কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।
'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি উদ্দীপকের কবির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বুঝিয়ে লেখো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- সোনার তরী' কবিতায় ফসলের জমির চারদিকে বেষ্টিত জলরাশি কীসের প্রতীক?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের লেখা কাব্যগ্রন্থ নয়?
- গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-
- 'ধান কাটা হলো সারা' চরণটির মাধ্যমে কোন ভাবপ্রকাশ পেয়েছে?
- 'সোনার তরী' কবিতায় ফসলের জমির চারদিকে বেষ্টিত জলরাশি কীসের প্রতীক?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে কী নিয়ে যেতে বলেছেন?
- সোনার তরী কবিতায় উল্লিখিত সময়-
- উদ্দীপকের ‘তুমি’ ‘সোনার তরী' কবিতায় কোনটিরসঙ্গে সংগতিপূর্ণ?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজী শিরােনাম কী?
- শিল্পচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ অবলম্বনে অঙ্কন করেন উপরের চিত্রটিসহ অসংখ্য চিত্র যেগুলো 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' নামে দেশ-বিদেশে সাড়া জাগায় এবং তাঁকে অমর করে তোলে।'মানুষ বাঁচে তাঁর কর্মে, বয়সে নয়।'- উদ্দীপকের-চিত্র ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'সোনার তরী' কবিতায় ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই'-১ কথাটিতে মাঝির কেমন মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- 'চারদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।'- এখানে 'বাঁকা জল' দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- সোনার তরী' কবিতায় ধান কাটা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে-
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ৭ই মার্চের ভাষণের শুরুতেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছেন। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক অন্যায়ভাবে এবং বিনা করণে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচার, নির্যাতন, গুলি ও রক্তপাত করা হয়েছে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ই মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা সমঝোতা না করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে হতাহত করেছে। এরূপ রক্তের করুণ ইতিহাস পুরো পাকিস্তানি শাসনকাল জুড়ে বিরাজমান ছিল। সর্বোপরি ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে জাতির পিতা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর কর্তৃক ২৩ বছর যাবৎ পাকিস্তানি শাসকদের বাংলাদেশের মানুষের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন। আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক কিন্তু ভুলিনি পাকিস্তানি শাসক ও তার দোসরদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ, ভুলিনি জাতির পিতা ও লাখো শহিদের অবদান।'সোনার তরী' কবিতার বিষয়গত সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- "ধান কাটা হল সারা ভরা নদী .......... " শূন্যস্থানে কোনটি হবে?
- 'ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোট সে সে তরীআমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।'- ব্যাখ্যা করো।
- 'শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !'তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে'- উদ্দীপকের এ উক্তির আলোকে 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।