'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটি কার লেখা ?
A. সেলিনা হোসেন
B. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
C. আবুল ফজল
D. ইমদাদুল হক মিলন
E. আনিসুল হক
সঠিক উত্তরঃ
B.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে?'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।
- ধূর্ত তুহিন সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও ধর্মভীতিকে কাজেলাগিয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাবিজ বিক্রি ওপানিপড়া দিয়ে অর্থ উপার্জন করে। তার স্ত্রী সহজ-সরলশোভা স্বামীর প্রতি বিশ্বাস, আস্থা ও নির্ভরতায় অন্ধ। উদ্দীপকের শোভা 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে?
- মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-
- লালসালু উপন্যাসে 'প্রাণধর্মের সহজ প্রকাশে'র প্রতীক নারীচরিত্র-
- নিচু একটা জায়গা ভরাট করে গ্রামের ছেলেরা খেলার মাঠ বানাবে বলে চেয়ারম্যানকে প্রস্তাব করল। কিন্তু কিছুদিন পরে চেয়ারম্যান সাহেব সেখানে এক বিশাল মার্কেট তৈরি করল ।উদ্দীপকের চেয়ারম্যান 'লালসালু' উপন্যাসের কোনচরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে ?
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে'- ব্যাখ্যা কর।
- ওয়াজ করিবার সময় পীর সাহেবের প্রায়ই জযবা আসিত। সে জযবাকে মুরিদগণ 'ফানাফিল্লাহ্' বলিত। সেই 'ফানাফিল্লাহ্'র সময় পীর সাহেব 'জ্বলিয়া গেলাম', 'পুড়িয়া গেলাম' বলিয়া চিৎকার করিয়া চিৎ হইয়া শুইয়া পড়িতেন তাই জব্বার সময় একখণ্ড কালো মখমলের কাপড় দিয়া পীর সাহেবের চোখে মুখ ঢাকিয়া দিয়া তাহার হাত-পা টিপিয়া দিবার ওসিয়ত ছিল।উদ্দীপকের পীর সাহেবের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে তা নির্ণয় কর।
- মজিদের ভাষায় স্ত্রীলোকদের সন্তানাদি হয় না কেন?
- "লাল-সালু" উপন্যাসে বর্নিত গ্রামটির নাম কি?
- ঔপন্যাসিক মজিদের গ্রামে প্রবেশকে নাটকীয় বলেছেন কেন?
- মজিদ কীভাবে দিনের পর দিন তার আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়?
- 'লালসালু' উপন্যাসের মহাসমুদ্রের ডাককে অবহেলাকরে বালুতীরে কী যেন খোঁজে।'- বাক্যে প্রকাশপেয়েছে—
- 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসে বর্ণিত টুনি চরিত্রটি একটি কিশোরীসুলভ চপলতার প্রতীক। স্বামী ও সংসার সম্পর্কে সে ছিল একেবারেই অনভিজ্ঞ। সমবয়সিদের সাথে খেলাধুলা ও হাসি-তামাশা করতেই, তার বেশি ভালো লাগত। এই চপলা-চঞ্চলা টুনিকেই বিয়ে করে ঘরে আনে ষাট বছরের বুড়ো মকবুল। তাদের বয়সের বিস্তর ব্যবধান থাকায় স্বামী ও সংসারের সুখ তার কপালে জোটেনি।উদ্দীপকের টুনির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের যে চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে তা আলোচনা করো।
- 'ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে বাইরে যত ঠান্ডা থাকুকনা কেন' – কার ভেতরে ক্রোধের আগুন জ্বলছে?
- হিজলতলী গ্রামের মানুষগুলো অত্যন্ত পরিশ্রমী। তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের যুবক-বৃদ্ধ যুবক-বৃদ্ধ সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাজীপীর কিংবা বদরপীরের সাহায্যও কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকের ঘরেই হয়তো অভাব আছে কিন্তু তাদের দুঃখ-কষ্ট আছে কিনা তা বোঝা দায়। এদের দুঃখের কারণ প্রতারক শ্রেণির মানুষ। এরা সরল ও ধর্মপ্রাণ কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা এদের ঠকায়।উদ্দীপকের গ্রামবাসীর সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের মহব্বতনগর গ্রামের মানষের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বর্ণনা করো।
- 'খেলোয়াড় চলে গেছে, খেলবে কার সাথে।'-এখানে ‘খেলোয়াড়' কে?
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার ওপর তোয়াক্কল রাখো।' ব্যাখ্যা করো।
- মহব্বতনগরের নতুন পীরের, আগমনকে তুলনা করা হয়েছে-
- ‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক কে?
- শিমুলিয়া গ্রামের মানুষগলো অত্যন্ত পরিশ্রমী, তাদের গোলাভরা ধান আছে, কণ্ঠ ভরা গান আছে আর আছে জীবনের জন্য সংগ্রামী চেতনা। এ গ্রামের সকলে ফসলের মাঠে যেমন সুরের। মূর্ছনা তোলে, তেমনি আবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এরা লোকমান ফকিরের সাহায্য কামনা করে। এ গ্রামের লোকদের অনেকে ঘরে হয়তো অভাব আছে কিন্তু দুঃখকষ্ট আছে কি না তা বোঝা দায়, তবে যেটুকু দুঃখ আসে তার কারণ লোকমানের মতো প্রতারক' শ্রেণির মানুষ। গ্রামের মানুষ সরল ধর্মপ্রাণ কিন্তু শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় ভণ্ড ধার্মিকেরা তাদের ঠকায়।'শিক্ষা ও ধর্ম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকার কারণেই ভন্ড ধার্মিকদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়।'- উদ্দীপক ও 'লালসালু' উপন্যাসের আলোকে তোমার মতামত ব্যক্ত করো।