘরে গিয়ে সে প্রচুর আনন্দ লাভ করে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করে। সভ্যতা বিকাশের নানা নিদর্শন ও তথ্যচিত্র দেখে সে চমৎকৃত হয়। এতে সে মানসিক শক্তি অর্জনের প্রেরণা খুঁজে পায়। জাদুঘর দর্শন তার ভেতরে দেশপ্রেম ও জাঁতির প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। এখন সে নিজেকে চিনে ও জানে।"উদ্দীপকটি 'জাদুঘরে কেন যাব' প্রবন্ধের সামগ্রিক বিষয়বস্তুকে ধারণ করে না"-মন্তব্যটি যাচাই করো।