কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ?
A. শেষলেখা
B. শেষপ্রশ্ন
C. শেষকথা
D. শেষদিন
সঠিক উত্তরঃ
A.
শেষলেখা
Explanation: শেষলেখা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়। রবীন্দ্রনাথ মোট ৫৬টি কাব্যগ্রন্থ, ১১৯টি ছোটগল্প, ১২টি উপন্যাস, ৯টি ভ্রমণকাহিনী, ২৯টি নাটক, ১৯টি কাব্যনাট্য এবং ২২৩২টি গান রচনা করেন। তার রচিত কাব্যগ্রন্থ: কবিকাহিনী, বনফুল, রোগশয্যা, আরোগ্য, পূরবী, মানসী, সোনার তরী, পুনশ্চ, চিত্রা, সানাই, চৈতালী, কল্পনা, বলাকা, কড়ি ও কোমল, প্রান্তিক, গীতাঞ্জলি, ক্ষণিকা, কণিকা, সেজুঁতি, কাহিনী, জন্মদিনে, প্রভাতসঙ্গীত, সন্ধ্যাসঙ্গীত, শেষ সপ্তক, শেষ লেখা, শ্যামলী ইত্যাদি। ‘শেষপ্রশ্ন’ উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ‘শেষকথা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘তিনসঙ্গী’ গল্পগ্রন্থের একটি ছোটগল্প।
Related Questions (Any University/Year)
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় । উদ্দীপকের লুই আই কান “সোনার তরী" কবিতারকীসের সাথে তুল্য?
- 'দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।'- চরণটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'একখানি' ছোট খেত, আমি একেলা।' উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএখনই সহস্র এসে গেছে বারবারশাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
- কোন চরণে কবির দ্বিমুখী নীতির প্রকাশ ঘটেছে?
- সোনার তরী' কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে ?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের লেখা কাব্যগ্রন্থ নয়?
- সোনার তরী’ কবিতায় কী নিরুপায়?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় কবি ক্ষণিক হেসে কী নিয়ে যেতে বলেছেন?
- প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আরএমনই সহস্র এসে গেছে বারবার।শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্য, পাটঅশোকের সাম্রাজ্যের ঠাটবাটকিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসেনিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতেসময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতেমানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছেনাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্মকর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।উদ্দীপকের মূলসুর 'সোনার তরী' কবিতারই প্রতিধ্বনি।”- মন্তব্যটি যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা'- ব্যাখ্যা করো।
- 'তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি'-রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?
- মালিহার মন খারাপ। জীবনের কোন চাওয়া পাওয়াই মিলছে না। জানুয়ারির এই কনকনে শীতে বাচ্চাদের অনেক শীতের কাপড় পরিয়ে সে বেড়াতে বের হল। বাচ্চারা ট্রেন দেখবে। তারা রেললাইনের পাশে ঝুপড়ি ঘরে কিছু বাচ্চাদের খেলা করতে দেখল। তাদের গায়ে কাপড় বলতে বেশি কিছু নেই। পাশেই তাদের বাবা মা মাটির চুলায় কিছু রান্না করছে। তারা নিজেদের মধ্যে কিছু বলছে আর উচ্চ স্বরে হাসছে। মুহূর্তের মধ্যে মালিহার মন ভালো হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলেন আনন্দে থাকার জন্য আসলে খুব বেশি কি প্রয়োজন? অর্থ আভিজাত্য সময়ে সব হারিয়ে যাবে।'সময়ে সব হারিয়ে যায়' কথাটি 'সোনার তরী' কবিতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর।
- ঠাই নাই, ঠাই নাই- ছোট সে তরী, আমরি সোনার ধানে গিয়াছে ভরি” . পরের লাইন
- ‘সোনার তরী' কবিতায় তরীটি কিসে বোঝাই?
- কবি নিজেকে কোন সময়ের এলোকেশে ঝড় বলেছেন?
- শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি।' কোন কবিতার চরণ?
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার 'সোনার তরী' কবিতাটি যে স্থানে রচনা করেন-
- নানা: আমার বন্ধু বিদ্যানন্দ এ বিখ্যাত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজের অনেকেই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তখন ভালো চোখে দেখেননি; সহযোগিতাও করেননি। তবে তিনি দমে যাননি, তিলে তিলে গড়ে তোলেন এ বিদ্যালয়টি। কিন্তু সুনামের সবটুকু সম্মান তাঁর কপালে জুটল না।নাতি: তিনি কোথায়?নানা: তিনি নেই। অথচ তাঁর কর্ম পথ পেয়েছে, তাঁরই অবর্তমানে আমাদের মাঝে।নাতি: কী নিষ্ঠুর পৃথিবীর নিয়ম !উদ্দীপকের বিদ্যানন্দ 'সোনার তরী' কবিতা কার সাথে, কীভাবে সম্পর্কিত?
- 'সোনার তরী' কবিতায় 'সোনার ধান' কীসের প্রতীক?
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও দ্রোহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষরা তাঁর লেখায় খুঁজে পান উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। অথচ তাঁর কবিতা ও গান আজও প্রতিটি মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস। তাইতো তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন আপামর জনসাধারণের মাঝে।'কর্মী নয়, কর্মই অবিনশ্বর'-উদ্দীপক ও 'সোনার তরী' কবিতার আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।
- 'শ্রাবণ গগন ঘিরে’ এর পরের চরণ কোনটি?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিরচিত প্রথম ছোটোগল্প কোনটি?
- "ভরা নদী ক্ষুরধারা' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- “ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী/আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।" এখানে ‘সোনার ধান' বলতে কবি ব্যঞ্জনার্থে কী বুঝিয়েছেন?
- শ্রাবণগগন ঘিরে কী ঘুরে ফিরে?
- সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-এই নদী নক্ষত্রের তলে।সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন-সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!আমি চলে যাব বলেচালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলেনরম গন্ধের ঢেউয়ে?লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!উদ্দীপকে 'সোনার তরী' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- 'বারেক ভিড়াও তরী কূলেতে এসে।'- চরণটিতে কৃষকের কীরূপ আবেদন প্রকাশিত হয়েছে?
- 'ধান কাটা হলো সারা' চরণটির মাধ্যমে কোন ভাবপ্রকাশ পেয়েছে?
- সোনার তরী' কবিতায় ধান কাটা শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে-
- ওগো তুমি কোথা যাও কোন বিদেশে? এখানে 'বিদেশ' বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
- 'থরে বিথরে' অর্থ কী?
- 'যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ এর গীতাঞ্জলী কবে প্রকাশিত হয়?
- অলখের পাথার বাহিয়া/তরী তার এসেছে কি?-কার তরী?
- পরপারে দেখি আঁকা তরুছায়ামসী-মাখা।' এখানে'মসী-মাখা' বলতে কী বোঝানো হয়েছে -
- মানুষের বেঁচে ছিলেন মাত্র একুশ বছর। তাঁর অসাধারণ সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি শুকতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে আছেন।উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার কবিচেতনার আংশিক প্রতিফলন মাত্র- বিশ্লেষণ কর।
- "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই ছোটো সে তরী"____ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।